শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৬১ জন ব্রিকসে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ডাক চীন, রাশিয়া ও ভারতের সান্তাহার বাফার গুদামে আবর্জনাসহ সার রিব্যাগিং, সরবরাহে ওজনে ও কম আসিফ মাহমুদের পর্তুগাল-সুইজারল্যান্ডসহ ৫ দেশে হাজার কোটি টাকা পাচার পাকিস্তান থেকে সরে ভারতের দিকে ঝুঁকছে চীন সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য ও বাস্তবতা ইরাকের ড্রোন হামলায় সৌদি পাইপলাইন বন্ধ, বাড়ছে তেলের দাম শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না স্থানীয় নির্বাচনে: প্রতিমন্ত্রী স্ত্রীসহ ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যানের ৫৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক দলীয় প্রতীকবিহীন স্বচ্ছ নির্বাচনের অঙ্গীকার সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

ব্রিকসে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ডাক চীন, রাশিয়া ও ভারতের

নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটেছে। শেষ দিনের আলোচনায় জোটভুক্ত রাষ্ট্রপ্রধানরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার এক বিরল যৌথ আহ্বান জানানোর পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের বিষয়ে জোর আলোচনা করেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।

আয়োজক দেশ হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ব্রিকস বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ, বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ২৫ শতাংশের বেশি প্রতিনিধিত্ব করে। মোদির ভাষায়, ‘ব্রিকসের আসল শক্তি লুকিয়ে আছে আমাদের বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্যে।’

সম্মেলনের প্রথম দিন মূলত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে আলোচনায় সীমাবদ্ধ ছিল। উল্লেখ্য, গত মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মতভেদের কারণে কোনো যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে এবার ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উপস্থিত নেতারা একটি যৌথ বিবৃতিতে সম্মত হন, যেখানে মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সর্বোচ্চ আত্মসংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।

এই সম্মেলনে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফর, যা ২০১৯ সালের পর তার প্রথম। ছয় বছর আগে সীমান্তে সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এটিকে। মোদির সঙ্গে বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, ‘আমাদের দুটি দেশ অনেক দিক থেকে আলাদা হলেও আমরা একে অপরের পরিপূরক হয়ে একত্রে এগিয়ে যেতে সক্ষম।’ তবে সীমান্ত বিরোধ এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে এবং উভয় দেশ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি সীমান্তে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৬১ জন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

দলীয় প্রতীকবিহীন স্বচ্ছ নির্বাচনের অঙ্গীকার সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ব্রিকসে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ডাক চীন, রাশিয়া ও ভারতের

আপডেট সময় ০৭:৪৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটেছে। শেষ দিনের আলোচনায় জোটভুক্ত রাষ্ট্রপ্রধানরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার এক বিরল যৌথ আহ্বান জানানোর পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের বিষয়ে জোর আলোচনা করেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।

আয়োজক দেশ হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ব্রিকস বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ, বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ২৫ শতাংশের বেশি প্রতিনিধিত্ব করে। মোদির ভাষায়, ‘ব্রিকসের আসল শক্তি লুকিয়ে আছে আমাদের বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্যে।’

সম্মেলনের প্রথম দিন মূলত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে আলোচনায় সীমাবদ্ধ ছিল। উল্লেখ্য, গত মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মতভেদের কারণে কোনো যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে এবার ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উপস্থিত নেতারা একটি যৌথ বিবৃতিতে সম্মত হন, যেখানে মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সর্বোচ্চ আত্মসংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।

এই সম্মেলনে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফর, যা ২০১৯ সালের পর তার প্রথম। ছয় বছর আগে সীমান্তে সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এটিকে। মোদির সঙ্গে বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, ‘আমাদের দুটি দেশ অনেক দিক থেকে আলাদা হলেও আমরা একে অপরের পরিপূরক হয়ে একত্রে এগিয়ে যেতে সক্ষম।’ তবে সীমান্ত বিরোধ এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে এবং উভয় দেশ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি সীমান্তে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে।

Share this news as a Photo Card