ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (AFED) সাধারণভাবে সুশৃঙ্খল ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেছে। এ সময় ভোটারদের সুশৃঙ্খল লাইন ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মীর উপস্থিতি দেখা গেছে। এ ছাড়া কেন্দ্রগুলোর ভেতরে মারামারি, ভয়ভীতি দেখানো বা জোর খাটানোর মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে সকালের দিকে একজন প্রার্থীকে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে দলীয় প্রতীক বিতরণ করতে দেখা যায়, যা পরবর্তীতে ময়লা হিসেবে মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। কেন্দ্রগুলোর কাছাকাছি নির্বাচনী প্রচারণামূলক সামগ্রীও দেখা গেছে, যা নির্বাচনের দিনে প্রচারণার নিয়ম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
লাইট হাউজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এবং অ্যাফিড (AFED)-এর সদস্য সচিব মো. হারুন অর রশিদ বলেন, “সাধারণভাবে সুশৃঙ্খল ভোটগ্রহণ একটি ইতিবাচক দিক। তবে নির্বাচনের দিন প্রচারণার নিয়মগুলো সব প্রার্থীরই মেনে চলা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে এই নিয়মগুলো সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর করা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন এই বিষয়গুলো নির্বাচনী আইনের আলোকে খতিয়ে দেখা এবং তাদের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে জানানো।”
পর্যবেক্ষণ মিশন এবং মূল্যায়নের পরিধি
নির্বাচনের দিন অ্যাফিড (AFED) ৫২ জন স্বল্পমেয়াদী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে আসা পর্যবেক্ষকদের ১২৬টি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এই প্রাথমিক বিবৃতিটি তৈরি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তিনজন দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষক নির্বাচনের আগের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। এই মিশনে মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল, যেখানে পর্যবেক্ষকেরা নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে অল্প সময়ের জন্য গিয়েছিলেন। তাই এই তথ্যগুলো কেবল সেই নির্দিষ্ট স্থান, বুথ এবং সময়ের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা আসলে সরাসরি দেখা গেছে।
প্রস্তুতি এবং ভোটগ্রহণ শুরু
শারীরিক প্রতিবন্ধী বা চলাফেরায় সমস্যা থাকা মানুষের জন্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশযোগ্যতার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। যদিও বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র নিচতলায় স্থাপন করা হয়েছিল, তবুও পর্যবেক্ষণ করা কেন্দ্রগুলোর ২৪ শতাংশে অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরা করতে অক্ষম ভোটারদের প্রবেশের কোনো সুব্যবস্থা ছিল না। “প্রবেশদ্বারে ছোট ছোট সিঁড়ি থাকার কারণেও অনেকের ঢুকতে সমস্যা হতে পারে। তাই শুধু নিচতলায় কেন্দ্র করলেই সবার জন্য যাতায়াত সহজ হয় না। কেন্দ্রগুলোতে সিঁড়িমুক্ত এমন পথ থাকা উচিত, যাতে সব ভোটার স্বাধীনভাবে ও মর্যাদার সাথে ভেতরে যাতায়াত করতে পারেন।”
ভোটগ্রহণ শুরুর প্রক্রিয়াটি সাধারণভাবে সুশৃঙ্খল ছিল এবং নির্বাচন কর্মকর্তারা বেশ ভালো প্রস্তুতি দেখিয়েছিলেন। ৯৮ শতাংশ কেন্দ্রে গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ভোটকক্ষগুলো সঠিকভাবে সাজানো হয়েছিল। তবে, কিছু কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা এমনভাবে বসানো হয়েছিল যা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়; কারণ বুথের ভেতরে ভোটাররা যখন ব্যালটে সিল মারছিলেন, তখন তা ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছিল। এটি ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট করতে পারে। পর্যবেক্ষণ করা কেন্দ্রগুলোর ৯৮ শতাংশে খালি ব্যালট বাক্স প্রদর্শন ও সিলগালা করা হয়েছিল এবং ৯৬ শতাংশ কেন্দ্র সকাল ৮টার মধ্যে ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত ছিল। ভোট শুরু হওয়ার সময় অন্তত দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন।
ভোটকেন্দ্রের চারপাশে প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড ও পরিবেশ
অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রের বাইরে বা কাছাকাছি নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রী দেখা গেছে। সকালের দিকে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোর চারপাশে একজন প্রার্থীকে দলীয় প্রতীক সম্বলিত প্রচারপত্র বিতরণ করতে দেখা যায়, যা পরবর্তীতে ময়লা হিসেবে মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ভোটারদের স্লিপ দেওয়ার জন্য তৈরি করা রাজনৈতিক দলগুলোর বুথ থেকে ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করার ঘটনাও ঘটেছে (৮ শতাংশ)। পর্যবেক্ষকরা দেখেছেন যে ৭২ শতাংশ এলাকায় ভোটারদের দলবদ্ধভাবে বিভিন্ন যানবাহনে করে কেন্দ্রে আনা হয়েছে, যার মধ্যে কিছু পরিবহনের ব্যবস্থা প্রার্থীরাই করেছিলেন। যদিও এই ধরণের ব্যবস্থা ভোটারদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে, তবে প্রার্থীরা কোনো শর্ত ছাড়া নাকি নির্বাচনী সমর্থনের বিনিময়ে এই পরিবহনের ব্যবস্থা করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার। এই বিষয়গুলো আরপিও (RPO)-এর ৭৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উদ্বেগ তৈরি করে, যা নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রচারণা চালানো, ভোট চাওয়া এবং নির্দিষ্ট কিছু প্রচারণামূলক প্রদর্শনীকে নিষিদ্ধ করে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া, নিরাপত্তা এবং পর্যবেক্ষকদের প্রবেশাধিকার
প্রায় সব কেন্দ্রেই (৯৯ শতাংশ) ভোটারদের লাইন সুশৃঙ্খল ছিল। পর্যবেক্ষণ করা এলাকাগুলোর ৮৩ শতাংশে নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকার সাথে ভোটারের পরিচয় বা ছবি মিলিয়ে দেখা হয়েছে। অ্যাফিড (AFED) যে ১২৬টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছে, তার মধ্যে মাত্র একটিতে ভুয়া ভোট (প্রক্সি ভোটিং) দেওয়ার সন্দেহের কথা জানা গেছে। ৯৮ শতাংশ কেন্দ্রে নিরাপত্তা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মাত্র একটি ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছিল। ৮৭ শতাংশ ক্ষেত্রে এএফইডি পর্যবেক্ষকদের পরিদর্শনের পুরোটা সময় কেন্দ্রের ভেতরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল; আর বাকি ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে তাদের মাঝে মাঝে বাইরে যেতে বলা হলেও তারা জানালা দিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছিলেন। পর্যবেক্ষকরা আরও লক্ষ্য করেছেন যে, অন্য নির্বাচনী এলাকা থেকে আসা নির্বাচন কর্মকর্তারাও পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তবে তাদের ভূমিকা স্বাধীন দেশীয় পর্যবেক্ষকদের চেয়ে আলাদা ছিল।
অন্তর্ভুক্তি এবং অংশগ্রহণ
পর্যবেক্ষণ করা কেন্দ্রগুলোতে নারী পোলিং কর্মকর্তা থাকলেও, কোনো কেন্দ্রেই কোনো নারী প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন না। ফলে ভোটগ্রহণের কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ থাকলেও কেন্দ্রভিত্তিক নেতৃত্ব পর্যায়ে তাদের উপস্থিতি দেখা যায়নি। এ থেকে নির্বাচনী বিভিন্ন দায়িত্বে নারীদের প্রতিনিধিত্ব খতিয়ে দেখা এবং দায়িত্বশীল পদে তাদের নিয়োগের সুযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৯৫ শতাংশ কেন্দ্রে বয়স্ক ভোটার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার বা সহজ সুবিধা দেওয়ার কথা জানা গেছে। এ ছাড়া ৯৩ শতাংশ কেন্দ্রে দেশের সংখ্যালঘু ভোটারদের সাথে সমান আচরণের বিষয়টি উঠে এসেছে। নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় এই ধরণের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ বজায় রাখা উচিত, যেখানে সহায়তার পাশাপাশি ভোটারের নিজস্ব পছন্দ এবং ভোটের গোপনীয়তাও সুরক্ষিত থাকবে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৬৪.৭৭ শতাংশ; যেখানে গত ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনে এই আসনে উপস্থিতি ছিল ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ ভোটার উপস্থিতি ১১.২৩ শতাংশ কমেছে। তবুও, এই উপস্থিতি এর আগে অনুষ্ঠিত বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ উপনির্বাচনের সরকারি হারের চেয়ে বেশি ছিল। এর মানে হলো, সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় এই উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ কম হলেও আগের দুটি উপনির্বাচনের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। তবে কেবল এই সংখ্যাগুলো দিয়ে ভোটারদের উপস্থিতির হারের পার্থক্যের কারণ জানা যায় না, কিংবা জনগণের আস্থা বা নির্বাচনের সততা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এএফইডি-এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে ৭৪ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল মাঝারি, ১৮ শতাংশ কেন্দ্রে কম এবং মাত্র ৮ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে।
