জাতিসংঘে ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক পদক্ষেপ নেবেন নাকি শান্তি চুক্তির পথে এগোবেন—এই প্রশ্নে তাকে শিগগিরই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সংঘাতের সমাধান না হলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হতে পারে।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এমন এক সময়ে তিনি এই হুঁশিয়ারি দিলেন, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাষণের সময় ইরানি প্রতিনিধিদলের একজন সদস্যও কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

ভরা কক্ষের সামনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ‘বৈশ্বিক সরকার’ ধারণা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে মধ্যস্থতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন—দুই সংকটই বর্তমানে তার পররাষ্ট্রনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যে কারণে তিনি একের পর এক বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করে যাচ্ছেন।

ভাষণের শুরুতে অর্থনীতি, অভিবাসন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সহিংস অপরাধ দমনে নিজের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। পর্যবেক্ষকদের মতে, তার বক্তব্যের ধরন এমন ছিল যেন কূটনীতিকদের চেয়ে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটারদেরই বেশি লক্ষ্য করে কথা বলছিলেন তিনি।

ভাষণের বড় অংশজুড়ে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের ন্যায্যতা তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট। গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে তার নিজের জনপ্রিয়তাতেও। ট্রাম্পের ভাষণের সুর ছিল জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বক্তব্যের একেবারে বিপরীত, যিনি বিশ্বজুড়ে বিভাজন গভীর হওয়া নিয়ে সতর্ক করে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ওপর জোর দিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের দাবি, চলমান সংঘাত তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রেখেছে, যাকে তিনি ‘শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা’ বলে বর্ণনা করেন। ভাষণে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইরানের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি হবে কি না যা দেশটিকে পুনর্গঠনে সহায়তা করবে, নাকি ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে দ্রুত নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। তবে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, নভেম্বরের নির্বাচনের পরপরই ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অধরা একটি চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।

অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং তার ভাষায় ছিল ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিশ্চিত করেছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যদিও আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে তেহরান কোনো মন্তব্য করেনি। পরে সামাজিক মাধ্যমে উইটকফ জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দিনভর যোগাযোগের পর একটি দফা আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা গঠনমূলক ও আশাব্যঞ্জক প্রমাণিত হবে বলে তিনি আশা করছেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, দুই পক্ষের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চলছে এবং যুদ্ধ থামানোর কাজ তিনি সম্পন্ন করবেন, তা-ও মানুষের প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত। তবে বাস্তবে যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যায়নি; উভয় পক্ষ একে অপরের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার নিউইয়র্কে রুশ প্রতিপক্ষ সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের নামে ছড়ানো আতঙ্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে নেতৃত্ব হারাবে না। তার মতে, ‘কৃত্রিম’ শব্দটি বিভ্রান্তিকর—এই প্রযুক্তি বরং ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নামে পরিচিত হওয়া উচিত, যদিও সতর্কতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি স্বীকার করেন।

অধিবেশনের ফাঁকে উত্তর আটলান্টিকে সামরিক উপস্থিতি জোরদারে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প, যার আওতায় গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব পুনঃনিশ্চিত হলেও যুক্তরাষ্ট্রকে দ্বীপটির আকাশসীমা ও ভূখণ্ডে ব্যাপক প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।

বিদায়ী ভাষণে গুতেরেস পরাশক্তিগুলোকে উপলব্ধি করার আহ্বান জানান যে তাদের শক্তি ততটা প্রবল নয় এবং বিশ্বে বিভাজনের রেখা আরও গভীর হচ্ছে। জবাবে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কড়া সমালোচনা করে জাতিসংঘকে অনির্বাচিত ‘বিশ্বায়নবাদী আমলাদের’ এজেন্ডা পরিচালনার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর বাড়তি গুরুত্ব দেন। কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দেওয়ার সময় তিনি কিউবার প্রতিনিধিদের দিকে তাকান, যার প্রতিক্রিয়ায় প্রতিনিধিদলটিকে সভাকক্ষ ছেড়ে বের হয়ে যেতে দেখা যায়।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাকিবের ব্যাট-বলে ফের অলরাউন্ড ঝলক

