শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে হারবাল ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গোৎসবে ঢাকেশ্বরীতে রাষ্ট্রপতির বার্তা ছেলে -মেয়ে একই দলে, ক্রিকেটে আসছে নতুন ফরম্যাট টেস্ট টোয়েন্টি মা ইলিশ শিকারে ‘নিরাপত্তা বাণিজ্য’, কারা আছে নেপথ্যে? ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, একই পরিবারের ৬ জন রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮১ ভারতে ১ নভেম্বর থেকে অচেনা কলারের নাম দেখা যাবে ফোনে তেরঙ্গা ওড়ানোর আগেই আটক সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা, কনট প্লেসে উত্তেজনা ক্ষমতা এক লুটেরার হাত থেকে আরেক লুটেরার হাতে : বিরোধীদলীয়নেতা ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজায় হিন্দুদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজায় হিন্দুদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবের আগে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সবার নিরাপত্তার কথা তুলে ধরেছেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাঁর ভাষায়, যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ ধরে রাখা সবার জন্যই জরুরি।

শারদীয় দুর্গাপূজাকে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব উল্লেখ করে তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মমতে জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ করেন, শত্রুর বিনাশ ঘটান এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নিজ নিজ ধর্ম পালন করছে এবং করবে। এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রস্ফুটিত হয়ে ওঠে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথাও এসেছে বাণীতে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে, শুরু হয়েছে পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই তাঁদের অঙ্গীকার। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ সমৃদ্ধ হোক, এমন প্রত্যাশাও জানান তিনি।

বাণীর শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।” হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসব উদযাপন করেন। তাঁদের তিনি আবারও শুভেচ্ছা জানান।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিডিও বিতর্কের মধ্যে লাইভে এসে পরদিন তা মুছলেন পরীমনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজায় হিন্দুদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

১৬ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজায় হিন্দুদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৯:০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবের আগে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সবার নিরাপত্তার কথা তুলে ধরেছেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণও সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাঁর ভাষায়, যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ ধরে রাখা সবার জন্যই জরুরি।

শারদীয় দুর্গাপূজাকে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব উল্লেখ করে তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মমতে জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ করেন, শত্রুর বিনাশ ঘটান এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নিজ নিজ ধর্ম পালন করছে এবং করবে। এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রস্ফুটিত হয়ে ওঠে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথাও এসেছে বাণীতে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে, শুরু হয়েছে পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই তাঁদের অঙ্গীকার। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ সমৃদ্ধ হোক, এমন প্রত্যাশাও জানান তিনি।

বাণীর শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।” হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যেন উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসব উদযাপন করেন। তাঁদের তিনি আবারও শুভেচ্ছা জানান।

Share this news as a Photo Card