শিরোনাম :
অর্থবছরের শুরুতেই বাড়তি প্রবাসী আয়, ১৭ দিনে রেমিট্যান্স ১৮৮ কোটি ডলার কেন অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করলো সরকার, সুবিধা কী ? স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সিইসির সঙ্গে আইজিপির জরুরি বৈঠক মহাসড়কে কোনো ধরনের থ্রি হুইলার চলতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয় বাড়ল ৯৯৯ কোটি টাকা সৎ-দক্ষ কর্মকর্তাদের সুযোগ দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী বিয়ের গুঞ্জন উড়িয়ে মুখ খুললেন পূজা চেরী ব্যাংকের মোট ঋণের অন্তত ৪ শতাংশ দিতে হবে কৃষি খাতে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মামলার রায় ঢাকায় নারী চালিত গোলাপি ‘মহিলা বাস’ নামছে মঙ্গলবার

অর্থবছরের শুরুতেই বাড়তি প্রবাসী আয়, ১৭ দিনে রেমিট্যান্স ১৮৮ কোটি ডলার

  • এস কে চন্দন
  • আপডেট সময় ০৭:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 4

আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স ছাড়াল ১৮৮ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩৩ শতাংশ। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় হিসাব করলে, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

তিনি জানান, শুধু সোমবার (১৭ আগস্ট) একদিনেই দেশে প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ২০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

গত বছরের আগস্ট মাসের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এই প্রবৃদ্ধির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত বছর আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এবার একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৩২ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্রও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ১ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হিসাব করলে দেখা যায়, এই সময়ে দেশে মোট ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৩৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার।

উল্লেখ্য, উৎসের তথ্যে চলতি ও গত অর্থবছরের এই তুলনামূলক প্রবৃদ্ধিকে ৬০ শতাংশ বলা হলেও, দেওয়া দুটি সংখ্যা (৩৯০ কোটি ২০ লাখ থেকে ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারে উত্তরণ) থেকে গাণিতিকভাবে হিসাব করলে প্রকৃত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় প্রায় ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। এই অসামঞ্জস্যের কারণ স্পষ্ট নয়— সংখ্যায় টাইপোগত ভুল থাকতে পারে, অথবা ভিন্ন কোনো হিসাব-পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। প্রকাশের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল বিবৃতি বা ওয়েবসাইট থেকে সঠিক শতাংশটি যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

সামগ্রিকভাবে দেখলে, চলতি বছর রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির জন্য স্বস্তির খবর বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

অর্থবছরের শুরুতেই বাড়তি প্রবাসী আয়, ১৭ দিনে রেমিট্যান্স ১৮৮ কোটি ডলার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঢাকায় নারী চালিত গোলাপি ‘মহিলা বাস’ নামছে মঙ্গলবার

১৭ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

অর্থবছরের শুরুতেই বাড়তি প্রবাসী আয়, ১৭ দিনে রেমিট্যান্স ১৮৮ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৭:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স ছাড়াল ১৮৮ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩৩ শতাংশ। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় হিসাব করলে, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

তিনি জানান, শুধু সোমবার (১৭ আগস্ট) একদিনেই দেশে প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ২০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

গত বছরের আগস্ট মাসের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এই প্রবৃদ্ধির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত বছর আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এবার একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৩২ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্রও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ১ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত হিসাব করলে দেখা যায়, এই সময়ে দেশে মোট ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৩৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার।

উল্লেখ্য, উৎসের তথ্যে চলতি ও গত অর্থবছরের এই তুলনামূলক প্রবৃদ্ধিকে ৬০ শতাংশ বলা হলেও, দেওয়া দুটি সংখ্যা (৩৯০ কোটি ২০ লাখ থেকে ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারে উত্তরণ) থেকে গাণিতিকভাবে হিসাব করলে প্রকৃত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় প্রায় ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। এই অসামঞ্জস্যের কারণ স্পষ্ট নয়— সংখ্যায় টাইপোগত ভুল থাকতে পারে, অথবা ভিন্ন কোনো হিসাব-পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। প্রকাশের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল বিবৃতি বা ওয়েবসাইট থেকে সঠিক শতাংশটি যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

সামগ্রিকভাবে দেখলে, চলতি বছর রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির জন্য স্বস্তির খবর বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card