১০ অক্টোবর) এ হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০৯ জন। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি নাগরিক। হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
কারা নিহত হলেন
সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে নিহতদের পরিচয়ের বিবরণ দিয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১২ জনের মধ্যে সৌদি আরবের চারজন, বাংলাদেশের দুজন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
হুথিদের দাবি
হুথিদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-বুখাইতি শনিবার হামলার দায় স্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্য, ইয়েমেনে সৌদি হামলার জবাবে এ আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, সৌদি হামলায় বেসামরিক অবকাঠামোও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
আতঙ্কের মুহূর্ত
এএফপিকে এক যাত্রী জানান, হামলার সময় তিনি ৪০৩ নম্বর গেটে ছিলেন। ৪০১ নম্বর গেটে হামলা হতে দেখেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ‘নিজের চোখের সামনে আহত মানুষ দেখেছি। সবাই দৌড়াদৌড়ি করছিল।’
আহত আরেক যাত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে জানান, বিমানবন্দরের বাইরে আকাশে কিছু একটা উড়ে যেতে দেখেছিলেন তিনি। এরপরই বের হওয়ার ফটকের কাছে ছাদের একটি অংশ ধসে পড়ে। রয়টার্সের যাচাই করা একটি ভিডিওতে বিমানবন্দরে অ্যাম্বুলেন্স দেখা গেছে।
আগে থেকে সতর্কতা ছিল না
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবারের হামলার আগে কোনো সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। সৌদি আরবের হুমকি শনাক্তকরণ ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থাও কোনো সংকেত দেয়নি।
এ সপ্তাহে কিং খালেদ বিমানবন্দরে এটি তৃতীয় হামলা। এর আগের দুটি হামলায় চারজন নিহত হন। তখন রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা সৌদি আরবের একটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।
বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। ফ্লাইট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অথবা বাতিল করা হয়েছে। সেখানে ১৫৫টি আগমনী ও ১৬১টি বহির্গামী ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া মোট ২২২টি ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণে দেরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 



















