শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

ফেসবুক ট্রেন্ডে গা ভাসানো, হতে পারে বিপদ

ফেসবুক খুললেই আজকাল চোখে পড়ছে বিভিন্ন ধরনের এআই ছবি। একজনের দেখাদেখি অন্যজনও এসব ট্রেন্ডিং ছবি বানাচ্ছেন নিজের। তারপর ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন। কিন্তু ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ার এসব ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

ট্রেন্ডে গা ভাসাতে গিয়ে নিজের গোপন তথ্য় হাতছাড়া করছেন না তো আপনি? সেই ক্ষেত্রে ফাঁকা হতে পারে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। ব্যক্তিগত তথ্য চলে যেতে পারে অন্যের হাতে। তেমনই বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা।

গুগলের জিমিনির নতুন টুল ন্যানো বানানা। এই টুল দিয়ে তৈরি ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। এই টুলের মাধ্যমে অত্যন্ত বাস্তবসম্মত চকচকে ত্রিমাত্রিক মডেল বানানো সম্ভব। যে কোনও দ্বিমাত্রিক ছবিকে এই টুল ত্রিমাত্রিক মডেলে বদলে ফেলতে পারে কয়েক মিনিটের মধ্যেই। সহজ প্রক্রিয়া, আকর্ষণীয় ছবির গুণগত মান, সৃজনশীলতা আর অ্যানিমেশনের কারণে এটি ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে এখন।

এটি অনেকের কাছে মজার হতে পারে, কিন্তু এটি কি নিরাপদ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এইভাবে আপনার ছবিগুলোকে নতুন চেহারা দেওয়াটা খুব সাধারণ ব্যাপার মনে হতে পারে, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এই প্রবণতা সম্পর্কে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই প্রবণতার পেছনে আপনার গোপনীয়তাও হাতছাড়া হতে পারে, যা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। মানুষ দ্রুত এই এআই সিস্টেমে তাদের ব্যক্তিগত ছবি আপলোড করছে। এমন পরিস্থিতিতে, এআই সিস্টেমে আপলোড করা এই ছবিগুলোর কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

অনেকেই বুঝতে পারছেন না এখানে বিপদের কি আছে, ধরুন আপনি আপনার ছবি এআইকে দিয়ে বললেন সেটি দিয়ে কোনো ট্রেন্ডিং ছবি বানিয়ে দিতে। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে এআইআপনাকে মনের মতো ছবি দিলো। আপনি তা ডাউনলোড করে শেয়ার করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কিন্তু আপনি যে ছবি এআইকে দিলেও সেটি কিন্তু এআইয়ের স্টোরে জমা হয়ে থাকে। ফলে অন্য কেউ যদি আপনার মতো বিবরণ কিংবা ধরুন বললো বাঙালি কোনো মেয়ের ছবি দাও, এআই কিন্তু তার স্টোরে থাকা ছবি থেকেই সেই ছবি বানিয়ে দেবে। অনেক খারাপ লোক এসব ছবি দিয়ে ডিফফেক ভিডিও বানায়, যা আপনার সম্মানহানির কারণ হতে পারে। তাই সাবধান হোন। বিশেষ করে নারীরা।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এআই দুনিয়ায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সবচেয়ে জরুরি। আপনি যে ছবি আপলোড করছেন, সে ছবি বা তথ্য কোথাও চলে যাবে কিনা বা বিক্রি হবে কি-না, এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। যখন আপনি ছবি তোলেন, তার সঙ্গে ফোনের বিস্তারিত তথ্য থাকে। ঠিক তেমনি যখন আপনি ছবি আপলোড করেন, সেই ছবি ও তার ব্যাকগ্রাউন্ডের তথ্য চলে যায় প্ল্যাটফর্মগুলোতে।

কোথায় কোন তথ্য বা ছবি জমা হচ্ছে তা এখনও অজানা। ফলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অজান্তেই বিদেশে চলে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই ধরনের ছবি ডিপফেক বা ফেক পর্নোগ্রাফি তৈরির জন্য ব্যবহৃত হতে পারে এবং এমনকি ডার্ক ওয়েবেও বিক্রি হতে পারে।

সূত্র: মিডিয়াম

অবশেষে মহাকাশে স্পেসএক্সের স্টারশিপ

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ফেসবুক ট্রেন্ডে গা ভাসানো, হতে পারে বিপদ

