শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন ওপেনিংয়ে ওলটপালট, শেষ বিকেলে হৃদয়-মুশফিকের প্রতিরোধ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি আস্থা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আলোচনায়

পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তাই ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টি খুঁজছে একজন নতুন নেতৃত্ব। বেশ কিছু জনপ্রিয় মুখ প্রথম সারিতে আছেন যারা ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন। আর তার মধ্যেই আছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দের নাম। যিনি বর্তমানে ট্রুডোর মন্ত্রিসভার পরিবহণ মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন।

আজ (৮ জানুয়ারি) বুধবার এনডিটিভি’র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকার পরিকল্পনা করেছেন ট্রুডো। তাই এই মুহুর্তে তার দলের শীর্ঘ্রই একজন যোগ্য নেতার প্রয়োজন। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে অনেকের মধ্যে উজ্জ্বল মুখ হিসেবে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দ।

অনিতা আনন্দ তার কর্মজীবনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ২০১৯ সালে ওকভিলের সংসদ সদস্য হিসাবে প্রথম নির্বাচিত, তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাবলিক সার্ভিসেস এবং প্রকিউরমেন্ট মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ট্রেজারি বোর্ডের সভাপতি এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে তার মেয়াদকালে, আনন্দ সেনাবাহিনীর মধ্যে যৌন অসদাচরণ মোকাবেলায় সংস্কার বাস্তবায়ন করেছিলেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, তিনি ট্রেজারি বোর্ডের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখে পরিবহন মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

তার বাবা-মা দুজনেই চিকিৎসক ছিলেন। যদিও তার বাবার পরিবার তামিলনাড়ুর চেন্নাই থেকে। আর তার মা পাঞ্জাবের একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ তাঁর মা হলেন পাঞ্জাবী এবং বাবা হলেন তামিল। তাঁদের জ্যেষ্ট কন্যা অনিতা আনন্দ। তিনি একজন পণ্ডিত, আইনজীবী এবং গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন।

আগামী ২৪ মার্চ পার্লামেন্ট পুনরায় শুরু হওয়ার আগে লিবারালদের একটি নতুন নেতা নির্বাচন করতে হবে। কারণ তিনটি বিরোধী দলই বলে যে তারা প্রথম সুযোগে অনাস্থা ভোটে লিবারেল সরকারকে ফেলে দেবে, আর তারপরই নির্বাচন হবে। নতুন মুখ হয়তো বেশিদিন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না। তবে তারপরই নতুন করে নির্বাচন হলে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষে যাবে সেই রায়।

ট্রুডো কেন হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন? কে হতে যাচ্ছে তার উত্তরসূরি?

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আলোচনায়

আপডেট সময় ১২:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তাই ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টি খুঁজছে একজন নতুন নেতৃত্ব। বেশ কিছু জনপ্রিয় মুখ প্রথম সারিতে আছেন যারা ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন। আর তার মধ্যেই আছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দের নাম। যিনি বর্তমানে ট্রুডোর মন্ত্রিসভার পরিবহণ মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন।

আজ (৮ জানুয়ারি) বুধবার এনডিটিভি’র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকার পরিকল্পনা করেছেন ট্রুডো। তাই এই মুহুর্তে তার দলের শীর্ঘ্রই একজন যোগ্য নেতার প্রয়োজন। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে অনেকের মধ্যে উজ্জ্বল মুখ হিসেবে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দ।

অনিতা আনন্দ তার কর্মজীবনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ২০১৯ সালে ওকভিলের সংসদ সদস্য হিসাবে প্রথম নির্বাচিত, তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাবলিক সার্ভিসেস এবং প্রকিউরমেন্ট মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ট্রেজারি বোর্ডের সভাপতি এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে তার মেয়াদকালে, আনন্দ সেনাবাহিনীর মধ্যে যৌন অসদাচরণ মোকাবেলায় সংস্কার বাস্তবায়ন করেছিলেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, তিনি ট্রেজারি বোর্ডের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখে পরিবহন মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

তার বাবা-মা দুজনেই চিকিৎসক ছিলেন। যদিও তার বাবার পরিবার তামিলনাড়ুর চেন্নাই থেকে। আর তার মা পাঞ্জাবের একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ তাঁর মা হলেন পাঞ্জাবী এবং বাবা হলেন তামিল। তাঁদের জ্যেষ্ট কন্যা অনিতা আনন্দ। তিনি একজন পণ্ডিত, আইনজীবী এবং গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন।

আগামী ২৪ মার্চ পার্লামেন্ট পুনরায় শুরু হওয়ার আগে লিবারালদের একটি নতুন নেতা নির্বাচন করতে হবে। কারণ তিনটি বিরোধী দলই বলে যে তারা প্রথম সুযোগে অনাস্থা ভোটে লিবারেল সরকারকে ফেলে দেবে, আর তারপরই নির্বাচন হবে। নতুন মুখ হয়তো বেশিদিন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না। তবে তারপরই নতুন করে নির্বাচন হলে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষে যাবে সেই রায়।

ট্রুডো কেন হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন? কে হতে যাচ্ছে তার উত্তরসূরি?

Share this news as a Photo Card