ভোট গণনার স্বচ্ছতা এবং অনিয়মের অভিযোগ
পর্যবেক্ষণ করা কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনা প্রক্রিয়াটি সাধারণভাবে সুশৃঙ্খল ছিল। ৯৫ শতাংশ কেন্দ্রে বৈধ ও অবৈধ ব্যালটগুলো একইভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং ৯৬ শতাংশ কেন্দ্রে ফলাফল প্রকাশ বা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোট গণনার সময় পর্যবেক্ষণ করা কেন্দ্রগুলোতে এজেন্টদের কাছ থেকে দুটি অভিযোগের কথা জানতে পেরেছে অ্যাফিড। তবে ভোট গণনার সময় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হয়রানির ঘটনা লক্ষ্য করা যায়নি।
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময়কে অ্যাফিড (AFED) একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে স্বাগত জানায়। এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগ উত্তেজনা প্রশমনে এবং উভয় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
আমরা সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলকে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখার, সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার এবং যেকোনো নির্বাচনী অভিযোগ যথাযথ অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানাই। গঠনমূলক সংলাপ এবং অভিযোগের সময়োপযোগী ও নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি এই দুইয়ের সমন্বয়ই একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন-পরবর্তী পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে বলেছেন ডেমোক্রেসিওয়াচের ফাউন্ডার ও চেয়ারপারসন তালেয়া রেহমান।
সুপারিশসমূহ:
• নির্বাচনের দিনের প্রচারণামূলক বিধি-নিষেধ মেনে চলা: নির্বাচনের দিন সকালে দলীয় প্রতীক বিতরণসহ অন্যান্য প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড আরপিও (RPO)-এর ৭৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তদন্ত করা উচিত। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এই নিয়ম সব প্রার্থী ও দলের জন্য সমানভাবে কার্যকর হতে হবে।
• অভিযোগকারী এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য করণীয়: নির্দিষ্ট এলাকা, সময়, কর্মকাণ্ড এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ নির্দিষ্ট অভিযোগগুলো সঠিক মাধ্যমে জমা দেওয়া উচিত। প্রাসঙ্গিক সব রেকর্ড বা তথ্য প্রমাণ সংরক্ষণ করা দরকার এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কোনো অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
• অভিযোগের সময়োপযোগী ও স্বচ্ছ নিষ্পত্তি: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগগুলো একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত খতিয়ে দেখা। অভিযোগকারী এবং সাক্ষীরা যাতে নিরাপদে তথ্য-প্রমাণ জমা দিতে পারেন, তদন্তের নিয়মিত আপডেট পান এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত প্রতিকার ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত জানতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা উচিত। এ ছাড়া ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দিতে এবং আরও সহিংসতা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
AFED (Alliance for Fair Election and Democracy) হলো একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম, যা ৩০টি বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত। স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং নাগরিকভিত্তিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিচালনার জন্য এটি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় । ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের জন্য AFED মোট ৫২ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করে। AFED-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি 











