শিরোনাম :
যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের আরও একটি সোনালি দিন ‘নেতার পক্ষ ছেড়েছিল, শোধ নিতে ছেলের প্রাণটাই কেড়ে নিল’ রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ টোকিওতে কারিগরি ত্রুটিতে থেমে গেল প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট সাদমানের সেঞ্চুরি, ধস ও তাইজুলের জোড়া আঘাতে নাটকীয় দ্বিতীয় দিন হাম, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না ফাস্ট ফুডের মোহে স্বাস্থ্যহানি: শিশুদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় এখনই চাই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ রাতে মাকে ফোনে জানায় বাসায় ফিরছি, কিন্তু আর ফেরা হলো না তাহসিফের তুরাগ নদে উদ্ধার তাহসিফের মরদেহ, ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে: স্বরাষ্ট মন্ত্রী

যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং খাদ্যশস্য পরিবহনে বাধার প্রভাবে ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে। জ্বালানি, খাদ্যপণ্য ও বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত ধাতুর দাম বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সংঘাতের তীব্রতা বাড়লে এবং রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ক্ষতি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল য়ে উঠতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। এতে ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কার আশঙ্কা
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে। ২০২০ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সময় বাদ দিলে গত চার দশকের মধ্যে সরবরাহ কমার সবচেয়ে বড় ঘটনা হতে পারে এটি।

জ্বালানি সরবরাহে এমন সংকোচন পরিবহন, উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহব্যবস্থায় বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। তেলের দাম বাড়লে পণ্য পরিবহন এবং উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে এসব প্রভাবের মাত্রা নির্ভর করবে যুদ্ধের পরিস্থিতি, সরবরাহব্যবস্থার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতির ওপর।

সংস্থাটির আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এবং রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি চলতে থাকলে জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের অস্থিরতা বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা
জ্বালানির পাশাপাশি খাদ্যপণ্যের বাজারেও মূল্যবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬ সালে খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশের কিছু বেশি বাড়তে পারে। পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে দাম আরও ৭ শতাংশের বেশি বাড়লে দুই বছরে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রায় ১৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত সারের দামও চলতি বছরে ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সারের মূল্যবৃদ্ধি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে তার প্রভাব খাদ্যপণ্যের বাজারেও পড়ার আশঙ্কা থাকে।

প্রতিবেদনে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য পরিবহনে বাধা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কারণে খাদ্যশস্যের সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও বাড়তে পারে।

এ ছাড়া ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে তীব্র এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্যের দাম পূর্বাভাসের তুলনায় আরও ১২ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ার পাশাপাশি চরম দারিদ্র্য ও খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিও তীব্র হতে পারে।
শিল্পধাতু ও মূল্যবান ধাতুর দামেও প্রভাব
বিশ্ববাজারে শিল্পধাতুর দাম বৃদ্ধির পূর্বাভাসও দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সরবরাহে বিঘ্নের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং তথ্যকেন্দ্রে বিনিয়োগের চাহিদা বাড়ায় এ বছর ধাতুর দাম ২৫ শতাংশ বাড়তে পারে।

বিশেষ করে অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের দাম নতুন রেকর্ড গড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ধাতু বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হওয়ায় দাম বাড়লে সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন ব্যয়েও চাপ তৈরি হতে পারে।

ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণের মতো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত মূল্যবান ধাতুর দামও বাড়তে পারে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর মূল্যবান ধাতুর দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় বাড়তি চাপ
বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেছেন, পণ্যের বাজার একই সময়ে একাধিক বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে। জ্বালানির বাড়তি ব্যয় এবং বাণিজ্যে বিঘ্ন বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ বাড়তে পারে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি দেশকে ইতিমধ্যে ৮৭০ কোটি ডলারের স্বল্প সুদের ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে স্পষ্ট হয়েছে, সংঘাত ও সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি, খাদ্য ও শিল্পপণ্যের বাজারে চাপ বাড়তে পারে। তবে পণ্যমূল্যের প্রকৃত পরিবর্তন নির্ভর করবে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি, জ্বালানি ও খাদ্যশস্যের সরবরাহ এবং বৈশ্বিক চাহিদার ওপর।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

তুরাগ নদে উদ্ধার তাহসিফের মরদেহ, ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে: স্বরাষ্ট মন্ত্রী

২৯ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ

আপডেট সময় ০৭:১৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং খাদ্যশস্য পরিবহনে বাধার প্রভাবে ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে। জ্বালানি, খাদ্যপণ্য ও বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত ধাতুর দাম বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সংঘাতের তীব্রতা বাড়লে এবং রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ক্ষতি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল য়ে উঠতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। এতে ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কার আশঙ্কা
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে। ২০২০ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সময় বাদ দিলে গত চার দশকের মধ্যে সরবরাহ কমার সবচেয়ে বড় ঘটনা হতে পারে এটি।

জ্বালানি সরবরাহে এমন সংকোচন পরিবহন, উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহব্যবস্থায় বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। তেলের দাম বাড়লে পণ্য পরিবহন এবং উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে এসব প্রভাবের মাত্রা নির্ভর করবে যুদ্ধের পরিস্থিতি, সরবরাহব্যবস্থার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতির ওপর।

সংস্থাটির আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এবং রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি চলতে থাকলে জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের অস্থিরতা বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা
জ্বালানির পাশাপাশি খাদ্যপণ্যের বাজারেও মূল্যবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬ সালে খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশের কিছু বেশি বাড়তে পারে। পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে দাম আরও ৭ শতাংশের বেশি বাড়লে দুই বছরে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রায় ১৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত সারের দামও চলতি বছরে ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সারের মূল্যবৃদ্ধি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে তার প্রভাব খাদ্যপণ্যের বাজারেও পড়ার আশঙ্কা থাকে।

প্রতিবেদনে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য পরিবহনে বাধা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কারণে খাদ্যশস্যের সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও বাড়তে পারে।

এ ছাড়া ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে তীব্র এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্যের দাম পূর্বাভাসের তুলনায় আরও ১২ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ার পাশাপাশি চরম দারিদ্র্য ও খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিও তীব্র হতে পারে।
শিল্পধাতু ও মূল্যবান ধাতুর দামেও প্রভাব
বিশ্ববাজারে শিল্পধাতুর দাম বৃদ্ধির পূর্বাভাসও দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সরবরাহে বিঘ্নের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং তথ্যকেন্দ্রে বিনিয়োগের চাহিদা বাড়ায় এ বছর ধাতুর দাম ২৫ শতাংশ বাড়তে পারে।

বিশেষ করে অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের দাম নতুন রেকর্ড গড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ধাতু বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হওয়ায় দাম বাড়লে সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন ব্যয়েও চাপ তৈরি হতে পারে।

ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণের মতো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত মূল্যবান ধাতুর দামও বাড়তে পারে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর মূল্যবান ধাতুর দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় বাড়তি চাপ
বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেছেন, পণ্যের বাজার একই সময়ে একাধিক বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে। জ্বালানির বাড়তি ব্যয় এবং বাণিজ্যে বিঘ্ন বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ বাড়তে পারে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি দেশকে ইতিমধ্যে ৮৭০ কোটি ডলারের স্বল্প সুদের ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে স্পষ্ট হয়েছে, সংঘাত ও সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি, খাদ্য ও শিল্পপণ্যের বাজারে চাপ বাড়তে পারে। তবে পণ্যমূল্যের প্রকৃত পরিবর্তন নির্ভর করবে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি, জ্বালানি ও খাদ্যশস্যের সরবরাহ এবং বৈশ্বিক চাহিদার ওপর।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক

Share this news as a Photo Card