গাজার যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে মার্কিন সেনা মোতায়েন

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইসরায়েলে প্রায় ২০০ সেনা সদস্যের একটি বিশেষ টাস্কফোর্স মোতায়েন করছে। এই টাস্কফোর্স সিভিল-মিলিটারি কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (সিএমসিসি) নামে পরিচিত হবে। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করবে। যা হামাসকে চুক্তিতে রাজি করাতে সাহায্য করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই মার্কিন সেনারা ইসরায়েলে অবস্থান করবে, গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ কিংবা কোনো অভিযান চালাতে পারবে না। খবর আলজাজিরার।

আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই টাস্কফোর্সে থাকা মার্কিন সেনারা পরিকল্পনা, নিরাপত্তা, লজিস্টিকস ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশেষজ্ঞ।

সিএমসিসির প্রধান দায়িত্ব
এই টাস্কফোর্সের মূল দায়িত্ব হবে গাজায় নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তাসহ অন্যান্য সাহায্য প্রবাহকে সহজ করা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যেন কোনো সংঘর্ষ না হয়, তা নিশ্চিত করা। এই চুক্তির অধীনে ইসরায়েলি বাহিনীকে গাজা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। হামাসকে বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে।

তবে এই টাস্কফোর্সে শুধু মার্কিন সেনারা নয়, মিসর, কাতার ও তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারাও প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে বলে জানা গেছে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই বহুজাতিক বাহিনীর অংশ হিসেবে অন্য দেশের যে সদস্যরা যুক্ত থাকবেন, তারা প্রয়োজনে গাজার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন, তবে মার্কিন সেনারা গাজায় কোনোভাবেই প্রবেশ করবেন না। এই যৌথ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করবে।

পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, এই যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এমন একটি পরিকল্পনা যা মার্কিন সামরিক বাহিনী মাসখানেক ধরে ‘জাস্ট ইন কেস’ বা সতর্কতা হিসেবে প্রস্তুত করে রেখেছিল।

যদিও যুদ্ধবিরতির এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, তবুও ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলছেন, এটি এখনও ‘খুবই নাজুক একটি সময়’ এবং এই মুহূর্তে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার বহু সুযোগ রয়েছে। তারা জানান, এই চুক্তি বাস্তবায়নে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন করল ইসরায়েল

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশ মির্জা ফখরুলের

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

গাজার যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে মার্কিন সেনা মোতায়েন

আপডেট সময় ১১:০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইসরায়েলে প্রায় ২০০ সেনা সদস্যের একটি বিশেষ টাস্কফোর্স মোতায়েন করছে। এই টাস্কফোর্স সিভিল-মিলিটারি কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (সিএমসিসি) নামে পরিচিত হবে। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করবে। যা হামাসকে চুক্তিতে রাজি করাতে সাহায্য করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই মার্কিন সেনারা ইসরায়েলে অবস্থান করবে, গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ কিংবা কোনো অভিযান চালাতে পারবে না। খবর আলজাজিরার।

আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই টাস্কফোর্সে থাকা মার্কিন সেনারা পরিকল্পনা, নিরাপত্তা, লজিস্টিকস ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশেষজ্ঞ।

সিএমসিসির প্রধান দায়িত্ব
এই টাস্কফোর্সের মূল দায়িত্ব হবে গাজায় নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তাসহ অন্যান্য সাহায্য প্রবাহকে সহজ করা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যেন কোনো সংঘর্ষ না হয়, তা নিশ্চিত করা। এই চুক্তির অধীনে ইসরায়েলি বাহিনীকে গাজা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। হামাসকে বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে।

তবে এই টাস্কফোর্সে শুধু মার্কিন সেনারা নয়, মিসর, কাতার ও তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারাও প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে বলে জানা গেছে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই বহুজাতিক বাহিনীর অংশ হিসেবে অন্য দেশের যে সদস্যরা যুক্ত থাকবেন, তারা প্রয়োজনে গাজার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন, তবে মার্কিন সেনারা গাজায় কোনোভাবেই প্রবেশ করবেন না। এই যৌথ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করবে।

পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, এই যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এমন একটি পরিকল্পনা যা মার্কিন সামরিক বাহিনী মাসখানেক ধরে ‘জাস্ট ইন কেস’ বা সতর্কতা হিসেবে প্রস্তুত করে রেখেছিল।

যদিও যুদ্ধবিরতির এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, তবুও ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলছেন, এটি এখনও ‘খুবই নাজুক একটি সময়’ এবং এই মুহূর্তে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার বহু সুযোগ রয়েছে। তারা জানান, এই চুক্তি বাস্তবায়নে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন করল ইসরায়েল

Share this news as a Photo Card