ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন এক বৈঠকেই চূড়ান্ত সমঝোতার আশা কারোরই ছিল না : ইসমাইল বাঘাই ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে ফের আলোচনায় বসার আহ্বান অস্ট্রেলিয়ার ভেস্তে গেল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা; তবে কী যুদ্ধেই হবে শেষ সমাধান? অনেক পরীক্ষক খাতা না দেখে ‘হেলপার’ দিয়ে মূল্যায়ন করেন : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি তেল কিনতে ক্রেতাদের ডাকছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘গভীর অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান বিদেশি ঋণ জাতিকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেবে না : জামায়াতের আমির নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ অশুভ শক্তি ইসরায়েল মানবতার জন্য অভিশাপ : খাজা আসিফ

গল টেস্টে মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

সেঞ্চুরি উদযাপন করছেন মুশফিকুর রহিম। ছবি: এএফপি

মুশফিকুর রহিম, মি. ডিপেন্ডেবল। বাংলাদেশের বিপদের দিনের কান্ডারি বলা হয় মুশফিককে। কেনো এই নাম দেওয়া হয়েছিল, সেটা তিনি আরও একবার প্রমাণ করলেন গলে। যেখানে বারবার ফিরে আসে তার হাসি মাখা মুখের চাহনি। রাজ্য জয় করা তলোয়ারের মতো চলে মুশফিকের ব্যাট। সেখানেই দলের বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন আরেকবার। উদযাপন করলেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার।

আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে শতরানের দেখা পেলেন মুশফিকুর রহিম। এটি তার ক্যারিয়ারের ১২তম শতক। ১৭৬ বলে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশি।

গলেই যেনো মুশফিকের ভাগ্যটা ফিরে আসে। ২০১৩ সালের মার্চে গলেই প্রথম দ্বিশতকের দেখা পেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। এবার যখন গত ১৩ ইনিংস ধরে রান খরায় ভুগছিলেন, সেখান থেকে আবার ফর্মে ফিরে এলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে প্রথম টেস্ট দিয়ে।

বাংলাদেশের পঞ্চপান্ডবের মধ্যে একজনই রয়েছেন দলে। তরুণদের মাঝে তাকে রাখা হয়েছে ভরসা হিসেবে। তিনি তার সেই কাজটা করে গেলেন ঠিকভাবেই। গল টেস্টে বাংলাদেশ দল প্রথম সেশনেই তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়, সেই জায়গা থেকে অধিনায়ক শান্তকে সঙ্গে নিয়ে দিনের তৃতীয় সেশন পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যান মুশফিকুর রহিম।

মুশফিকুর রহিম সর্বশেষ শতক হাঁকান গতবছর পাকিস্তান সিরিজে। ২০২৪ সালের আগস্টে সেই ম্যাচে ৯ রানের জন্য দ্বিশতকের দেখা পাননি মুশফিক। ৩৪১ বলে খেলেছিলেন ১৯১ রানের ইনিংস। এরপর পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্ট, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জ্ম্বিাবুয়ে সিরিজ মিলে ১৩ ইনিংসে মাঠে নামলেও কোনটিতেই অর্ধশত রানের ইনিংসও খেলা হয়নি তার। গল দিয়ে আবার ফর্মে ফিরলেন মুশফিক।

এর আগে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। এই দুজন মিলে চতুর্থ উইকেটে দুইশ ছাড়ানো জুটি গড়ে দলকে বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

গল টেস্টে মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

আপডেট সময় ০৬:১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

মুশফিকুর রহিম, মি. ডিপেন্ডেবল। বাংলাদেশের বিপদের দিনের কান্ডারি বলা হয় মুশফিককে। কেনো এই নাম দেওয়া হয়েছিল, সেটা তিনি আরও একবার প্রমাণ করলেন গলে। যেখানে বারবার ফিরে আসে তার হাসি মাখা মুখের চাহনি। রাজ্য জয় করা তলোয়ারের মতো চলে মুশফিকের ব্যাট। সেখানেই দলের বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন আরেকবার। উদযাপন করলেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার।

আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে শতরানের দেখা পেলেন মুশফিকুর রহিম। এটি তার ক্যারিয়ারের ১২তম শতক। ১৭৬ বলে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশি।

গলেই যেনো মুশফিকের ভাগ্যটা ফিরে আসে। ২০১৩ সালের মার্চে গলেই প্রথম দ্বিশতকের দেখা পেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। এবার যখন গত ১৩ ইনিংস ধরে রান খরায় ভুগছিলেন, সেখান থেকে আবার ফর্মে ফিরে এলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে প্রথম টেস্ট দিয়ে।

বাংলাদেশের পঞ্চপান্ডবের মধ্যে একজনই রয়েছেন দলে। তরুণদের মাঝে তাকে রাখা হয়েছে ভরসা হিসেবে। তিনি তার সেই কাজটা করে গেলেন ঠিকভাবেই। গল টেস্টে বাংলাদেশ দল প্রথম সেশনেই তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়, সেই জায়গা থেকে অধিনায়ক শান্তকে সঙ্গে নিয়ে দিনের তৃতীয় সেশন পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যান মুশফিকুর রহিম।

মুশফিকুর রহিম সর্বশেষ শতক হাঁকান গতবছর পাকিস্তান সিরিজে। ২০২৪ সালের আগস্টে সেই ম্যাচে ৯ রানের জন্য দ্বিশতকের দেখা পাননি মুশফিক। ৩৪১ বলে খেলেছিলেন ১৯১ রানের ইনিংস। এরপর পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্ট, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জ্ম্বিাবুয়ে সিরিজ মিলে ১৩ ইনিংসে মাঠে নামলেও কোনটিতেই অর্ধশত রানের ইনিংসও খেলা হয়নি তার। গল দিয়ে আবার ফর্মে ফিরলেন মুশফিক।

এর আগে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। এই দুজন মিলে চতুর্থ উইকেটে দুইশ ছাড়ানো জুটি গড়ে দলকে বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন।