শিরোনাম :
৭ নভেম্বরের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে স্মরণ ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন ওপেনিংয়ে ওলটপালট, শেষ বিকেলে হৃদয়-মুশফিকের প্রতিরোধ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি আস্থা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান

মোংলা-খুলনা রেল চালু হলেও সুফল পাচ্ছেনা এ অঞ্চলের জনগণ

মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘ দিনের দাবী ছিল মোংলা বন্দরের সাথে সারা দেশে রেল যোগাযোগ চালু করা। তাই বন্দর সৃষ্টির ৭৩ বছর পর মোংলা-খুলনা রেল যোগাযোগ শুরু হয়। কিন্ত সরকারের গ্রহন করা রেল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না মোংলা বন্দর সহ এসকল অঞ্চলের জনসাধারনের। 
তৎকালীন  সরকারের মুল উদ্দোশ্য ছিল, দক্ষিনাঞ্চলের সাথে রেল যোগাযোগ চালু হলে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি মোংলা বন্দরে আমদানী-রফতানিকৃত পন্যও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা হবে।
এতে পন্য পরিবহনে নিরাপত্তা, সময় ও অর্থ তিন দিকেই সাশ্রয় হবে ব্যবসায়ীদের। ফলে ব্যাবসায়ীরা যেমন লাভবান হবে, বন্দরেরও বাড়বে রাজস্ব।  সে জন্য চার হাজার ২৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় খুলনা-মোংলা রেল লাইন।
গত ২০২৪ সালের ১ জুন মোংলা-খুলনা রেল লাইন চালু হলেও এতে সুফল পাচ্ছেনা মোংলা বন্দর সহ এ অঞ্চলের জনগণ। চলছে মাত্র  যাত্রীবাহী একটি ট্রেন। বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন হচ্ছে না। রেল চালুর প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও মাত্র দুইটি জাহাজের আমদানীকৃত কিছু পন্য পরিবহন করা হয়েছে এ রেল পথে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের  উপ পরিচালক ( বোর্ড  ও জনসংযোগ বিভাগ) মোঃ মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দর এখন সম্পুর্ন সচল। পন্য পরিবহনে নৌ-পথ ও সড়ক পথ চালু রয়েছে। এখন রেল পথ দিয়ে পুরোপুরি পন্য পরিবহনের জন্য ব্যাবসায়ীদের নিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ নভেম্বরের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে স্মরণ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মোংলা-খুলনা রেল চালু হলেও সুফল পাচ্ছেনা এ অঞ্চলের জনগণ

আপডেট সময় ০৯:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘ দিনের দাবী ছিল মোংলা বন্দরের সাথে সারা দেশে রেল যোগাযোগ চালু করা। তাই বন্দর সৃষ্টির ৭৩ বছর পর মোংলা-খুলনা রেল যোগাযোগ শুরু হয়। কিন্ত সরকারের গ্রহন করা রেল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না মোংলা বন্দর সহ এসকল অঞ্চলের জনসাধারনের। 
তৎকালীন  সরকারের মুল উদ্দোশ্য ছিল, দক্ষিনাঞ্চলের সাথে রেল যোগাযোগ চালু হলে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি মোংলা বন্দরে আমদানী-রফতানিকৃত পন্যও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা হবে।
এতে পন্য পরিবহনে নিরাপত্তা, সময় ও অর্থ তিন দিকেই সাশ্রয় হবে ব্যবসায়ীদের। ফলে ব্যাবসায়ীরা যেমন লাভবান হবে, বন্দরেরও বাড়বে রাজস্ব।  সে জন্য চার হাজার ২৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় খুলনা-মোংলা রেল লাইন।
গত ২০২৪ সালের ১ জুন মোংলা-খুলনা রেল লাইন চালু হলেও এতে সুফল পাচ্ছেনা মোংলা বন্দর সহ এ অঞ্চলের জনগণ। চলছে মাত্র  যাত্রীবাহী একটি ট্রেন। বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন হচ্ছে না। রেল চালুর প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও মাত্র দুইটি জাহাজের আমদানীকৃত কিছু পন্য পরিবহন করা হয়েছে এ রেল পথে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের  উপ পরিচালক ( বোর্ড  ও জনসংযোগ বিভাগ) মোঃ মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দর এখন সম্পুর্ন সচল। পন্য পরিবহনে নৌ-পথ ও সড়ক পথ চালু রয়েছে। এখন রেল পথ দিয়ে পুরোপুরি পন্য পরিবহনের জন্য ব্যাবসায়ীদের নিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

Share this news as a Photo Card