শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন ওপেনিংয়ে ওলটপালট, শেষ বিকেলে হৃদয়-মুশফিকের প্রতিরোধ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি আস্থা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ-ভারত

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন। তিব্বতে ১৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বেইজিং প্রশাসন। বিশাল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্যাপক প্রভাব পড়বে ভাটির দেশ ভারত-বাংলাদেশে।

২০২০ সালের শেষদিকে তিব্বতীয় মালভূমিতে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা দেয় চীন। ওই অঞ্চলের সর্বোচ্চ ও চীনের ৫ম বৃহত্তম ইয়ারলুং জাংপো নদের ভাটিতে বাঁধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং প্রশাসন। ভারত সরকারের আপত্তি উপেক্ষা করে এবার বাঁধ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিলো চীনা সরকার।

বলা হচ্ছে, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়েও তিনগুণ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে চীনের নতুন এই প্রকল্প থেকে। বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে প্রায় ৩০ হাজার কোটি কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টা। ব্যয়ের দিক থেকেও এটি থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিব্বতীয় মালভূমিতে চীনের এমন উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভারত-বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ।

তিব্বত ছাড়াও চীন, ভারত, ভূটান এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নিম্নমুখে প্রবাহিত হয় ইয়ারলুং জাংপো নদ। যা ব্রহ্মপুত্র নামে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম হয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশে। বৃহৎ এই নদীর নিম্নভাগে বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভাটির দেশগুলোতে। শঙ্কা- বাঁধটির কারণে, পাল্টে যেতে পারে নদের নিম্নভাগের পানিপ্রবাহ এবং গতিপথ। যাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে ভারত ও বাংলাদেশে।

ধারণা করা হচ্ছে, বাঁধটি নির্মাণের ফলে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বহু মানুষ। এমন কি ঝুঁকিতে পড়তে পারে তিব্বতের নিম্নভাগের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায়।

এরইমধ্যে, ইয়ারলুং জাংপো নদের উপরিভাগে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে চীন। ভবিষ্যতেও নদীটি ঘিরে আরও পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছে শি জিনপিং প্রশাসন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ-ভারত

আপডেট সময় ১০:৫২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন। তিব্বতে ১৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বেইজিং প্রশাসন। বিশাল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্যাপক প্রভাব পড়বে ভাটির দেশ ভারত-বাংলাদেশে।

২০২০ সালের শেষদিকে তিব্বতীয় মালভূমিতে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা দেয় চীন। ওই অঞ্চলের সর্বোচ্চ ও চীনের ৫ম বৃহত্তম ইয়ারলুং জাংপো নদের ভাটিতে বাঁধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং প্রশাসন। ভারত সরকারের আপত্তি উপেক্ষা করে এবার বাঁধ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিলো চীনা সরকার।

বলা হচ্ছে, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়েও তিনগুণ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে চীনের নতুন এই প্রকল্প থেকে। বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে প্রায় ৩০ হাজার কোটি কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টা। ব্যয়ের দিক থেকেও এটি থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিব্বতীয় মালভূমিতে চীনের এমন উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভারত-বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ।

তিব্বত ছাড়াও চীন, ভারত, ভূটান এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নিম্নমুখে প্রবাহিত হয় ইয়ারলুং জাংপো নদ। যা ব্রহ্মপুত্র নামে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম হয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশে। বৃহৎ এই নদীর নিম্নভাগে বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভাটির দেশগুলোতে। শঙ্কা- বাঁধটির কারণে, পাল্টে যেতে পারে নদের নিম্নভাগের পানিপ্রবাহ এবং গতিপথ। যাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে ভারত ও বাংলাদেশে।

ধারণা করা হচ্ছে, বাঁধটি নির্মাণের ফলে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বহু মানুষ। এমন কি ঝুঁকিতে পড়তে পারে তিব্বতের নিম্নভাগের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায়।

এরইমধ্যে, ইয়ারলুং জাংপো নদের উপরিভাগে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে চীন। ভবিষ্যতেও নদীটি ঘিরে আরও পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছে শি জিনপিং প্রশাসন।

Share this news as a Photo Card