শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

সোনাহাট স্থলবন্দরে ১০ বছরেও চালু হয়নি ইমিগ্রেশন কার্যক্রম 

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ২০১৩ সালে দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে সোনহাট স্থলবন্দর। শুরু থেকেই স্থলবন্দরটি রাজস্ব আয়ের বিপুল সম্ভাবনাময় একটি বন্দর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই স্থল বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও শুধু ইমিগ্রেশন চালু না থাকায় আমদানি- রফতানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে ব্যাঘাত ঘটছে । দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং সরকার হারাচ্ছে বিরাট অংকের রাজস্ব আয়। 
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়ে বারবার আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত চালু হয়নি ইমিগ্রেশন। তাই শিগগিরই এই বন্দরে ইমিগ্রেশন চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থলবন্দর কর্মকর্তাসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, ভারতের আসাম, মেঘালয় সহ সেভেন সিস্টার-স খ্যাত রাজ্যগুলোর সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের পণ্য আমদানি ও রফতানির জন্য ২০১৩ সালের ০৪ সেপ্টেম্বর সোনাহাট স্থলবন্দর চালু করা হয়। আমদানি পণ্যগুলোর তালিকা লিষ্টে আছে পাথর, কয়লা, তাজা ফল, ভুট্টা, গম, চাল, ডাল, আদা, পেঁয়াজ ও রসুন। তবে বন্দর চালুর দীর্ঘতম সময় পার হলেও এ পর্যন্ত শুধু পাথর ও কয়লা আমদানি করা হচ্ছে।
অপরদিকে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে জুট ওয়েস্ট কটন, সিনথেটিক নেট, গার্মেন্টস প্রডাক্ট, আকিজের ও আরএফএল- এর প্লাইউড ও প্লাস্টিকের প্রডাক্ট। বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকা আয় হচ্ছে।
বন্দর ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ইমিগ্রেশন চালু না থাকায় ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া মাঝেমধ্যেই আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এতে প্রায় তিন হাজার বন্দর শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বন্দরের ব্যবসায়ী আবুল হোসেন ও মিজানুর রহমান বলেন, ‘এই বন্দরটি চালু করার পর অনেক আশা নিয়ে আমরা ব্যবসা শুরু করি। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসা শুরু করে। কিন্তু ভারতীয় প্রশাসনের সঠিক নজরদারির অভাবে এলসি করেও কয়লা ও পাথরের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। ফলে আমাদের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে ইমিগ্রেশন চালু করার জন্য। সোনারহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন চালু হলে বাড়বে ব্যবসায়িক কার্যক্রম, ভোগান্তি কমবে পাসপোর্ট ধারি যাত্রীদের। এই জেলার যাত্রীদের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর দিয়া আর ভারতে যেতে হবে না।  আমাদের দাবি একটাই সোনাহাট স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন দ্রুত চালু চাই।।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সোনাহাট স্থলবন্দরে ১০ বছরেও চালু হয়নি ইমিগ্রেশন কার্যক্রম 

আপডেট সময় ১১:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ২০১৩ সালে দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে সোনহাট স্থলবন্দর। শুরু থেকেই স্থলবন্দরটি রাজস্ব আয়ের বিপুল সম্ভাবনাময় একটি বন্দর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই স্থল বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও শুধু ইমিগ্রেশন চালু না থাকায় আমদানি- রফতানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে ব্যাঘাত ঘটছে । দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং সরকার হারাচ্ছে বিরাট অংকের রাজস্ব আয়। 
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়ে বারবার আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত চালু হয়নি ইমিগ্রেশন। তাই শিগগিরই এই বন্দরে ইমিগ্রেশন চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থলবন্দর কর্মকর্তাসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, ভারতের আসাম, মেঘালয় সহ সেভেন সিস্টার-স খ্যাত রাজ্যগুলোর সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের পণ্য আমদানি ও রফতানির জন্য ২০১৩ সালের ০৪ সেপ্টেম্বর সোনাহাট স্থলবন্দর চালু করা হয়। আমদানি পণ্যগুলোর তালিকা লিষ্টে আছে পাথর, কয়লা, তাজা ফল, ভুট্টা, গম, চাল, ডাল, আদা, পেঁয়াজ ও রসুন। তবে বন্দর চালুর দীর্ঘতম সময় পার হলেও এ পর্যন্ত শুধু পাথর ও কয়লা আমদানি করা হচ্ছে।
অপরদিকে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে জুট ওয়েস্ট কটন, সিনথেটিক নেট, গার্মেন্টস প্রডাক্ট, আকিজের ও আরএফএল- এর প্লাইউড ও প্লাস্টিকের প্রডাক্ট। বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকা আয় হচ্ছে।
বন্দর ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ইমিগ্রেশন চালু না থাকায় ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া মাঝেমধ্যেই আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এতে প্রায় তিন হাজার বন্দর শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বন্দরের ব্যবসায়ী আবুল হোসেন ও মিজানুর রহমান বলেন, ‘এই বন্দরটি চালু করার পর অনেক আশা নিয়ে আমরা ব্যবসা শুরু করি। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসা শুরু করে। কিন্তু ভারতীয় প্রশাসনের সঠিক নজরদারির অভাবে এলসি করেও কয়লা ও পাথরের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। ফলে আমাদের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে ইমিগ্রেশন চালু করার জন্য। সোনারহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন চালু হলে বাড়বে ব্যবসায়িক কার্যক্রম, ভোগান্তি কমবে পাসপোর্ট ধারি যাত্রীদের। এই জেলার যাত্রীদের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর দিয়া আর ভারতে যেতে হবে না।  আমাদের দাবি একটাই সোনাহাট স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন দ্রুত চালু চাই।।

Share this news as a Photo Card