শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর হুমকির পাল্টা জবাব দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোর পর ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুপ করে থাকবে না এবং বাইরের শক্তির হুমকির মুখে পড়বে না। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ কথা বলেন দেশটির সেনাপ্রধান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় এএফপি।

জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইরানি জাতির বিরুদ্ধে বৈরিতাপূর্ণ বক্তব্যকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং এর ধারাবাহিকতা বিনা প্রতিক্রিয়ায় সহ্য করবে না।

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান হাতামি সতর্ক করে বলেন, যদি শত্রু ভুল করে, তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হবে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের ব্যবসায়ীরা ঊর্ধ্বমুখী দাম ও রিয়ালের দরপতনের ঘটনায় বিক্ষোভ করে। বেশ কয়েকটি শহরে এ ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি মারাত্মক রূপ নিয়েছিল। তবে এই বিক্ষোভগুলো এখনও ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের আন্দোলনের মতো উচ্চমাত্রায় পৌঁছায়নি। তবে ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পরের ইরানের রাস্তায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এবারের অর্থনৈতিক বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যার মধ্যে ইরানের শত্রু দেশগুলোর নেতারাও রয়েছেন।

ইয়ারানের এই বিক্ষোভ নিয়ে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি তারা অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে আমার মনে হয়—তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুব কঠোর আঘাত পাবে।’

গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়ার এবং ইরানের জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করার চেষ্টার অভিযোগ করেছে।

গত জুনে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এক অভূতপূর্ব ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছিল।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর হুমকির পাল্টা জবাব দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৮:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে সমর্থন জানানোর পর ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, ইরান চুপ করে থাকবে না এবং বাইরের শক্তির হুমকির মুখে পড়বে না। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ কথা বলেন দেশটির সেনাপ্রধান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় এএফপি।

জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইরানি জাতির বিরুদ্ধে বৈরিতাপূর্ণ বক্তব্যকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং এর ধারাবাহিকতা বিনা প্রতিক্রিয়ায় সহ্য করবে না।

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান হাতামি সতর্ক করে বলেন, যদি শত্রু ভুল করে, তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হবে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের ব্যবসায়ীরা ঊর্ধ্বমুখী দাম ও রিয়ালের দরপতনের ঘটনায় বিক্ষোভ করে। বেশ কয়েকটি শহরে এ ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি মারাত্মক রূপ নিয়েছিল। তবে এই বিক্ষোভগুলো এখনও ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের আন্দোলনের মতো উচ্চমাত্রায় পৌঁছায়নি। তবে ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পরের ইরানের রাস্তায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এবারের অর্থনৈতিক বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যার মধ্যে ইরানের শত্রু দেশগুলোর নেতারাও রয়েছেন।

ইয়ারানের এই বিক্ষোভ নিয়ে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি তারা অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে আমার মনে হয়—তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুব কঠোর আঘাত পাবে।’

গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দেওয়ার এবং ইরানের জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করার চেষ্টার অভিযোগ করেছে।

গত জুনে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এক অভূতপূর্ব ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করেছিল।

Share this news as a Photo Card