যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হবে তাকেই হত্যা করা হবে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির পরবর্তী যেকোনো নেতৃত্বকেও লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। আজ বুধবার (৪ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে যাকে নিযুক্ত করা হোক না কেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাকে ‘নির্মূল’ করার চেষ্টা চালাবে। খবর আলজাজিরার।

কাটজ স্পষ্টভাবে বলেন, ইরানি সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর নিযুক্ত এমন কোনো নেতা, যিনি ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র ও মুক্ত বিশ্বকে হুমকি দেওয়া এবং নিজ দেশের জনগণকে নিপীড়ন করা অব্যাহত রাখবেন, তিনি আমাদের জন্য নিশ্চিত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবেন।’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সেই নেতার নাম কী বা তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা আমাদের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়।

এই বিবৃতির মাধ্যমে ইসরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, খামেনি-পরবর্তী ইরানের শাসনব্যবস্থায় যারাই শক্ত অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করবেন, তাদের প্রত্যেককেই প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়তে হবে।

ইসরায়েল কাটজ দাবি করেন, ইরানকে একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে বজায় রাখা এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে যাবে।

কাটজ আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণের জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যাতে তারা বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করে। এতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। গত চার দিনে তেহরানে ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮১ জনই দশ বছরের কম বয়সী শিশু।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিশ্চিত হলে, সবকিছু ইতিবাচক হবে: ভারতীয় হাইকমিশনার

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হবে তাকেই হত্যা করা হবে

আপডেট সময় ০৫:৫৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর দেশটির পরবর্তী যেকোনো নেতৃত্বকেও লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। আজ বুধবার (৪ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে যাকে নিযুক্ত করা হোক না কেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাকে ‘নির্মূল’ করার চেষ্টা চালাবে। খবর আলজাজিরার।

কাটজ স্পষ্টভাবে বলেন, ইরানি সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর নিযুক্ত এমন কোনো নেতা, যিনি ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র ও মুক্ত বিশ্বকে হুমকি দেওয়া এবং নিজ দেশের জনগণকে নিপীড়ন করা অব্যাহত রাখবেন, তিনি আমাদের জন্য নিশ্চিত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য হবেন।’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সেই নেতার নাম কী বা তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা আমাদের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়।

এই বিবৃতির মাধ্যমে ইসরায়েল ইঙ্গিত দিয়েছে, খামেনি-পরবর্তী ইরানের শাসনব্যবস্থায় যারাই শক্ত অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করবেন, তাদের প্রত্যেককেই প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়তে হবে।

ইসরায়েল কাটজ দাবি করেন, ইরানকে একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে বজায় রাখা এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে যাবে।

কাটজ আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণের জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যাতে তারা বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করে। এতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। গত চার দিনে তেহরানে ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮১ জনই দশ বছরের কম বয়সী শিশু।

Share this news as a Photo Card