শিরোনাম :
কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন পশ্চিমাঞ্চলের ৪ ট্রেন এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়, দরপত্র আহ্বান অপ্রতিম কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে : পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জে ছোটভাইয়ের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা লতিফের, করেছে হামলা, দিয়েছে মামলা চিকিৎসকের গায়ে হাত নিয়ে ধর্মঘট, অবাবস্থাপনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা সংবিধান কমিটি প্রত্যাখ্যান, ছয় দফা দাবিতে অনড় ১১-দলীয় জোট জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়, অভিযুক্ত তুহিনের বাসা থেকে মিলল নিহতের মায়ের আইফোন মেধা শঙ্কর-সময় রায়নার বিয়ের গুঞ্জন, নেই সরকারি ঘোষণা মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ জঙ্গলে উদ্ধার

‘তেলাপোকাদের’ প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের চাপের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

আজ শনিবার (২৫ জুলাই) আন্দোলনকারী সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের তৃতীয় দফার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ধর্মেন্দ্র প্রধান। আকস্মিক এই ঘোষণা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়, যারা টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান ও অন্যতম শর্তই ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বরখাস্ত ও পদত্যাগ। এই দাবি থেকে তারা এক চুলও সরে আসেননি। সিজেপি ও কেন্দ্রের মধ্যকার আলোচনাও দীর্ঘদিন ধরে এই একই দাবিতে আটকে ছিল—শিক্ষামন্ত্রীর অপসারণ ছাড়া কোনো সমঝোতার পথ খোলা রাখেননি আন্দোলনকারীরা।

আজ সকালে বৈঠকের আগমুহূর্তে সিজেপি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমঝোতা সম্ভব নয়। এই কড়া অবস্থানের মুখে সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই চাপ সামলাতে না পেরেই পদত্যাগের পথ বেছে নিতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলন, লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি এবং আপসহীন অবস্থানের ফলেই শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত এলো বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ভারতজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তার একটি বড় পরিণতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই পদত্যাগকে। এখন সবার নজর, শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বে কে আসছেন এবং সিজেপির সঙ্গে আসন্ন বৈঠকে সরকারের পরবর্তী অবস্থান কী হয়, তার দিকে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ জঙ্গলে উদ্ধার

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

‘তেলাপোকাদের’ প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৪০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের চাপের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

আজ শনিবার (২৫ জুলাই) আন্দোলনকারী সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের তৃতীয় দফার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ধর্মেন্দ্র প্রধান। আকস্মিক এই ঘোষণা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়, যারা টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান ও অন্যতম শর্তই ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বরখাস্ত ও পদত্যাগ। এই দাবি থেকে তারা এক চুলও সরে আসেননি। সিজেপি ও কেন্দ্রের মধ্যকার আলোচনাও দীর্ঘদিন ধরে এই একই দাবিতে আটকে ছিল—শিক্ষামন্ত্রীর অপসারণ ছাড়া কোনো সমঝোতার পথ খোলা রাখেননি আন্দোলনকারীরা।

আজ সকালে বৈঠকের আগমুহূর্তে সিজেপি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমঝোতা সম্ভব নয়। এই কড়া অবস্থানের মুখে সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই চাপ সামলাতে না পেরেই পদত্যাগের পথ বেছে নিতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলন, লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি এবং আপসহীন অবস্থানের ফলেই শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত এলো বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ভারতজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তার একটি বড় পরিণতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই পদত্যাগকে। এখন সবার নজর, শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বে কে আসছেন এবং সিজেপির সঙ্গে আসন্ন বৈঠকে সরকারের পরবর্তী অবস্থান কী হয়, তার দিকে।

Share this news as a Photo Card