শিরোনাম :
কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল শুরু ৩১ অক্টোবর, আগে করালে গ্রহণযোগ্য নয় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত চারজন, আহত ১১ মিরপুর টেস্টে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় আকস্মিক পরিদর্শনে পাঁচ চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও প্রযুক্তিতে জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে ‘মহব্বত’-এ শাকিব খানের নায়িকা কি পাকিস্তানের কিনজা হাশমি ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা বড় ধরনের যুদ্ধে বিদ্যুৎ ছাড়াই ৯০ দিন টিকবে মার্কিন ঘাঁটি মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা

ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় মোবাইল সহ চোরাকারবারি চক্রের হোতা গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টা থেকে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড় এলাকায় একটি দোকান পরিচালনার আড়ালে ভারতীয় মোবাইল ফোনের অবৈধ ব্যবসা ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে রতনের বিরুদ্ধে। তাঁর মাধ্যমে ভারত থেকে চোরাই পথে আসা মোবাইল ফোন দেশের বিভিন্ন এলাকার শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি দল ছদ্মবেশে রাতভর অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় রতনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, রতন ও তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি চক্রের মাধ্যমে এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালিত হতো। তাঁকে গ্রেপ্তারে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে প্রতিবারই তিনি পুলিশের নাগালের বাইরে থেকে যান।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রতনের গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের কয়েকজনের অভিযোগ, ওই চক্রের প্রভাবে এলাকার উঠতি বয়সী কিছু যুবক ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছিল। তাঁকে গ্রেপ্তারের ফলে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

পুলিশের এ অভিযানকে সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা

২৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় মোবাইল সহ চোরাকারবারি চক্রের হোতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টা থেকে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড় এলাকায় একটি দোকান পরিচালনার আড়ালে ভারতীয় মোবাইল ফোনের অবৈধ ব্যবসা ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে রতনের বিরুদ্ধে। তাঁর মাধ্যমে ভারত থেকে চোরাই পথে আসা মোবাইল ফোন দেশের বিভিন্ন এলাকার শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি দল ছদ্মবেশে রাতভর অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় রতনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, রতন ও তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি চক্রের মাধ্যমে এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালিত হতো। তাঁকে গ্রেপ্তারে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে প্রতিবারই তিনি পুলিশের নাগালের বাইরে থেকে যান।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রতনের গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের কয়েকজনের অভিযোগ, ওই চক্রের প্রভাবে এলাকার উঠতি বয়সী কিছু যুবক ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছিল। তাঁকে গ্রেপ্তারের ফলে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

পুলিশের এ অভিযানকে সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

Share this news as a Photo Card