যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তিন দেশ—কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে একযোগে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশটির সামরিক বাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।
ইরানের দাবি, দূরপাল্লার একাধিক কামিকাজে (আত্মঘাতী) ড্রোন ব্যবহার করে কুয়েতের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কাতারের আগাম সতর্কীকরণ অবকাঠামো এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর জ্বালানি সংরক্ষণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীন যাচাই তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হয়নি।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার খবরে বাহরাইনের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানায়।
একই সময়ে কুয়েতেও সতর্কতামূলক সাইরেন শোনা যায়। দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, আকাশসীমায় সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিরোধে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কাতারও নিরাপত্তা ঝুঁকির সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের মোবাইল ফোনে জরুরি বার্তা পাঠিয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় তাদের ড্রোন আঘাত হেনেছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মূল ভূখণ্ডে নতুন করে হামলা চালালে আঞ্চলিক পর্যায়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, কাতার বা বাহরাইনের পক্ষ থেকে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করছে আন্তর্জাতিক মহল।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 




