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

জাতিসংঘে ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৬:২০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক পদক্ষেপ নেবেন নাকি শান্তি চুক্তির পথে এগোবেন—এই প্রশ্নে তাকে শিগগিরই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সংঘাতের সমাধান না হলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হতে পারে।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এমন এক সময়ে তিনি এই হুঁশিয়ারি দিলেন, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাষণের সময় ইরানি প্রতিনিধিদলের একজন সদস্যও কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

ভরা কক্ষের সামনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ‘বৈশ্বিক সরকার’ ধারণা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে মধ্যস্থতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন—দুই সংকটই বর্তমানে তার পররাষ্ট্রনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যে কারণে তিনি একের পর এক বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করে যাচ্ছেন।

ভাষণের শুরুতে অর্থনীতি, অভিবাসন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সহিংস অপরাধ দমনে নিজের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। পর্যবেক্ষকদের মতে, তার বক্তব্যের ধরন এমন ছিল যেন কূটনীতিকদের চেয়ে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটারদেরই বেশি লক্ষ্য করে কথা বলছিলেন তিনি।

ভাষণের বড় অংশজুড়ে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের ন্যায্যতা তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট। গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়েছে তার নিজের জনপ্রিয়তাতেও। ট্রাম্পের ভাষণের সুর ছিল জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বক্তব্যের একেবারে বিপরীত, যিনি বিশ্বজুড়ে বিভাজন গভীর হওয়া নিয়ে সতর্ক করে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ওপর জোর দিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের দাবি, চলমান সংঘাত তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রেখেছে, যাকে তিনি ‘শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা’ বলে বর্ণনা করেন। ভাষণে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইরানের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি হবে কি না যা দেশটিকে পুনর্গঠনে সহায়তা করবে, নাকি ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে দ্রুত নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। তবে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, নভেম্বরের নির্বাচনের পরপরই ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অধরা একটি চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।

অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং তার ভাষায় ছিল ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিশ্চিত করেছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যদিও আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে তেহরান কোনো মন্তব্য করেনি। পরে সামাজিক মাধ্যমে উইটকফ জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দিনভর যোগাযোগের পর একটি দফা আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা গঠনমূলক ও আশাব্যঞ্জক প্রমাণিত হবে বলে তিনি আশা করছেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, দুই পক্ষের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চলছে এবং যুদ্ধ থামানোর কাজ তিনি সম্পন্ন করবেন, তা-ও মানুষের প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত। তবে বাস্তবে যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যায়নি; উভয় পক্ষ একে অপরের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার নিউইয়র্কে রুশ প্রতিপক্ষ সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের নামে ছড়ানো আতঙ্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে নেতৃত্ব হারাবে না। তার মতে, ‘কৃত্রিম’ শব্দটি বিভ্রান্তিকর—এই প্রযুক্তি বরং ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নামে পরিচিত হওয়া উচিত, যদিও সতর্কতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি স্বীকার করেন।

অধিবেশনের ফাঁকে উত্তর আটলান্টিকে সামরিক উপস্থিতি জোরদারে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প, যার আওতায় গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব পুনঃনিশ্চিত হলেও যুক্তরাষ্ট্রকে দ্বীপটির আকাশসীমা ও ভূখণ্ডে ব্যাপক প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।

বিদায়ী ভাষণে গুতেরেস পরাশক্তিগুলোকে উপলব্ধি করার আহ্বান জানান যে তাদের শক্তি ততটা প্রবল নয় এবং বিশ্বে বিভাজনের রেখা আরও গভীর হচ্ছে। জবাবে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কড়া সমালোচনা করে জাতিসংঘকে অনির্বাচিত ‘বিশ্বায়নবাদী আমলাদের’ এজেন্ডা পরিচালনার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর বাড়তি গুরুত্ব দেন। কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দেওয়ার সময় তিনি কিউবার প্রতিনিধিদের দিকে তাকান, যার প্রতিক্রিয়ায় প্রতিনিধিদলটিকে সভাকক্ষ ছেড়ে বের হয়ে যেতে দেখা যায়।

Share this news as a Photo Card