রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ আর লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না। এই মর্মে একটি পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের সময় তাঁদের পদবির পূর্বে এই দুটি সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতদিন প্রশাসনিক প্রথা অনুযায়ী এসব পদবির আগে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ শব্দ যুক্ত করে লেখা হতো, যা এখন থেকে আর রাখার প্রয়োজন নেই বলে সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, এবং তাদের অধীন সব দপ্তরকে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ পাঠানোর সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
পরিপত্রে সিদ্ধান্তটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে তা অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে সরকারি চিঠিপত্র, নথি ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি ও সরকারপ্রধানসহ শীর্ষ পদাধিকারীদের নাম বা পদবি লেখার সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নতুন এই নিয়ম মেনে চলতে হবে।
এস কে চন্দন, ঢাকা 



















