শিরোনাম :
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা পাকিস্তানের সোমবার থেকে নিবন্ধন ছাড়া সড়কে নামতে পারবে না ই-রিকশা পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে ছয় সদস্যের বোর্ড ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে : এএফইডি হ্যাকিংয়ে বাইন্যান্সের ৬৩০ কোটি ডলার চুরি, ৯০ শতাংশই উদ্ধার ৩০ হাজার টাকার দাবিতে কর্মবিরতি, উত্তপ্ত গাজীপুর ও মিরপুর, আশুলিয়া ভৌগোলিক সীমা ছাড়াই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মোজতবা খামেনি আশুলিয়ায় মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ লংমার্চ নয়, সংবিধান সংস্কারে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইইউ-আমেরিকার বাজার ধরে রাখতে ট্রেসেবিলিটির ৬৬ ঘাটতি

বড় বাজেট ছাড়াই ১০০ কোটি ভিউ পেরোল ‘দুনিয়া টাকার গোলাম’

বড় কোনো বাজেট নেই, পরিচিত তারকাও নেই। তবু শক্তিশালী গল্প আর সমাজের চেনা চিত্রের জোরে ইউটিউবে দর্শকের মন জয় করেছে ‘প্র্যাংক কিং এন্টারটেইনমেন্ট’ চ্যানেলের নাটক ‘দুনিয়া টাকার গোলাম’। ইউটিউবে নাটকটির মোট ভিউ ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে।

এই সাফল্যের নেপথ্যে আছেন চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাতা, চিত্রনাট্যকার ও গল্পকার আর্থিক সজীব (সজীব উদ্দিন)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি নাটকের অনুপ্রেরণা, পর্বে পর্বে সাসপেন্স ধরে রাখার কৌশল এবং এই অর্জনের পেছনের কথা বলেছেন।

অনুপ্রেরণা

গভীর ও সচেতনতামূলক গল্প লেখার ভাবনা কোথা থেকে এল, জানতে চাইলে সজীব বলেন, তাঁর একটি বড় দর্শকশ্রেণি আছে, যাঁরা এ ধরনের কাজ পছন্দ করেন। বিশ্বজুড়ে চলমান প্রবণতা আর দর্শকের চাহিদা মাথায় রেখে একটু ভিন্ন ধাঁচের কিছু উপহার দিতেই এই ধারণা তাঁর মাথায় আসে। দর্শকের ভালোবাসা এবং প্রায় ১৪ মিলিয়নের বেশি ভিউয়ের সাড়া তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গল্পের শেকড়

নাটকে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েন এবং টাকার কাছে সম্পর্ক বদলে যাওয়ার নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। সজীব জানান, এসব ঘটনা সরাসরি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা নয়। তবে চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা, মানুষের অর্থনৈতিক সংকট আর উচ্চবিত্ত-নিম্নবিত্তের দ্বন্দ্ব প্রতিনিয়ত তাঁর চোখে পড়ে। পত্রপত্রিকা ও পারিপার্শ্বিক অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এসব বাস্তব চিত্রকে গল্পের রূপ দিয়েছেন। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র গরিব ও নিপীড়িত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।

প্রতিটি পর্বের শেষে টান

দীর্ঘ ধারাবাহিকে পর্বের সমাপ্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই গল্পকার। তাঁর ভাষ্য, পরবর্তী তিন-চার দিন দর্শক যেন পরের পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, সেটি মাথায় রেখে দল ও পরিচালকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়। নিখুঁত পরিকল্পনা ও সুচিন্তিত চিত্রনাট্যের মাধ্যমেই এই আকর্ষণ তৈরি করা হয়।

একশ কোটির মাইলফলক

সব পর্ব মিলিয়ে ১০০ কোটি ভিউকে সজীব একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন। এর পুরো কৃতিত্ব তিনি দিয়েছেন দর্শকদের, যাঁরা প্রতিনিয়ত সমর্থন জুগিয়ে আসছেন।

