শিরোনাম :
মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু খুলনায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাইনিজ কুড়াল হাতে পাঁচ যুবকের হামলা ২৪২ রানে অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন হৃদয় শিশুদের শিক্ষার মান বাড়াতে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক অভিষেকের বাড়িতে রাত ২টায় সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, উড়িয়ে দিল বিজেপি গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা, মিলবে মোবাইল ভাতাও ট্রাকের চাপায় বাবা মা সহ নিহত আট মাসের শিশু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একাই লড়ছেন তাওহীদ হৃদয়, ১৫৪ রানে অপরাজিত দল, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে পরিচয় একটাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী ‘উই ওয়্যার হিয়ার’: এআইয়ের বিরুদ্ধে মাইক্রোওয়েভ

ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি ইংল্যান্ড, যা বললেন স্পেন কোচ

ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে শিরোপা লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকা ইউরোপের দলটি এখন তাকিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দিকে। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার লড়াইয়ে যে দল জিতবে, আগামী ১৯ জুলাই সেই দলই হবে স্পেনের প্রতিপক্ষ।
প্রথম সেমিফাইনালে ইউরোপের দুই পরাশক্তির দ্বৈরথে ফ্রান্সকে ছাপিয়ে যায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। সংগঠিত ফুটবল, আক্রমণে ধার এবং রক্ষণে শৃঙ্খলার সমন্বয়ে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল অন্য একটি প্রশ্ন—ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনা, নাকি ইংল্যান্ড; কাকে বেশি চান স্পেনের কোচ?
প্রশ্নের জবাবে লুইস দে লা ফুয়েন্তে কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম বলতে রাজি হননি। বরং তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তার কাছে দুই প্রতিপক্ষই সমান কঠিন এবং সমান মর্যাদার।
স্পেন কোচ বলেন, তাদের দলে কোনো পছন্দ-অপছন্দ নেই। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—দুই দলেরই নিজস্ব শক্তি, কৌশল এবং ফুটবল দর্শন রয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের সঙ্গে লাতিন আমেরিকার ফুটবলের পার্থক্যও তিনি তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দুই ধরনের ফুটবলই ভিন্ন স্বাদের, তাই যেই প্রতিপক্ষ আসুক না কেন, প্রস্তুত থাকতে হবে।
তবে ব্যক্তিগত একটি অনুভূতির কথাও গোপন করেননি দে লা ফুয়েন্তে। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফাইনালে তার বিপক্ষে মাঠে নামতে পারলে সেটি নিঃসন্দেহে বিশেষ অভিজ্ঞতা হবে। বন্ধুর সঙ্গে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে লড়াই করা রোমাঞ্চকর হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে এই ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কখনোই প্রতিযোগিতার সঙ্গে মেলাতে চান না স্পেন কোচ। তার মতে, মাঠে নামার পর আবেগের জায়গা নেই; তখন একমাত্র লক্ষ্য থাকবে নিজের দলকে শিরোপা জেতানো।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের প্রতিও সমান শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন দে লা ফুয়েন্তে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ইংল্যান্ডকে অন্যতম শিরোপা দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। শক্তিশালী স্কোয়াড, অভিজ্ঞ ফুটবলার এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে ইংল্যান্ডকে কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মনে করেন তিনি।
সব মিলিয়ে স্পেন কোচের বার্তা পরিষ্কার—ফাইনালে প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটি নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই। আর্জেন্টিনা হোক কিংবা ইংল্যান্ড, দুই দলই বিশ্বমানের প্রতিপক্ষ। আর সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য স্পেন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এখন শুধু অপেক্ষা, দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফলাফলের। এরপরই নিশ্চিত হবে, বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াইয়ে স্পেনের সামনে দাঁড়াবে ইউরোপের ইংল্যান্ড, নাকি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

রান্নার অ্যালুমিনিয়াম হাঁড়িতে সিসার ঝুঁকি, মান যাচাইয়ের ব্যবস্থাই নেই

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

‘উই ওয়্যার হিয়ার’: এআইয়ের বিরুদ্ধে মাইক্রোওয়েভ

০৭ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি ইংল্যান্ড, যা বললেন স্পেন কোচ

আপডেট সময় ০৫:২২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে শিরোপা লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকা ইউরোপের দলটি এখন তাকিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের দিকে। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার লড়াইয়ে যে দল জিতবে, আগামী ১৯ জুলাই সেই দলই হবে স্পেনের প্রতিপক্ষ।
প্রথম সেমিফাইনালে ইউরোপের দুই পরাশক্তির দ্বৈরথে ফ্রান্সকে ছাপিয়ে যায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। সংগঠিত ফুটবল, আক্রমণে ধার এবং রক্ষণে শৃঙ্খলার সমন্বয়ে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল অন্য একটি প্রশ্ন—ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনা, নাকি ইংল্যান্ড; কাকে বেশি চান স্পেনের কোচ?
প্রশ্নের জবাবে লুইস দে লা ফুয়েন্তে কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম বলতে রাজি হননি। বরং তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তার কাছে দুই প্রতিপক্ষই সমান কঠিন এবং সমান মর্যাদার।
স্পেন কোচ বলেন, তাদের দলে কোনো পছন্দ-অপছন্দ নেই। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—দুই দলেরই নিজস্ব শক্তি, কৌশল এবং ফুটবল দর্শন রয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের সঙ্গে লাতিন আমেরিকার ফুটবলের পার্থক্যও তিনি তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দুই ধরনের ফুটবলই ভিন্ন স্বাদের, তাই যেই প্রতিপক্ষ আসুক না কেন, প্রস্তুত থাকতে হবে।
তবে ব্যক্তিগত একটি অনুভূতির কথাও গোপন করেননি দে লা ফুয়েন্তে। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফাইনালে তার বিপক্ষে মাঠে নামতে পারলে সেটি নিঃসন্দেহে বিশেষ অভিজ্ঞতা হবে। বন্ধুর সঙ্গে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে লড়াই করা রোমাঞ্চকর হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে এই ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কখনোই প্রতিযোগিতার সঙ্গে মেলাতে চান না স্পেন কোচ। তার মতে, মাঠে নামার পর আবেগের জায়গা নেই; তখন একমাত্র লক্ষ্য থাকবে নিজের দলকে শিরোপা জেতানো।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের প্রতিও সমান শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন দে লা ফুয়েন্তে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ইংল্যান্ডকে অন্যতম শিরোপা দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। শক্তিশালী স্কোয়াড, অভিজ্ঞ ফুটবলার এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে ইংল্যান্ডকে কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মনে করেন তিনি।
সব মিলিয়ে স্পেন কোচের বার্তা পরিষ্কার—ফাইনালে প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটি নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই। আর্জেন্টিনা হোক কিংবা ইংল্যান্ড, দুই দলই বিশ্বমানের প্রতিপক্ষ। আর সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য স্পেন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এখন শুধু অপেক্ষা, দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফলাফলের। এরপরই নিশ্চিত হবে, বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াইয়ে স্পেনের সামনে দাঁড়াবে ইউরোপের ইংল্যান্ড, নাকি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

Share this news as a Photo Card