শিরোনাম :
মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ সরকারের, মিলবে পাঁচ হাজার টাকায় ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ মৃত্যু, হামে ঝরল ৭ শিশুর প্রাণ দুই দিন পিছিয়ে শনিবার প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের ফল হাসিনা ফিরতে চাইলে বাধা নেই : তথ্য উপদেষ্টা ইসরায়েলে নির্বাচন: হাড়তে পারেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন, পাঁচে থেকেও রেকর্ড মেসির অন্ধকারে সচিবালয়, ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয় প্রধানমন্ত্রী ফিরলে আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে ইরান: ট্রাম্প

দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ সরকারের, মিলবে পাঁচ হাজার টাকায়

দেশের প্রান্তিক মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন দেশের বাজারে স্মার্টফোনের সর্বনিম্ন দাম প্রায় ১০ হাজার টাকা। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে যন্ত্রটি পৌঁছে দিতেই এই পরিকল্পনা বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা।

রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আগামী পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নীতিমালা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

দামের হিসাব

সচিব বলেন, বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের একটি গবেষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতিতে পরিণত হবে। প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই সম্ভাবনার সামনে সরকার তাহলে কী করছে?

তাঁর ভাষ্য, বর্তমানে দেশে একটি ফিচার ফোনের সর্বনিম্ন দাম প্রায় ৯৯৯ টাকা, আর স্মার্টফোনের দাম ১০ হাজার টাকার কাছাকাছি। তাই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগসহ সরকার স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যার আনুমানিক দাম হবে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা।

সম্মেলনের পরিসর

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এবং চীনভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের অংশীদারত্বে এই সম্মেলন হচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি, ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ডিজিটাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তিনটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। প্রথমত, সেবা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও উচ্চমানের ব্রডব্যান্ড এবং টেলিকম অবকাঠামো গড়া। দ্বিতীয়ত, শুধু সংযোগে থেমে না থেকে শিল্পখাতের দক্ষতা, সাপ্লাই চেইন, গ্রাহক সেবা ও নাগরিক সেবার মান বাড়াতে বাস্তবমুখী প্রযুক্তি কাজে লাগানো। তৃতীয়ত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল পেতে পর্যাপ্ত কম্পিউটিং ও ডেটা সক্ষমতা, দক্ষ জনবল ও গবেষণার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী বলেন, দ্রুত বদলে যাওয়া বিশ্বে অর্থনৈতিক সক্ষমতা সরাসরি প্রযুক্তিগত দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ টানতে, তরুণদের ক্ষমতায়ন করতে এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি পেতে প্রযুক্তিকে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি করে তুলতে হবে।

ব্যবধান কমানোই চ্যালেঞ্জ

স্বাগত বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল সক্ষমতায় বাংলাদেশ বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে প্রায় ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে। ইন্টারনেটের আন্তর্জাতিক সংযোগ আর তার অর্থপূর্ণ ব্যবহারের মধ্যকার এই ফারাকই চলতি দশকের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁর মতে, ডিজিটাল রূপান্তর সরকার একা করতে পারবে না। সরকারের কাজ পূর্বাভাসযোগ্য নীতিমালা, স্বচ্ছ অনুমোদন ব্যবস্থা ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা, আর উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়া শিল্পের দায়িত্ব।

তিনি সরকারের কর্মপরিকল্পনার চারটি মূলনীতি তুলে ধরেন:

১. অর্থপূর্ণ সংযোগ: শুধু সিগন্যাল পেলেই চলবে না, নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী ডিভাইস ও ব্যবহারযোগ্য ডেটা প্যাকেজ লাগবে। সেবা পৌঁছাতে হবে নিজের এলাকায়, বাংলা ভাষায়। তাঁর কথায়, পরীক্ষাটা সহজ: শিক্ষার্থী কি পাঠ শেষ করতে পারছে, রোগী কি ডিজিটাল মাধ্যমে চিকিৎসকের রেফারেল পাচ্ছেন, গ্রামীণ উদ্যোক্তা কি বারবার চেষ্টা ছাড়াই কেনাবেচা সারতে পারছেন?

২. নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক: আরও টাওয়ারকে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কে আনা, ব্যস্ত সময়ে পর্যাপ্ত ক্যাপাসিটি নিশ্চিত করা এবং বরাদ্দ করা স্পেকট্রামের দক্ষ ব্যবহার। ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাপ্রবণ দেশে টেকসই রাউটার, নিরবচ্ছিন্ন ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ও প্রশিক্ষিত জরুরি দলও দরকার।

৩. শৃঙ্খলা মেনে বিনিয়োগ: সব প্রযুক্তি একই গতিতে পরিপক্ব হয় না। স্ট্যান্ডঅ্যালোন ফাইভজি, নতুন ক্যাপাসিটি ব্যান্ড কিংবা ভবিষ্যতের সিক্সজি, সবকিছু হতে হবে বাস্তব চাহিদা, নীতিমালা ও ব্যাকহলের সক্ষমতার ভিত্তিতে। প্রযুক্তি নেওয়া হবে তখনই, যখন যৌক্তিক খরচে মানুষের চাহিদা মেটাতে পারবে।

৪. বিশ্বাসের ভিত্তি: সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ও এআইয়ের জবাবদিহিমূলক ব্যবহারই যেকোনো প্রযুক্তি গ্রহণের মূল ভিত্তি। আস্থা না থাকলে মানুষ উন্নত ডিজিটাল সেবাও ব্যবহার করবে না।

হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতি

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি সরকার ও শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংযোগ, ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা দিয়ে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বাড়ানো, নতুন সেবা উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখাই তাঁদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্মসচিব সাইদা আফরোজ।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে ইরান: ট্রাম্প

২৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ সরকারের, মিলবে পাঁচ হাজার টাকায়

আপডেট সময় ০৬:২০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

দেশের প্রান্তিক মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন দেশের বাজারে স্মার্টফোনের সর্বনিম্ন দাম প্রায় ১০ হাজার টাকা। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে যন্ত্রটি পৌঁছে দিতেই এই পরিকল্পনা বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা।

রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আগামী পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নীতিমালা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

দামের হিসাব

সচিব বলেন, বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের একটি গবেষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতিতে পরিণত হবে। প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই সম্ভাবনার সামনে সরকার তাহলে কী করছে?

তাঁর ভাষ্য, বর্তমানে দেশে একটি ফিচার ফোনের সর্বনিম্ন দাম প্রায় ৯৯৯ টাকা, আর স্মার্টফোনের দাম ১০ হাজার টাকার কাছাকাছি। তাই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগসহ সরকার স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যার আনুমানিক দাম হবে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা।

সম্মেলনের পরিসর

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এবং চীনভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের অংশীদারত্বে এই সম্মেলন হচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি, ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ডিজিটাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তিনটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। প্রথমত, সেবা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও উচ্চমানের ব্রডব্যান্ড এবং টেলিকম অবকাঠামো গড়া। দ্বিতীয়ত, শুধু সংযোগে থেমে না থেকে শিল্পখাতের দক্ষতা, সাপ্লাই চেইন, গ্রাহক সেবা ও নাগরিক সেবার মান বাড়াতে বাস্তবমুখী প্রযুক্তি কাজে লাগানো। তৃতীয়ত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল পেতে পর্যাপ্ত কম্পিউটিং ও ডেটা সক্ষমতা, দক্ষ জনবল ও গবেষণার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী বলেন, দ্রুত বদলে যাওয়া বিশ্বে অর্থনৈতিক সক্ষমতা সরাসরি প্রযুক্তিগত দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ টানতে, তরুণদের ক্ষমতায়ন করতে এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি পেতে প্রযুক্তিকে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি করে তুলতে হবে।

ব্যবধান কমানোই চ্যালেঞ্জ

স্বাগত বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল সক্ষমতায় বাংলাদেশ বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে প্রায় ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে। ইন্টারনেটের আন্তর্জাতিক সংযোগ আর তার অর্থপূর্ণ ব্যবহারের মধ্যকার এই ফারাকই চলতি দশকের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁর মতে, ডিজিটাল রূপান্তর সরকার একা করতে পারবে না। সরকারের কাজ পূর্বাভাসযোগ্য নীতিমালা, স্বচ্ছ অনুমোদন ব্যবস্থা ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা, আর উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়া শিল্পের দায়িত্ব।

তিনি সরকারের কর্মপরিকল্পনার চারটি মূলনীতি তুলে ধরেন:

১. অর্থপূর্ণ সংযোগ: শুধু সিগন্যাল পেলেই চলবে না, নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী ডিভাইস ও ব্যবহারযোগ্য ডেটা প্যাকেজ লাগবে। সেবা পৌঁছাতে হবে নিজের এলাকায়, বাংলা ভাষায়। তাঁর কথায়, পরীক্ষাটা সহজ: শিক্ষার্থী কি পাঠ শেষ করতে পারছে, রোগী কি ডিজিটাল মাধ্যমে চিকিৎসকের রেফারেল পাচ্ছেন, গ্রামীণ উদ্যোক্তা কি বারবার চেষ্টা ছাড়াই কেনাবেচা সারতে পারছেন?

২. নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক: আরও টাওয়ারকে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কে আনা, ব্যস্ত সময়ে পর্যাপ্ত ক্যাপাসিটি নিশ্চিত করা এবং বরাদ্দ করা স্পেকট্রামের দক্ষ ব্যবহার। ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাপ্রবণ দেশে টেকসই রাউটার, নিরবচ্ছিন্ন ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ও প্রশিক্ষিত জরুরি দলও দরকার।

৩. শৃঙ্খলা মেনে বিনিয়োগ: সব প্রযুক্তি একই গতিতে পরিপক্ব হয় না। স্ট্যান্ডঅ্যালোন ফাইভজি, নতুন ক্যাপাসিটি ব্যান্ড কিংবা ভবিষ্যতের সিক্সজি, সবকিছু হতে হবে বাস্তব চাহিদা, নীতিমালা ও ব্যাকহলের সক্ষমতার ভিত্তিতে। প্রযুক্তি নেওয়া হবে তখনই, যখন যৌক্তিক খরচে মানুষের চাহিদা মেটাতে পারবে।

৪. বিশ্বাসের ভিত্তি: সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ও এআইয়ের জবাবদিহিমূলক ব্যবহারই যেকোনো প্রযুক্তি গ্রহণের মূল ভিত্তি। আস্থা না থাকলে মানুষ উন্নত ডিজিটাল সেবাও ব্যবহার করবে না।

হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতি

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি সরকার ও শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংযোগ, ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা দিয়ে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বাড়ানো, নতুন সেবা উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখাই তাঁদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্মসচিব সাইদা আফরোজ।

Share this news as a Photo Card