গত এক বছরে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। কিছুদিন আগেও ১০০ রুপি কিনতে প্রায় ১৪০ টাকা লাগত, এখন তা নেমে এসেছে ১২৭ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে। চলতি মাসের ২১ তারিখের হিসাবে প্রতি রুপির দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ টাকা ২৭ পয়সা।
গত দেড় বছরের হিসাব দেখলে পরিবর্তনটা স্পষ্ট হয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এক রুপির দাম ছিল ১ টাকা ৩৭ থেকে ৪০ পয়সা। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তা নেমে আসে ১ টাকা ৩৪ থেকে ৩৬ পয়সায়। আর চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তা আরও কমে দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২৭ পয়সায়।
এই পরিবর্তনের পেছনে শুধু টাকার নিজস্ব শক্তি নয়, বড় ভূমিকা রেখেছে রুপির দুর্বলতাও। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে ডলারের বিপরীতে রুপি প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ দুর্বল হয়েছিল, যেখানে একই সময়ে টাকা ছিল তুলনামূলক স্থিতিশীল। সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখে ডলারের বিপরীতে রুপির দর ছিল প্রায় ৯৫ টাকা ৮২ পয়সা (রুপিতে)।
এই স্থিতিশীলতার পেছনে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রিজার্ভ বৃদ্ধিও কাজ করেছে বলে জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য। জুলাইয়ে প্রায় ২৮৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, আর আগস্টের প্রথম ২৯ দিনেই এসেছে প্রায় ২৬৭ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ২২ শতাংশ বেশি। আগস্ট শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 



