আপডেট সময় ১১:১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফেসবুক খুললেই আজকাল চোখে পড়ছে বিভিন্ন ধরনের এআই ছবি। একজনের দেখাদেখি অন্যজনও এসব ট্রেন্ডিং ছবি বানাচ্ছেন নিজের। তারপর ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন। কিন্তু ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ার এসব ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

ট্রেন্ডে গা ভাসাতে গিয়ে নিজের গোপন তথ্য় হাতছাড়া করছেন না তো আপনি? সেই ক্ষেত্রে ফাঁকা হতে পারে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। ব্যক্তিগত তথ্য চলে যেতে পারে অন্যের হাতে। তেমনই বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা।

গুগলের জিমিনির নতুন টুল ন্যানো বানানা। এই টুল দিয়ে তৈরি ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। এই টুলের মাধ্যমে অত্যন্ত বাস্তবসম্মত চকচকে ত্রিমাত্রিক মডেল বানানো সম্ভব। যে কোনও দ্বিমাত্রিক ছবিকে এই টুল ত্রিমাত্রিক মডেলে বদলে ফেলতে পারে কয়েক মিনিটের মধ্যেই। সহজ প্রক্রিয়া, আকর্ষণীয় ছবির গুণগত মান, সৃজনশীলতা আর অ্যানিমেশনের কারণে এটি ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে এখন।

এটি অনেকের কাছে মজার হতে পারে, কিন্তু এটি কি নিরাপদ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এইভাবে আপনার ছবিগুলোকে নতুন চেহারা দেওয়াটা খুব সাধারণ ব্যাপার মনে হতে পারে, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এই প্রবণতা সম্পর্কে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই প্রবণতার পেছনে আপনার গোপনীয়তাও হাতছাড়া হতে পারে, যা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। মানুষ দ্রুত এই এআই সিস্টেমে তাদের ব্যক্তিগত ছবি আপলোড করছে। এমন পরিস্থিতিতে, এআই সিস্টেমে আপলোড করা এই ছবিগুলোর কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

অনেকেই বুঝতে পারছেন না এখানে বিপদের কি আছে, ধরুন আপনি আপনার ছবি এআইকে দিয়ে বললেন সেটি দিয়ে কোনো ট্রেন্ডিং ছবি বানিয়ে দিতে। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে এআইআপনাকে মনের মতো ছবি দিলো। আপনি তা ডাউনলোড করে শেয়ার করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কিন্তু আপনি যে ছবি এআইকে দিলেও সেটি কিন্তু এআইয়ের স্টোরে জমা হয়ে থাকে। ফলে অন্য কেউ যদি আপনার মতো বিবরণ কিংবা ধরুন বললো বাঙালি কোনো মেয়ের ছবি দাও, এআই কিন্তু তার স্টোরে থাকা ছবি থেকেই সেই ছবি বানিয়ে দেবে। অনেক খারাপ লোক এসব ছবি দিয়ে ডিফফেক ভিডিও বানায়, যা আপনার সম্মানহানির কারণ হতে পারে। তাই সাবধান হোন। বিশেষ করে নারীরা।

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এআই দুনিয়ায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সবচেয়ে জরুরি। আপনি যে ছবি আপলোড করছেন, সে ছবি বা তথ্য কোথাও চলে যাবে কিনা বা বিক্রি হবে কি-না, এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। যখন আপনি ছবি তোলেন, তার সঙ্গে ফোনের বিস্তারিত তথ্য থাকে। ঠিক তেমনি যখন আপনি ছবি আপলোড করেন, সেই ছবি ও তার ব্যাকগ্রাউন্ডের তথ্য চলে যায় প্ল্যাটফর্মগুলোতে।

কোথায় কোন তথ্য বা ছবি জমা হচ্ছে তা এখনও অজানা। ফলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অজান্তেই বিদেশে চলে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই ধরনের ছবি ডিপফেক বা ফেক পর্নোগ্রাফি তৈরির জন্য ব্যবহৃত হতে পারে এবং এমনকি ডার্ক ওয়েবেও বিক্রি হতে পারে।

সূত্র: মিডিয়াম

অবশেষে মহাকাশে স্পেসএক্সের স্টারশিপ

Share this news as a Photo Card