সিলেট ০৫: নির্বাচনী আবহে ভিন্ন দৃশ্যপট

সাধারণত নির্বাচন বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাস্তাঘাট ও অলিগলিতে ঝুলে থাকা সারি সারি সাদা-কালো পোস্টার। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই পুরনো দৃশ্যপট এবার আর নেই। দড়িতে ঝোলানো সেই চিরচেনা দৃশ্যের দেখা মিলছে না সিলেট-০৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে। অতীতের মতো কাগজের পোস্টার বা প্লাস্টিক লেমিনেটেড ব্যানারের স্তূপ এবার আর চোখে পড়ছে না। মূলত নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পোস্টার ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকায় পাল্টে গেছে নির্বাচনের এই চেনা আবহ।
তবে দৃশ্যমান পোস্টার না থাকলেও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই প্রার্থীরা। এই আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন চারজন প্রার্থী। বিএনপি-জমিয়ত জোটের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, ১১ দলীয় জোটের মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ (চাকসু মামুন) এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের বিলাল উদ্দিন। পোস্টারের বিকল্প হিসেবে প্রার্থীরা এখন প্রধানত বেছে নিয়েছেন কাপড়ের ব্যানার। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়ে হ্যান্ড লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, পথসভা ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও পিছিয়ে নেই কেউ; প্রার্থীদের সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। তবে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বিলাল উদ্দিনের প্রচারণা এখন পর্যন্ত এলাকায় খুব একটা চোখে পড়েনি।

নির্বাচনী পরিবেশের এই পরিবর্তন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জকিগঞ্জের কয়েকজন ভোটার জানান, পোস্টার না থাকায় আগের মতো নির্বাচনী আমেজ কিছুটা কম মনে হচ্ছে। তবে পরিবেশ রক্ষায় কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সচেতন নাগরিকেরা। তাঁদের মতে, আগে নির্বাচনের পর পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ও কাগজ পরিবেশের যে ক্ষতি করত, এবার তা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। পরিবেশবাদী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পোস্টারের এই অনুপস্থিতি যেমন পরিবেশ রক্ষা করছে, তেমনি  আধুনিক নির্বাচনী সংস্কৃতির দিকে বাংলাদেশকে এগিয়ে যাচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্তে হাইকোর্টে রিট

২৭ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সিলেট ০৫: নির্বাচনী আবহে ভিন্ন দৃশ্যপট

আপডেট সময় ০৫:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
সাধারণত নির্বাচন বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে রাস্তাঘাট ও অলিগলিতে ঝুলে থাকা সারি সারি সাদা-কালো পোস্টার। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই পুরনো দৃশ্যপট এবার আর নেই। দড়িতে ঝোলানো সেই চিরচেনা দৃশ্যের দেখা মিলছে না সিলেট-০৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে। অতীতের মতো কাগজের পোস্টার বা প্লাস্টিক লেমিনেটেড ব্যানারের স্তূপ এবার আর চোখে পড়ছে না। মূলত নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পোস্টার ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকায় পাল্টে গেছে নির্বাচনের এই চেনা আবহ।
তবে দৃশ্যমান পোস্টার না থাকলেও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই প্রার্থীরা। এই আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন চারজন প্রার্থী। বিএনপি-জমিয়ত জোটের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, ১১ দলীয় জোটের মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ (চাকসু মামুন) এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের বিলাল উদ্দিন। পোস্টারের বিকল্প হিসেবে প্রার্থীরা এখন প্রধানত বেছে নিয়েছেন কাপড়ের ব্যানার। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়ে হ্যান্ড লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, পথসভা ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও পিছিয়ে নেই কেউ; প্রার্থীদের সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। তবে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বিলাল উদ্দিনের প্রচারণা এখন পর্যন্ত এলাকায় খুব একটা চোখে পড়েনি।

নির্বাচনী পরিবেশের এই পরিবর্তন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জকিগঞ্জের কয়েকজন ভোটার জানান, পোস্টার না থাকায় আগের মতো নির্বাচনী আমেজ কিছুটা কম মনে হচ্ছে। তবে পরিবেশ রক্ষায় কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সচেতন নাগরিকেরা। তাঁদের মতে, আগে নির্বাচনের পর পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ও কাগজ পরিবেশের যে ক্ষতি করত, এবার তা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। পরিবেশবাদী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পোস্টারের এই অনুপস্থিতি যেমন পরিবেশ রক্ষা করছে, তেমনি  আধুনিক নির্বাচনী সংস্কৃতির দিকে বাংলাদেশকে এগিয়ে যাচ্ছে।

Share this news as a Photo Card