ধারাবাহিকটি আর কত দূর যাবে বা কোথায় শেষ হবে, এ প্রশ্নে সজীব জানান, পর্বসংখ্যা বা সমাপ্তি নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই। গল্পের নিজস্ব গতিই ঠিক করবে এর শেষ কোথায়। যেখানে শেষ করা দরকার, সেখানেই তা শেষ হবে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা পাকিস্তানের

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ইইউ-আমেরিকার বাজার ধরে রাখতে ট্রেসেবিলিটির ৬৬ ঘাটতি

৩১ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বড় বাজেট ছাড়াই ১০০ কোটি ভিউ পেরোল ‘দুনিয়া টাকার গোলাম’

আপডেট সময় ১২:২৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

বড় কোনো বাজেট নেই, পরিচিত তারকাও নেই। তবু শক্তিশালী গল্প আর সমাজের চেনা চিত্রের জোরে ইউটিউবে দর্শকের মন জয় করেছে ‘প্র্যাংক কিং এন্টারটেইনমেন্ট’ চ্যানেলের নাটক ‘দুনিয়া টাকার গোলাম’। ইউটিউবে নাটকটির মোট ভিউ ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে।

এই সাফল্যের নেপথ্যে আছেন চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাতা, চিত্রনাট্যকার ও গল্পকার আর্থিক সজীব (সজীব উদ্দিন)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি নাটকের অনুপ্রেরণা, পর্বে পর্বে সাসপেন্স ধরে রাখার কৌশল এবং এই অর্জনের পেছনের কথা বলেছেন।

অনুপ্রেরণা

গভীর ও সচেতনতামূলক গল্প লেখার ভাবনা কোথা থেকে এল, জানতে চাইলে সজীব বলেন, তাঁর একটি বড় দর্শকশ্রেণি আছে, যাঁরা এ ধরনের কাজ পছন্দ করেন। বিশ্বজুড়ে চলমান প্রবণতা আর দর্শকের চাহিদা মাথায় রেখে একটু ভিন্ন ধাঁচের কিছু উপহার দিতেই এই ধারণা তাঁর মাথায় আসে। দর্শকের ভালোবাসা এবং প্রায় ১৪ মিলিয়নের বেশি ভিউয়ের সাড়া তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গল্পের শেকড়

নাটকে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েন এবং টাকার কাছে সম্পর্ক বদলে যাওয়ার নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। সজীব জানান, এসব ঘটনা সরাসরি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা নয়। তবে চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা, মানুষের অর্থনৈতিক সংকট আর উচ্চবিত্ত-নিম্নবিত্তের দ্বন্দ্ব প্রতিনিয়ত তাঁর চোখে পড়ে। পত্রপত্রিকা ও পারিপার্শ্বিক অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এসব বাস্তব চিত্রকে গল্পের রূপ দিয়েছেন। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র গরিব ও নিপীড়িত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।

প্রতিটি পর্বের শেষে টান

দীর্ঘ ধারাবাহিকে পর্বের সমাপ্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই গল্পকার। তাঁর ভাষ্য, পরবর্তী তিন-চার দিন দর্শক যেন পরের পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, সেটি মাথায় রেখে দল ও পরিচালকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়। নিখুঁত পরিকল্পনা ও সুচিন্তিত চিত্রনাট্যের মাধ্যমেই এই আকর্ষণ তৈরি করা হয়।

একশ কোটির মাইলফলক

সব পর্ব মিলিয়ে ১০০ কোটি ভিউকে সজীব একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন। এর পুরো কৃতিত্ব তিনি দিয়েছেন দর্শকদের, যাঁরা প্রতিনিয়ত সমর্থন জুগিয়ে আসছেন।

ধারাবাহিকটি আর কত দূর যাবে বা কোথায় শেষ হবে, এ প্রশ্নে সজীব জানান, পর্বসংখ্যা বা সমাপ্তি নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই। গল্পের নিজস্ব গতিই ঠিক করবে এর শেষ কোথায়। যেখানে শেষ করা দরকার, সেখানেই তা শেষ হবে।

Share this news as a Photo Card