শিরোনাম :
মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরাও এনআইডি সেবার আওতায় আসবে: ইসি টং দোকান থেকে ক্যাসিনো সম্রাট রুবেল শত কোটি টাকার মালিক! ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য পরীমণিকে লিগ্যাল নোটিশ, অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা শীতের আমেজে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল ঘিরে জাপানি শর্তে বিতর্ক, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা শেখ হাসিনার বিষয়ে আবেগ নয়, আইনই প্রয়োগ হবে: আইনমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিকল্প গাদি আইজেনকোট: সেনাপ্রধান থেকে সরকার গঠনের দৌড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন

মোংলায় মহান বিজয় দিবসে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজে দর্শনার্থীদের ভীড়

যথাযোগ্য মর্যাদা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে নৌবাহিনী । এ উপলক্ষে নৌবাহিনীর  একটি যুদ্ধ জাহাজ জনসাধারণ ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস। প্রতি বছর এ দিনটি বাঙালি জাতি বিশেষভাবে পালন করে থাকে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে বাঙালি জাতির নিকট আত্মসমর্পণ করে, ফলে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
তাই প্রতি বছর বাংলাদেশে নৌবাহিনী  দিবসটি যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালন করেছে। সে উপলক্ষে মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটিতে  নৌবাহিনীর ‘বানৌজা তুরাগ’   দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে নৌবাহিনী
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার  দুপুর ২টা থেকে জাহাজটি পরিদর্শন করতে মোংলা ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে ভিড় করে বিপুল  সংখ্যক শিশু, কিশোর, নারী-পুরুষ এসে পরিদর্শন করে যুদ্বের জাহাজটি  । এতে করে সাধারণ মানুষের নৌবাহিনীর জাহাজ ঘুরে দেখা এবং জাহাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।
মোংলা দিগরাজ নৌ ঘাঁটির বানৌজা তুরাগ’ জাহাজের অধিনায়ক কমান্ডার ফয়সাল আহমেদ জানান, জনসাধারণকে যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল থাকে  এবং তাদের  বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন  জাহাজের  দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
 জাহাজগুলো যুদ্ধকালীন সময় কি ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুধ ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ব্যবহারের কলাকৌশল দেখানো হয় দর্শনার্থীদের বলে জানান তিনি।
এছাড়া নৌবাহিনী  সমুদ্রে গমন, উপকূলীয় অঞ্চলে টহল প্রদান, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কর্মকাণ্ড, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং যুদ্ধ কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরে সকলেই খুশি মনে বাড়ি ফিরে এবং জনসাধারণের মাঝে বাংলাদেশ নৌবাহিনী  সম্পর্কে ইতিবাচক দিক প্রকাশ করেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মোংলায় মহান বিজয় দিবসে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজে দর্শনার্থীদের ভীড়

আপডেট সময় ১১:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
যথাযোগ্য মর্যাদা আর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে নৌবাহিনী । এ উপলক্ষে নৌবাহিনীর  একটি যুদ্ধ জাহাজ জনসাধারণ ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস। প্রতি বছর এ দিনটি বাঙালি জাতি বিশেষভাবে পালন করে থাকে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে বাঙালি জাতির নিকট আত্মসমর্পণ করে, ফলে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
তাই প্রতি বছর বাংলাদেশে নৌবাহিনী  দিবসটি যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালন করেছে। সে উপলক্ষে মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটিতে  নৌবাহিনীর ‘বানৌজা তুরাগ’   দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে নৌবাহিনী
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার  দুপুর ২টা থেকে জাহাজটি পরিদর্শন করতে মোংলা ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে ভিড় করে বিপুল  সংখ্যক শিশু, কিশোর, নারী-পুরুষ এসে পরিদর্শন করে যুদ্বের জাহাজটি  । এতে করে সাধারণ মানুষের নৌবাহিনীর জাহাজ ঘুরে দেখা এবং জাহাজের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।
মোংলা দিগরাজ নৌ ঘাঁটির বানৌজা তুরাগ’ জাহাজের অধিনায়ক কমান্ডার ফয়সাল আহমেদ জানান, জনসাধারণকে যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল থাকে  এবং তাদের  বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন  জাহাজের  দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
 জাহাজগুলো যুদ্ধকালীন সময় কি ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুধ ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ব্যবহারের কলাকৌশল দেখানো হয় দর্শনার্থীদের বলে জানান তিনি।
এছাড়া নৌবাহিনী  সমুদ্রে গমন, উপকূলীয় অঞ্চলে টহল প্রদান, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কর্মকাণ্ড, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং যুদ্ধ কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরে সকলেই খুশি মনে বাড়ি ফিরে এবং জনসাধারণের মাঝে বাংলাদেশ নৌবাহিনী  সম্পর্কে ইতিবাচক দিক প্রকাশ করেন।

Share this news as a Photo Card