ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবনের সহজ সমীকরণ

স্বর্ণালী স্বপ্নগুলো যখন তিমিরাধারে রূপ নেয় তখনই সম্ভাবনার জোনাকীগুলো আলো ছড়ায় ক্ষুদ্র আলোর বর্ণিলচ্ছটা জানিয়ে দেয়- জীবন এতো ক্ষুদ্র নয়,

দ্বৈত সত্তার আলাপন

না চাইতেই মিশে যাও সত্তার সাথে রাতের আঁধার ছিঁড়ে যুক্ত রও – থাকো প্রাতে। অনুভবে প্রতিক্ষণে দোলা দিয়ে যাও মানো

মায়াবী নীলাঞ্জনা

পরম সুখে আছি তাই দুঃখ বুঝিনা আর জীবনের সব দুঃখকে দিয়েছি নির্বাসন, আজ আর কোন আশাও নেই,ভরসাও নেই, রোমাঞ্চিত দিনগুলো

দৃষ্টিজুড়ে প্রতিবাদ

দৃষ্টিজুড়ে প্রতিবাদ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি মহান আল্লাহর দেয়া দৃষ্টি যেখানে নান্দনিক পৃথিবীর অপার সৌন্দর্য উপভোগ করার কথা সেখানে আজ চোখের সামনে

কোরবানীর সেকাল-একাল

কোরবানীর সেকাল-একাল মাহমুদুন্নবী জ্যোতি আদমপুত্র হাবিল কাবিল দিয়েছিল কোরবানী এর ইতিহাস আমরা সবাই অল্প বিস্তর জানি। হাবিল দিলো গবাদী পশু,

বে-হাত ভালবাসা

অবিস্বরণীয় কোন অধ্যায় হতে পারিনি হতে পারিনি অপরিহার্য্য কোন উপপাদ্য তবুও এ পৃথিবীতে অবিনশ্বর হতে চেয়েছি। চেয়েছি অনেকের ডায়েরির স্হান

বিজয়

দেশর জন্য যুদ্ধে যেতে ছাড়লো যারা ঘর তাদের রক্তে বিজয় এলো ষোলোই ডিসেম্বর। স্বাধিকারের শক্তি নিয়ে রাখতে দেশের মান সবাই

ইদানীং বিজয় সমাচার

এখন বিজয়ের কাষ্ঠহাসি আমজনতার হৃৎপিন্ডে ছুঁয়ে দেয় হাপরের তপ্তাগ্নি শীতার্ত রহিম চাচার ছেঁড়া কাঁথার নীচে হুপিং কাশি অর্ধাহারে জীবন্মৃত রহিমা

অনন্ত শ্রাবণ

পৃথিবীর প্রথম বৃষ্টিধারা দশ লক্ষ বছর ধরে আবার ঝরুক সৃষ্টির সাড়ে তিনশ বছর পর অবিশ্রান্ত হোক রক্তের পাহাড় ধুয়ে দিতে

এক ধরনের ধোঁয়াসা; এক ধরনের অন্ধকার!

টকটকে লাল সূর্য তো ছাত্র জনতা বুকের রক্ত ঝরিয়ে ছিনিয়ে এনেছে, পালিয়ে গিয়েছে কালো শেয়াল, লক্ষ্মণ সেনের বরকন্দাজ যদিও ঘাপটি