শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন ওপেনিংয়ে ওলটপালট, শেষ বিকেলে হৃদয়-মুশফিকের প্রতিরোধ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি আস্থা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

যেভাবে খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে সিআইএ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক টাইমস রোববার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন—মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে যৌথভাবে হামলা চালায় এবং সেই হামলায় খামেনি নিহত হন।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের’ অঙ্গীকার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো এই হামলায় রাজধানী তেহরানে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাটি গত কয়েক মাস ধরে খামেনির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল। তারা জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নেতাদের একটি কম্পাউন্ডে শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে খামেনির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব মূলত রাতে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সিআইএ-র গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনেন। যুক্তরাষ্ট্র এই তথ্য ইসরায়েলকে সরবরাহ করে, যারা ইরানের নেতৃত্বের ওপর হামলার মূল পরিকল্পনাটি তৈরি করেছিল।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইসরায়েলি সময় ভোর প্রায় ৬টার দিকে (গ্রিনিচ মান সময়য় ০৪:০০) অভিযান শুরু হয় এবং সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ওই কম্পাউন্ডে আঘাত হানে। কম্পাউন্ডের একটি ভবনে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা ছিলেন এবং খামেনি ছিলেন পাশের আরেকটি ভবনে।

ইরানের বিচার বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে, খামেনি ছাড়াও এই বোমা হামলায় ইরানের দুই শীর্ষ সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপৌর এবং শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী শামখানি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পর ইরান প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটির কাছে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যতদিন প্রয়োজন ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

যেভাবে খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে সিআইএ

আপডেট সময় ০৭:১০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক টাইমস রোববার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন—মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে যৌথভাবে হামলা চালায় এবং সেই হামলায় খামেনি নিহত হন।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের’ অঙ্গীকার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো এই হামলায় রাজধানী তেহরানে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাটি গত কয়েক মাস ধরে খামেনির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল। তারা জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নেতাদের একটি কম্পাউন্ডে শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে খামেনির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব মূলত রাতে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সিআইএ-র গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনেন। যুক্তরাষ্ট্র এই তথ্য ইসরায়েলকে সরবরাহ করে, যারা ইরানের নেতৃত্বের ওপর হামলার মূল পরিকল্পনাটি তৈরি করেছিল।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইসরায়েলি সময় ভোর প্রায় ৬টার দিকে (গ্রিনিচ মান সময়য় ০৪:০০) অভিযান শুরু হয় এবং সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ওই কম্পাউন্ডে আঘাত হানে। কম্পাউন্ডের একটি ভবনে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা ছিলেন এবং খামেনি ছিলেন পাশের আরেকটি ভবনে।

ইরানের বিচার বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে, খামেনি ছাড়াও এই বোমা হামলায় ইরানের দুই শীর্ষ সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপৌর এবং শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী শামখানি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পর ইরান প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি এবং অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটির কাছে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যতদিন প্রয়োজন ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে।

Share this news as a Photo Card