মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে একদিকে দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে আশা নিয়ে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। তৃতীয় সেশনে চোট পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাওহিদ হৃদয়কে। আর অপর প্রান্তে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন সাদমান ইসলাম।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২০৭ রান। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। একাদশে মুশফিকুর রহিমের জায়গায় সুযোগ পান হৃদয়। এ ছাড়া দলে আর কোনো পরিবর্তন ছিল না।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে এই সিরিজ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। সপ্তম ওভারে জেইডন সিলসের বলে স্লিপে জাস্টিন গ্রেভসের হাতে ধরা পড়েন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফেরার আগে তিনি করেন ২৩ বলে ৭ রান।
এরপর দ্বিতীয় উইকেটে সাদমানের সঙ্গে ৮৮ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল হক। কিন্তু ২২তম ওভারে উইকেট ছুড়ে দিয়ে ফেরেন তিনি। মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশের উইকেট ছিল দুটি।
বিরতির পর ক্রিজে থিতু হয়েও বিদায় নেন শান্ত। ৩৬তম ওভারে জোমেল ওয়ারিকানের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে পায়ে বল লাগে তাঁর। মাঠের আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত বদলায়। ৪২ বলে ১৯ রান করে এলবিডব্লিউ হন তিনি। তখন দলীয় রান ছিল ১১০।
সেখান থেকে দলের হাল ধরেন সাদমান ও হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে ১৪৪ বলে তাঁরা যোগ করেন ৬৭ রান। এই সময়ের মধ্যে সাদমান তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম হাফসেঞ্চুরি। দ্বিতীয় সেশনে ৩০ ওভারে ৮১ রান তুলে একটি মাত্র উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
চা-বিরতির পর ইনিংসের ৬৬তম ওভারে হঠাৎ মাঠে বসে পড়েন হৃদয়। ফিজিও এসে কিছুক্ষণ চিকিৎসা দিলেও ব্যাটিং চালিয়ে যেতে পারেননি তিনি। ৮৪ বলে ৪২ রান করে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়েন। তাঁর জায়গায় ক্রিজে আসেন লিটন দাস, যিনি এখন সাদমানকে সঙ্গ দিচ্ছেন।
হৃদয়ের চোট কতটা গুরুতর, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। দিনের বাকি সময়ে সাদমানের সেঞ্চুরি ও লিটনের ব্যাটিংয়ের দিকেই তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 



















