শিরোনাম :
মিরপুর টেস্টে ৯৯-তে থেমে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় সাদমান দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৯ ও হামে ৭ শিশুর মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল শুরু ৩১ অক্টোবর, আগে করালে গ্রহণযোগ্য নয় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত চারজন, আহত ১১ মিরপুর টেস্টে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় আকস্মিক পরিদর্শনে পাঁচ চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও প্রযুক্তিতে জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে ‘মহব্বত’-এ শাকিব খানের নায়িকা কি পাকিস্তানের কিনজা হাশমি ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন। ফলে এই নির্বাচন কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে পারে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটার হওয়ার সুযোগ গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত খোলা রেখেছিল কমিশন। তবে এই নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা হাতে না পাওয়ায়, নির্ধারিত ওই সময়সীমা পরিবর্তিত হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা সম্ভব হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, একটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং প্রকৃত ভোটগ্রহণের তারিখের মধ্যে সাধারণত প্রায় ৪৫ দিনের ব্যবধান রাখা হয়ে থাকে। এর বাইরে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা এবং তা মুদ্রণের কাজ সারতে আরও প্রায় দেড় মাস সময়ের প্রয়োজন পড়ে। সব মিলিয়ে যেকোনো একটি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির জন্য মোটামুটি তিন মাসের মতো সময় দরকার হয়। যেহেতু এ ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য কমিশনের হাতে নেই, তাই এই মুহূর্তে এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করাই সমীচীন বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, এখনো এই নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ইতিমধ্যে সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কমিশন। তবে এখন পর্যন্ত সেই তালিকা এসে পৌঁছায়নি। প্রয়োজনীয় ওই তালিকা হাতে পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে কমিশন।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, এনআইডি সংক্রান্ত বিষয়াদি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে কমিটির মধ্যে। তবে সংশোধনের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কোন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে, তা নির্ধারণ করে একটি সুনির্দিষ্ট মান নির্ধারণী প্রক্রিয়া বা এসওপি এখনো প্রস্তুত করা হয়নি। এই কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্য হলো, সংশোধনের সময় যেন কোনোরকম অসংগতি বা ভুল-ত্রুটির সুযোগ না থাকে।

সব মিলিয়ে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া—স্থানীয় সরকার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম—আপাতত রয়েছে প্রাথমিক প্রস্তুতি ও সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায়। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তারিখ ঘোষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানেই থাকতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।


Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর টেস্টে ৯৯-তে থেমে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় সাদমান

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা

২৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

আপডেট সময় ০৭:১৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন। ফলে এই নির্বাচন কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে পারে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটার হওয়ার সুযোগ গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত খোলা রেখেছিল কমিশন। তবে এই নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা হাতে না পাওয়ায়, নির্ধারিত ওই সময়সীমা পরিবর্তিত হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা সম্ভব হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, একটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং প্রকৃত ভোটগ্রহণের তারিখের মধ্যে সাধারণত প্রায় ৪৫ দিনের ব্যবধান রাখা হয়ে থাকে। এর বাইরে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা এবং তা মুদ্রণের কাজ সারতে আরও প্রায় দেড় মাস সময়ের প্রয়োজন পড়ে। সব মিলিয়ে যেকোনো একটি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির জন্য মোটামুটি তিন মাসের মতো সময় দরকার হয়। যেহেতু এ ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য কমিশনের হাতে নেই, তাই এই মুহূর্তে এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করাই সমীচীন বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, এখনো এই নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ইতিমধ্যে সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কমিশন। তবে এখন পর্যন্ত সেই তালিকা এসে পৌঁছায়নি। প্রয়োজনীয় ওই তালিকা হাতে পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে কমিশন।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, এনআইডি সংক্রান্ত বিষয়াদি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে কমিটির মধ্যে। তবে সংশোধনের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কোন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে, তা নির্ধারণ করে একটি সুনির্দিষ্ট মান নির্ধারণী প্রক্রিয়া বা এসওপি এখনো প্রস্তুত করা হয়নি। এই কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্য হলো, সংশোধনের সময় যেন কোনোরকম অসংগতি বা ভুল-ত্রুটির সুযোগ না থাকে।

সব মিলিয়ে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া—স্থানীয় সরকার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম—আপাতত রয়েছে প্রাথমিক প্রস্তুতি ও সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায়। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তারিখ ঘোষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানেই থাকতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।


Share this news as a Photo Card