ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইলফোন নিতে পারবেন : ইসি

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইলফোন নিয়ে যেতে পারবেন। তারা মোবাইলফোন না নিয়ে যেতে পারলে কাজ করবেন কীভাবে? পরিপত্রে এটা ক্লিয়ার করে দেওয়া যেতো, যেটা করা হয়নি। এটা নিয়ে পুনরায় ক্লিয়ার করা হবে।

আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, কেবল প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং নির্দিষ্ট দুইজন আনসার সদস্য (অ্যাপ ব্যবহারের জন্য) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

এই নির্দেশনার ফলে প্রার্থী ও সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে সাংবাদিক মহলের সমালোচনা পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন তাদের অবস্থান থেকে সরে আসে।

সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে ইসি সানাউল্লাহ জানান, মোবাইল ফোন বহনে যে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছিল, তা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে শিথিল করা হবে এবং দ্রুতই এ বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইলফোন নিতে পারবেন : ইসি

আপডেট সময় ০৫:৪৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইলফোন নিয়ে যেতে পারবেন। তারা মোবাইলফোন না নিয়ে যেতে পারলে কাজ করবেন কীভাবে? পরিপত্রে এটা ক্লিয়ার করে দেওয়া যেতো, যেটা করা হয়নি। এটা নিয়ে পুনরায় ক্লিয়ার করা হবে।

আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, কেবল প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং নির্দিষ্ট দুইজন আনসার সদস্য (অ্যাপ ব্যবহারের জন্য) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

এই নির্দেশনার ফলে প্রার্থী ও সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে সাংবাদিক মহলের সমালোচনা পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন তাদের অবস্থান থেকে সরে আসে।

সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে ইসি সানাউল্লাহ জানান, মোবাইল ফোন বহনে যে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছিল, তা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে শিথিল করা হবে এবং দ্রুতই এ বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।