ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর হুমকির পাল্টা জবাব দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোর পর ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুপ করে থাকবে না এবং বাইরের শক্তির হুমকির মুখে পড়বে না। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ কথা বলেন দেশটির সেনাপ্রধান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় এএফপি।

জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইরানি জাতির বিরুদ্ধে বৈরিতাপূর্ণ বক্তব্যকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং এর ধারাবাহিকতা বিনা প্রতিক্রিয়ায় সহ্য করবে না।

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান হাতামি সতর্ক করে বলেন, যদি শত্রু ভুল করে, তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হবে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের ব্যবসায়ীরা ঊর্ধ্বমুখী দাম ও রিয়ালের দরপতনের ঘটনায় বিক্ষোভ করে। বেশ কয়েকটি শহরে এ ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি মারাত্মক রূপ নিয়েছিল। তবে এই বিক্ষোভগুলো এখনও ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের আন্দোলনের মতো উচ্চমাত্রায় পৌঁছায়নি। তবে ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পরের ইরানের রাস্তায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এবারের অর্থনৈতিক বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যার মধ্যে ইরানের শত্রু দেশগুলোর নেতারাও রয়েছেন।

ইয়ারানের এই বিক্ষোভ নিয়ে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি তারা অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে আমার মনে হয়—তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুব কঠোর আঘাত পাবে।’

গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়ার এবং ইরানের জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করার চেষ্টার অভিযোগ করেছে।

গত জুনে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এক অভূতপূর্ব ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছিল।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর হুমকির পাল্টা জবাব দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৮:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোর পর ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুপ করে থাকবে না এবং বাইরের শক্তির হুমকির মুখে পড়বে না। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ কথা বলেন দেশটির সেনাপ্রধান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় এএফপি।

জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইরানি জাতির বিরুদ্ধে বৈরিতাপূর্ণ বক্তব্যকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং এর ধারাবাহিকতা বিনা প্রতিক্রিয়ায় সহ্য করবে না।

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান হাতামি সতর্ক করে বলেন, যদি শত্রু ভুল করে, তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হবে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের ব্যবসায়ীরা ঊর্ধ্বমুখী দাম ও রিয়ালের দরপতনের ঘটনায় বিক্ষোভ করে। বেশ কয়েকটি শহরে এ ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি মারাত্মক রূপ নিয়েছিল। তবে এই বিক্ষোভগুলো এখনও ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের আন্দোলনের মতো উচ্চমাত্রায় পৌঁছায়নি। তবে ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পরের ইরানের রাস্তায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এবারের অর্থনৈতিক বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যার মধ্যে ইরানের শত্রু দেশগুলোর নেতারাও রয়েছেন।

ইয়ারানের এই বিক্ষোভ নিয়ে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি তারা অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে আমার মনে হয়—তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুব কঠোর আঘাত পাবে।’

গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়ার এবং ইরানের জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করার চেষ্টার অভিযোগ করেছে।

গত জুনে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এক অভূতপূর্ব ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছিল।