শিরোনাম :
মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে তাকাইচি মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ সরকারের, মিলবে পাঁচ হাজার টাকায় ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ মৃত্যু, হামে ঝরল ৭ শিশুর প্রাণ দুই দিন পিছিয়ে শনিবার প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের ফল হাসিনা ফিরতে চাইলে বাধা নেই : তথ্য উপদেষ্টা ইসরায়েলে নির্বাচন: হাড়তে পারেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন, পাঁচে থেকেও রেকর্ড মেসির অন্ধকারে সচিবালয়, ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়

আসিফ সহ চারজনের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি: অনুসন্ধানে দুদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের গণসংযোগ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিমকে। টিমে আরও রয়েছেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

আসিফ মাহমুদ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুম আহমেদ। অভিযোগ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চরম অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করিয়ে নতুন পদায়নের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৭৬ লাখ টাকা। এছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও পছন্দসই স্থানে পদায়নের বিনিময়ে আদায় করা হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

দুদকের অভিযোগপত্রে আরও উঠে এসেছে একটি বিস্তৃত সিন্ডিকেটের নাম, যেখানে সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মাসুম আহমেদের পাশাপাশি জড়িত রয়েছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির, আনিচ, ইব্রাহিম, জুলহাস, নাকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ ও কোরবান আলীসহ আরও কয়েকজন। তাদের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সব ধরনের টেন্ডারবাজি ও কেনাকাটায় সংঘবদ্ধভাবে দুর্নীতি চালানোর অভিযোগ তুলেছে দুদক।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এমন সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুসন্ধান শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই স্পষ্ট হবে অভিযোগের সত্যতা এবং দায় কার ওপর বর্তায়।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

অন্ধকারে সচিবালয়, ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়

২৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

আসিফ সহ চারজনের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি: অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় ০৫:২৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের গণসংযোগ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিমকে। টিমে আরও রয়েছেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

আসিফ মাহমুদ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুম আহমেদ। অভিযোগ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চরম অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করিয়ে নতুন পদায়নের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৭৬ লাখ টাকা। এছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও পছন্দসই স্থানে পদায়নের বিনিময়ে আদায় করা হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

দুদকের অভিযোগপত্রে আরও উঠে এসেছে একটি বিস্তৃত সিন্ডিকেটের নাম, যেখানে সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মাসুম আহমেদের পাশাপাশি জড়িত রয়েছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির, আনিচ, ইব্রাহিম, জুলহাস, নাকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ ও কোরবান আলীসহ আরও কয়েকজন। তাদের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সব ধরনের টেন্ডারবাজি ও কেনাকাটায় সংঘবদ্ধভাবে দুর্নীতি চালানোর অভিযোগ তুলেছে দুদক।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এমন সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুসন্ধান শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই স্পষ্ট হবে অভিযোগের সত্যতা এবং দায় কার ওপর বর্তায়।

Share this news as a Photo Card