শিরোনাম :
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ২৩-২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে শি জিনপিং স্থানীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ২১ ধরনের তথ্য সংগ্রহে নেমেছে পুলিশ বাস সিন্ডিকেটের কবলে ৫২ কোটির হাইটেক সিটি রেলস্টেশন কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন পশ্চিমাঞ্চলের ৪ ট্রেন এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়, দরপত্র আহ্বান অপ্রতিম কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে : পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জে ছোটভাইয়ের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা লতিফের, করেছে হামলা, দিয়েছে মামলা চিকিৎসকের গায়ে হাত নিয়ে ধর্মঘট, অবাবস্থাপনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা সংবিধান কমিটি প্রত্যাখ্যান, ছয় দফা দাবিতে অনড় ১১-দলীয় জোট জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির

আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশেষ অতিথি হিসেবে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যদিও ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র নয় বাংলাদেশ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র এসে পৌঁছেছে। আমরা ইতিমধ্যে সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বসছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। জোটের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আয়োজনে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগকে কূটনৈতিক মহল ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই আমন্ত্রণ তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সফরে যাওয়া হবে কি না। প্রোটোকল, কর্মসূচি ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়েও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ব্রিকস মূলত ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে গঠিত অর্থনৈতিক জোট হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর সদস্য সংখ্যা সম্প্রসারিত হয়েছে এবং একাধিক দেশকে পর্যবেক্ষক বা বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রবণতা বেড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশ যদি সম্মেলনে অংশ নেয়, তাহলে তা হবে দুই দেশের সাম্প্রতিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত থাকার নজির রয়েছে।

তবে সম্মেলনে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে কি না, কিংবা প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে যাবেন নাকি প্রতিনিধি পাঠানো হবে—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী দিনগুলোতে বিষয়টি স্পষ্ট হবে এবং যথাসময়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু জামাত এমপি নজরুলের চার দিনের রিমান্ড

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির

আপডেট সময় ০৫:০০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশেষ অতিথি হিসেবে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যদিও ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র নয় বাংলাদেশ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র এসে পৌঁছেছে। আমরা ইতিমধ্যে সেটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বসছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। জোটের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আয়োজনে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগকে কূটনৈতিক মহল ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই আমন্ত্রণ তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সফরে যাওয়া হবে কি না। প্রোটোকল, কর্মসূচি ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়েও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ব্রিকস মূলত ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে গঠিত অর্থনৈতিক জোট হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর সদস্য সংখ্যা সম্প্রসারিত হয়েছে এবং একাধিক দেশকে পর্যবেক্ষক বা বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রবণতা বেড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশ যদি সম্মেলনে অংশ নেয়, তাহলে তা হবে দুই দেশের সাম্প্রতিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত থাকার নজির রয়েছে।

তবে সম্মেলনে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে কি না, কিংবা প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে যাবেন নাকি প্রতিনিধি পাঠানো হবে—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী দিনগুলোতে বিষয়টি স্পষ্ট হবে এবং যথাসময়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

Share this news as a Photo Card