শিরোনাম :
শিশুদের শিক্ষার মান বাড়াতে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক অভিষেকের বাড়িতে রাত ২টায় সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, উড়িয়ে দিল বিজেপি গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা, মিলবে মোবাইল ভাতাও ট্রাকের চাপায় বাবা মা সহ নিহত আট মাসের শিশু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একাই লড়ছেন তাওহীদ হৃদয়, ১৫৪ রানে অপরাজিত সবার আগে বাংলাদেশ: ৭ নভেম্বরের অঙ্গীকারে জাতীয় ঐক্যের ডাক প্রধানমন্ত্রীর ‘উই ওয়্যার হিয়ার’: এআইয়ের বিরুদ্ধে মাইক্রোওয়েভ ইরানের পারমাণবিক তথ্যে ২ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের ১২ সফটওয়্যার তৈরিতে খরচ ৮০ কোটি টাকা, কাজে লাগছে কতটা? ৭ নভেম্বরের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে স্মরণ

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে প্রেরণ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক-বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে তিন অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আগামী ২০ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৭টার দিকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

শুনানির পূর্বে সেনা কর্মকর্তাদের আইনজীবী জামিন আবেদন, বিচার চলাকালে সেনানিবাসের ভেতর সাময়িক কারাগারে রাখা, অনলাইনে শুনানির আবেদন ও করা হয়। তবে এসব আবেদেন রেজিস্ট্রার বরাবর জমা দিয়ে পরবর্তীতে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ওপর শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুন ও জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় সাবেক-বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৩২ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন ধার্য ছিল। আর অন্যটি দায়ের হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। আজ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় করা দুটি মামলার একটিতে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন, র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে. এম. আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (বর্তমানে অবসরকালীন ছুটিতে আছেন)।

এ ছাড়া র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন।

এই মামলার আসামিদের মধ্যে র‍্যাবের সাবেক তিনজন মহাপরিচালকও আছেন। তারা হলেন বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশিদ হোসেন ও মো. হারুন-অর-রশিদ। তারা পলাতক। এ ছাড়া মামলার আসামি শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা আরেক মামলায় শেখ হাসিনা, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক- মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী- বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন।

এই মামলায় আরও আসামি করা হয়েছে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালককে। তারা হলেন- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক। এ ছাড়া ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হকও এই মামলার আসামি। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অফিসাররা সজ্ঞানে গুম-খুন করেছেন : নাবিলা ইদ্রিস

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আ্যাম্বুলেন্স উল্টে সাতজন আহত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

৭ নভেম্বরের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে স্মরণ

০৭ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে প্রেরণ

আপডেট সময় ১২:২১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক-বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে তিন অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আগামী ২০ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৭টার দিকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

শুনানির পূর্বে সেনা কর্মকর্তাদের আইনজীবী জামিন আবেদন, বিচার চলাকালে সেনানিবাসের ভেতর সাময়িক কারাগারে রাখা, অনলাইনে শুনানির আবেদন ও করা হয়। তবে এসব আবেদেন রেজিস্ট্রার বরাবর জমা দিয়ে পরবর্তীতে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ওপর শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুন ও জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় সাবেক-বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৩২ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন ধার্য ছিল। আর অন্যটি দায়ের হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। আজ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় করা দুটি মামলার একটিতে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন, র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে. এম. আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (বর্তমানে অবসরকালীন ছুটিতে আছেন)।

এ ছাড়া র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন।

এই মামলার আসামিদের মধ্যে র‍্যাবের সাবেক তিনজন মহাপরিচালকও আছেন। তারা হলেন বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশিদ হোসেন ও মো. হারুন-অর-রশিদ। তারা পলাতক। এ ছাড়া মামলার আসামি শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা আরেক মামলায় শেখ হাসিনা, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক- মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী- বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন।

এই মামলায় আরও আসামি করা হয়েছে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালককে। তারা হলেন- লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক। এ ছাড়া ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হকও এই মামলার আসামি। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অফিসাররা সজ্ঞানে গুম-খুন করেছেন : নাবিলা ইদ্রিস

Share this news as a Photo Card