শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির দুইজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল হাসিনার দিল্লি বক্তব্যে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা মহেশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই নেতার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় প্রশাসন ও জনতা মহেশখালী-হাটহাজারী সফরে বন্যার্তদের পাশে প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে গুগল-মেটা-টিকটক সালাহউদ্দিন নির্যাতনে হাসিনা-কামালের সম্পৃক্ততা পেল তদন্ত সংস্থা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় একটি চক্র: প্রধানমন্ত্রী

মহেশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কক্সবাজারের মহেশখালীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে রাজধানী থেকে হেলিকপ্টারযোগে যাত্রা শুরু করে সকাল সাড়ে দশটার কিছু পরে তিনি মাতারবাড়ীতে অবতরণ করেন। দিনভর ব্যাপক কর্মসূচি নিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় অবস্থান করবেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে দশটায় তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম ঘুরে দেখবেন। এসব প্রকল্প এলাকার অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হয়।
এরপর সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তরান্বিত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
দুপুরের দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার পেহেলগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করার পর প্রধানমন্ত্রী রওনা হবেন আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার উদ্দেশে। সেখানে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন তিনি। ধর্মীয় অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিকেলের কর্মসূচিতে হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত আরেকটি পুনর্বাসনবিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। দিনের কর্মসূচির শেষভাগে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে দলীয় সাংগঠনিক সভায় উপস্থিত থাকবেন তিনি। সবশেষে রাতের দিকে রাজধানীতে ফিরে আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর মহেশখালী সফরকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক তৎপরতা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, জেলা প্রশাসক, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় উপস্থিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছেন তারা সবাই।
নিরাপত্তার দিক থেকেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ি ও এর আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই সফর নিয়ে দেখা গেছে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার অপেক্ষায় রাস্তার দুই ধারে জড়ো হচ্ছেন।
সব মিলিয়ে দিনটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য একইসঙ্গে উন্নয়ন পরিদর্শন, মানবিক সহায়তা এবং ধর্মীয় সৌহার্দ্যের এক ব্যস্ত কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে, যা কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় একটি চক্র: প্রধানমন্ত্রী

০৮ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মহেশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ১২:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে রাজধানী থেকে হেলিকপ্টারযোগে যাত্রা শুরু করে সকাল সাড়ে দশটার কিছু পরে তিনি মাতারবাড়ীতে অবতরণ করেন। দিনভর ব্যাপক কর্মসূচি নিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় অবস্থান করবেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে দশটায় তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম ঘুরে দেখবেন। এসব প্রকল্প এলাকার অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হয়।
এরপর সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তরান্বিত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
দুপুরের দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার পেহেলগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করার পর প্রধানমন্ত্রী রওনা হবেন আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার উদ্দেশে। সেখানে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন তিনি। ধর্মীয় অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিকেলের কর্মসূচিতে হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত আরেকটি পুনর্বাসনবিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। দিনের কর্মসূচির শেষভাগে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে দলীয় সাংগঠনিক সভায় উপস্থিত থাকবেন তিনি। সবশেষে রাতের দিকে রাজধানীতে ফিরে আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর মহেশখালী সফরকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক তৎপরতা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, জেলা প্রশাসক, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় উপস্থিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছেন তারা সবাই।
নিরাপত্তার দিক থেকেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ি ও এর আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই সফর নিয়ে দেখা গেছে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার অপেক্ষায় রাস্তার দুই ধারে জড়ো হচ্ছেন।
সব মিলিয়ে দিনটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য একইসঙ্গে উন্নয়ন পরিদর্শন, মানবিক সহায়তা এবং ধর্মীয় সৌহার্দ্যের এক ব্যস্ত কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে, যা কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

Share this news as a Photo Card