নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার (৬ মে) ময়মনসিংহে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৫ মে) গভীর রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসায় থেকে পড়াশোনা করত। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে মা তাকে ক্লিনিকে নিয়ে যান এবং পরীক্ষায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণিত হয়। এই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার শিশুর মা বাদী হয়ে আমান উল্লাহ সাগরকে একমাত্র আসামি করে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন।
পলাতক : মামলার পর থেকেই আমান উল্লাহ সাগর পলাতক ছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। যদিও র্যাব তার অবস্থান শনাক্ত করে সফল অভিযান পরিচালনা করে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, আসামিকে র্যাবের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হবে
চলমান বার্তা ডেস্ক : 










