শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস পালন করল মিটফোর্ড হাসপাতাল

শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস পালন করল মিটফোর্ড হাসপাতাল ক্যাপশন:সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে “শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস” পালন করছে মিটফোর্ড হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগ। 

শিশুদের ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং  রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগ আয়োজিত সচেতনতা মাস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।” বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসকে এই সচেতনতা পালনের সময় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, আর সেই ধারাবাহিকতায় দেশের অন্যতম প্রাচীন এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানও এবার শামিল হয়েছে বৈশ্বিক এই আয়োজনে।

মাসজুড়ে পালন করা “শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভাগটি এদিন সকালে র‌্যালীর আয়োজন করে। র‌্যালী শেষে ২নং ভবনে সমবেত অনুষ্ঠানে শিশু ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করেন। উক্ত আলোচনায় ফুটে ওঠে শিশুদের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো, যেমন দীর্ঘদিন ধরে জ্বর থাকা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি অনুভব করা, শরীরে বা ঘাড়ে গিঁট অথবা ফোলা দেখা দেওয়া, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া, হাড় বা জয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ঘন ঘন রক্তপাত হওয়া বা শরীরে সহজে কালশিটে দাগ পড়া এবং চোখে সাদা প্রতিফলন দেখা দেওয়া বা দৃষ্টিজনিত সমস্যা—এসবই রাখা হয়েছে সতর্কচিহ্নের তালিকায়। পোস্টারে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, এসব লক্ষণের যেকোনোটি দেখা দিলে যেন অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয়।

সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি সোসাইটির চিফ প্যাট্রন ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম. এ. মান্নান এবং সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আফিকুল ইসলাম—দুজনেই যুক্ত আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের সঙ্গে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ টি এম এ রুস্তম, উপাধ্যক্ষ ডা. মো. শাহীন রেজা এবং শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. সফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অলিয়া শারমিন।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে জেনফার বাংলাদেশ লিমিটেড।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার সাফল্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এ কারণেই অভিভাবক ও শিক্ষকদের এসব লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ৮০ উপজেলায় প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস পালন করল মিটফোর্ড হাসপাতাল

আপডেট সময় ০৭:২০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস পালন করল মিটফোর্ড হাসপাতাল ক্যাপশন:সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে “শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস” পালন করছে মিটফোর্ড হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগ। 

শিশুদের ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং  রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগ আয়োজিত সচেতনতা মাস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।” বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসকে এই সচেতনতা পালনের সময় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, আর সেই ধারাবাহিকতায় দেশের অন্যতম প্রাচীন এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানও এবার শামিল হয়েছে বৈশ্বিক এই আয়োজনে।

মাসজুড়ে পালন করা “শিশু ক্যান্সার সচেতনতা মাস কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভাগটি এদিন সকালে র‌্যালীর আয়োজন করে। র‌্যালী শেষে ২নং ভবনে সমবেত অনুষ্ঠানে শিশু ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করেন। উক্ত আলোচনায় ফুটে ওঠে শিশুদের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো, যেমন দীর্ঘদিন ধরে জ্বর থাকা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি অনুভব করা, শরীরে বা ঘাড়ে গিঁট অথবা ফোলা দেখা দেওয়া, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া, হাড় বা জয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ঘন ঘন রক্তপাত হওয়া বা শরীরে সহজে কালশিটে দাগ পড়া এবং চোখে সাদা প্রতিফলন দেখা দেওয়া বা দৃষ্টিজনিত সমস্যা—এসবই রাখা হয়েছে সতর্কচিহ্নের তালিকায়। পোস্টারে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, এসব লক্ষণের যেকোনোটি দেখা দিলে যেন অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয়।

সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি সোসাইটির চিফ প্যাট্রন ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম. এ. মান্নান এবং সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. আফিকুল ইসলাম—দুজনেই যুক্ত আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের সঙ্গে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ টি এম এ রুস্তম, উপাধ্যক্ষ ডা. মো. শাহীন রেজা এবং শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. সফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অলিয়া শারমিন।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে জেনফার বাংলাদেশ লিমিটেড।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার সাফল্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এ কারণেই অভিভাবক ও শিক্ষকদের এসব লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

Share this news as a Photo Card