শিরোনাম :
বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও প্রযুক্তিতে জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে ‘মহব্বত’-এ শাকিব খানের নায়িকা কি পাকিস্তানের কিনজা হাশমি ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা বড় ধরনের যুদ্ধে বিদ্যুৎ ছাড়াই ৯০ দিন টিকবে মার্কিন ঘাঁটি মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে তাকাইচি মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ সরকারের, মিলবে পাঁচ হাজার টাকায় ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ মৃত্যু, হামে ঝরল ৭ শিশুর প্রাণ দুই দিন পিছিয়ে শনিবার প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের ফল

রাজধানীতে রিকশা চলবে এখন থেকে আট জোনে ভাগ হয়ে

রাজধানীর সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার বেপরোয়া চলাচল থামাতে সরকার নতুন এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী গোটা ঢাকা শহরকে আটটি ভাগে বা জোনে ভাগ করে, প্রতিটি জোনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট রিকশাগুলোকে চলাচল করতে হবে।

নতুন নিয়মে প্রতিটি জোনের রিকশার রং হবে আলাদা, আর প্রতিটি রিকশায় বসানো হবে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা। একটি নির্দিষ্ট জোনে নিবন্ধিত রিকশা অন্য কোনো জোনে ঢুকতে পারবে না। এতে করে নির্ধারিত সীমানার বাইরে চলাচলকারী কিংবা অনিবন্ধিত রিকশা খুব সহজেই চিহ্নিত করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং দুই সিটি করপোরেশন একসঙ্গে কাজ করছে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, এলাকাভিত্তিক জরিপ চালিয়ে জোন চূড়ান্ত করার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তার ভাষ্যে, প্রতিটি রিকশায় স্থায়ীভাবে বসানো কিউআর কোড স্ক্যান করলেই চালক ও মালিকের যাবতীয় তথ্য মুহূর্তেই জানা যাবে, আর কোনো রিকশা নিজের জোনের বাইরে গেলেই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা একেবারে বন্ধ করার পরিকল্পনা সরকারের নেই, বরং একে নিয়মের মধ্যে আনাই লক্ষ্য। প্রতিটি জোনে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। চালকদের জীবিকা যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে বলে জানান তিনি, তবে সড়ক নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেন।
পরিকল্পনার আরেকটি দিক হলো ব্যাটারি চার্জিং পদ্ধতি বদলে ফেলা। বাসাবাড়ি বা বাণিজ্যিক সংযোগ থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে চার্জ দেওয়ার বদলে সোলার চার্জিং স্টেশন গড়ে তোলার চিন্তা চলছে, যা নিয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও আলোচনা এগোচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে উদ্যোগটি ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়ন হবে বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষত জোনের সীমানায় কড়া নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীও দ্রুত নীতিমালা তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে নামমাত্র ফিতে লাইসেন্স দিয়ে সরকারের রাজস্বও বাড়ে, সড়কেও শৃঙ্খলা ফেরে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও প্রযুক্তিতে জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

দুই দিন পিছিয়ে শনিবার প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের ফল

২৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রাজধানীতে রিকশা চলবে এখন থেকে আট জোনে ভাগ হয়ে

আপডেট সময় ০১:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার বেপরোয়া চলাচল থামাতে সরকার নতুন এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী গোটা ঢাকা শহরকে আটটি ভাগে বা জোনে ভাগ করে, প্রতিটি জোনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট রিকশাগুলোকে চলাচল করতে হবে।

নতুন নিয়মে প্রতিটি জোনের রিকশার রং হবে আলাদা, আর প্রতিটি রিকশায় বসানো হবে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা। একটি নির্দিষ্ট জোনে নিবন্ধিত রিকশা অন্য কোনো জোনে ঢুকতে পারবে না। এতে করে নির্ধারিত সীমানার বাইরে চলাচলকারী কিংবা অনিবন্ধিত রিকশা খুব সহজেই চিহ্নিত করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং দুই সিটি করপোরেশন একসঙ্গে কাজ করছে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, এলাকাভিত্তিক জরিপ চালিয়ে জোন চূড়ান্ত করার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তার ভাষ্যে, প্রতিটি রিকশায় স্থায়ীভাবে বসানো কিউআর কোড স্ক্যান করলেই চালক ও মালিকের যাবতীয় তথ্য মুহূর্তেই জানা যাবে, আর কোনো রিকশা নিজের জোনের বাইরে গেলেই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা একেবারে বন্ধ করার পরিকল্পনা সরকারের নেই, বরং একে নিয়মের মধ্যে আনাই লক্ষ্য। প্রতিটি জোনে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। চালকদের জীবিকা যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে বলে জানান তিনি, তবে সড়ক নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেন।
পরিকল্পনার আরেকটি দিক হলো ব্যাটারি চার্জিং পদ্ধতি বদলে ফেলা। বাসাবাড়ি বা বাণিজ্যিক সংযোগ থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে চার্জ দেওয়ার বদলে সোলার চার্জিং স্টেশন গড়ে তোলার চিন্তা চলছে, যা নিয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও আলোচনা এগোচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে উদ্যোগটি ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়ন হবে বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষত জোনের সীমানায় কড়া নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীও দ্রুত নীতিমালা তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে নামমাত্র ফিতে লাইসেন্স দিয়ে সরকারের রাজস্বও বাড়ে, সড়কেও শৃঙ্খলা ফেরে।

Share this news as a Photo Card