শিরোনাম :
হাতকড়া পরিয়ে হাসিনাকে বরণের ঘোষণা বিমানমন্ত্রীর নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে বাড়তি গ্যাস সান্তাহারে ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় আটক ২ একতা এক্সপ্রেস ট্রেন টাঙ্গাইলে সিএনজির সাথে সংঘর্ষ, বাচ্চা রেখে বাবা-মা নেমে পড়ল সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের দেশে ভয়াবহ আকার ধারণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোন উপায় আছে কি ? নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার নয়:আইনমন্ত্রী মাত্র ২৫ কোটি বাজেটে ৩১২ কোটির রেকর্ড আয়! ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহদী

নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে বাড়তি গ্যাস

তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে যাচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কূপটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীরতার এই কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে।
শুধু তিতাস-২৮ নয়, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ কূপ থেকেও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কূপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, যদিও এই সংখ্যা প্রকৃত উৎপাদন শুরুর পর নিশ্চিত হবে।
এর মধ্যে তিতাস-২৯ কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে, বর্তমানে চলছে লগিংসহ অন্যান্য কাজ। দেড় মাসের মধ্যে এটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। তিতাস-৩০-এর কাজও তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে গভীর কূপ তিতাস-৩১-এর খনন চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে এখন প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার গভীরতায় পৌঁছেছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫ হাজার ৬০০ মিটার। বিজিএফসিএলের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, কোনো জটিলতা না হলে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এই কূপের কাজ শেষ হতে পারে। এই কূপকে ঘিরে নতুন গ্যাসের মজুত পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন কর্মকর্তারা, যদিও চূড়ান্ত নিশ্চয়তার জন্য পরবর্তী পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।
বিজিএফসিএলের হিসাবে, তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের বর্তমান মজুত আনুমানিক দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব কূপ খননের কাজ চলছে, যার লক্ষ্য আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতকড়া পরিয়ে হাসিনাকে বরণের ঘোষণা বিমানমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহদী

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে বাড়তি গ্যাস

আপডেট সময় ০৮:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে যাচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কূপটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই এটি গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীরতার এই কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে।
শুধু তিতাস-২৮ নয়, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ কূপ থেকেও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কূপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, যদিও এই সংখ্যা প্রকৃত উৎপাদন শুরুর পর নিশ্চিত হবে।
এর মধ্যে তিতাস-২৯ কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে, বর্তমানে চলছে লগিংসহ অন্যান্য কাজ। দেড় মাসের মধ্যে এটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। তিতাস-৩০-এর কাজও তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে গভীর কূপ তিতাস-৩১-এর খনন চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে এখন প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার গভীরতায় পৌঁছেছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫ হাজার ৬০০ মিটার। বিজিএফসিএলের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, কোনো জটিলতা না হলে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এই কূপের কাজ শেষ হতে পারে। এই কূপকে ঘিরে নতুন গ্যাসের মজুত পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন কর্মকর্তারা, যদিও চূড়ান্ত নিশ্চয়তার জন্য পরবর্তী পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।
বিজিএফসিএলের হিসাবে, তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের বর্তমান মজুত আনুমানিক দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব কূপ খননের কাজ চলছে, যার লক্ষ্য আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো।

Share this news as a Photo Card