ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। আর এই দুই দলের দুই প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়র মাঠের বাইরে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও মাঠের লড়াইয়ে একে অপরের কঠিন প্রতিপক্ষ।
২০২১ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে ডি মারিয়ার গোলে আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন নেইমার। তবে সেই দুঃখ ভুলে বন্ধুর আনন্দেই ভাগ বসিয়েছিলেন তিনি। এবার নেইমারের চোখে নতুন স্বপ্ন— বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হওয়া।
ব্রাজিলের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের মালিক নেইমারের জন্য এখন প্রতিটি দিনই বড় পরীক্ষা। কেননা ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শতভাগ ফিট থাকলেই কেবল নেইমারকে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রাখা হবে। কোচের সেই চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে নেইমারও এখন মাঠে নিজের সেরাটা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।
গত মঙ্গলবার কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোস ও সান লরেঞ্জোর মধ্যকার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। সেই ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন সাবেক এই বার্সা তারকা। সান্তোসের করা একমাত্র গোলটিতেও ছিল তাঁর বড় অবদান। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষ সান লরেঞ্জোর ভক্তরা দাঁড়িয়ে তালি দিয়ে নেইমারকে সম্মান জানান।
ভক্তদের এমন উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত নেইমার ম্যাচ শেষে বলেন, ‘এটি একটি দারুণ ম্যাচ ছিল। সান লরেঞ্জোর সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই আমাকে এভাবে সম্মান দেওয়ার জন্য।’
আসন্ন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নেইমার সোজাসাপ্টা উত্তর দেন, ‘অবশ্যই, বিশ্বকাপে খেলার ভাবনা একজন ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের মনে থাকবেই। আশা করি আমি সেখানে থাকতে পারব।’
সবশেষে মেসির সঙ্গে আবারও মাঠের লড়াইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইতিবাচক জবাব দেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, আমি আশা করি। আমরা যদি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারি, সেটা হবে এক অতুলনীয় মুহূর্ত।’
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























