জাতিসংঘে সিএনএন সাংবাদিককে দেখে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রবেশের সময় সিএনএনের প্রধান হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি কাইটলান কলিন্সের মুখোমুখি হয়ে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে সিএনএনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বাতিলের কয়েক দিনের মাথায়ই ঘটল এ ঘটনা।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে কলিন্সের প্রশ্নের মুখে পড়েন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ নিয়ে দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিকের নেতিবাচক মনোভাবের প্রসঙ্গ টেনে কলিন্স জানতে চান, যুদ্ধ শেষ হবে কবে। জবাবে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ট্রাম্প বিস্ময় প্রকাশ করেন সিএনএনকে সেখানে দেখে। তিনি বলেন, ‘আপনার এখানে থাকা উচিত নয়। আপনি তো বলেছিলেন, কভার করবেন না।’

কলিন্স তখন জানান, জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তারা সেখানে সংবাদ সংগ্রহ করছেন। এ নিয়ে বিস্তারিত না বলে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র ‘অনেক অগ্রগতি করছে’ বলে মন্তব্য করে প্রসঙ্গ পাল্টান। পরে সম্প্রচারে কলিন্স স্পষ্ট করেন, সিএনএন কখনোই ট্রাম্পকে কভার না করার কথা বলেনি, বরং প্রতিদিনই প্রেসিডেন্টের কার্যক্রম তুলে ধরা হবে।

কয়েক দিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন সিএনএন, এমএসএনবিসি ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসের মাঠে প্রবেশ ও প্রেস পুলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। তবে জাতিসংঘের নিজস্ব অ্যাক্রেডিটেশন থাকায় সংবাদমাধ্যমগুলো নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম কভার করতে পারছে।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোমবার তিন সংবাদমাধ্যম যৌথভাবে মামলা করেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, প্রতিবেদন ও মতামতের কারণে প্রবেশাধিকার সীমিত করা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে সুরক্ষিত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার লঙ্ঘন। বুধবার এ নিয়ে আদালতে শুনানির কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, আদালত প্রশাসনের বিপক্ষে রায় দিলে ওই সংবাদমাধ্যমগুলোকে হোয়াইট হাউসে ফেরানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমালোচনামূলক প্রতিবেদনকে ‘ফেক নিউজ’ আখ্যা দিয়ে সেগুলো বন্ধ করার অধিকার প্রশাসনের আছে বলেও দাবি করেন তিনি। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে প্রবেশাধিকার কোনো অধিকার নয়, বিশেষাধিকার মাত্র।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাকিবের ব্যাট-বলে ফের অলরাউন্ড ঝলক

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

জাতিসংঘে সিএনএন সাংবাদিককে দেখে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৫:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রবেশের সময় সিএনএনের প্রধান হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি কাইটলান কলিন্সের মুখোমুখি হয়ে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে সিএনএনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বাতিলের কয়েক দিনের মাথায়ই ঘটল এ ঘটনা।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে কলিন্সের প্রশ্নের মুখে পড়েন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ নিয়ে দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিকের নেতিবাচক মনোভাবের প্রসঙ্গ টেনে কলিন্স জানতে চান, যুদ্ধ শেষ হবে কবে। জবাবে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ট্রাম্প বিস্ময় প্রকাশ করেন সিএনএনকে সেখানে দেখে। তিনি বলেন, ‘আপনার এখানে থাকা উচিত নয়। আপনি তো বলেছিলেন, কভার করবেন না।’

কলিন্স তখন জানান, জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তারা সেখানে সংবাদ সংগ্রহ করছেন। এ নিয়ে বিস্তারিত না বলে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র ‘অনেক অগ্রগতি করছে’ বলে মন্তব্য করে প্রসঙ্গ পাল্টান। পরে সম্প্রচারে কলিন্স স্পষ্ট করেন, সিএনএন কখনোই ট্রাম্পকে কভার না করার কথা বলেনি, বরং প্রতিদিনই প্রেসিডেন্টের কার্যক্রম তুলে ধরা হবে।

কয়েক দিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন সিএনএন, এমএসএনবিসি ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসের মাঠে প্রবেশ ও প্রেস পুলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। তবে জাতিসংঘের নিজস্ব অ্যাক্রেডিটেশন থাকায় সংবাদমাধ্যমগুলো নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম কভার করতে পারছে।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোমবার তিন সংবাদমাধ্যম যৌথভাবে মামলা করেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, প্রতিবেদন ও মতামতের কারণে প্রবেশাধিকার সীমিত করা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে সুরক্ষিত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার লঙ্ঘন। বুধবার এ নিয়ে আদালতে শুনানির কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, আদালত প্রশাসনের বিপক্ষে রায় দিলে ওই সংবাদমাধ্যমগুলোকে হোয়াইট হাউসে ফেরানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমালোচনামূলক প্রতিবেদনকে ‘ফেক নিউজ’ আখ্যা দিয়ে সেগুলো বন্ধ করার অধিকার প্রশাসনের আছে বলেও দাবি করেন তিনি। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে প্রবেশাধিকার কোনো অধিকার নয়, বিশেষাধিকার মাত্র।

Share this news as a Photo Card