মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দ্বীনি মশাল জ্বালানোর জন্য, এখানে মুজিববাদ কিংবা মওদুদীবাদের কোনো স্থান নেই। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর এ কথা বলেছেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ফটিকছড়ির নাজিরহাটে জামিয়া মিল্লিয়া আহমদিয়া কামিল (এমএ) মাদ্রাসায় আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। পবিত্র ফাতেহা-এ ইয়াজদাহুম উদযাপন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের দেওয়া একটি একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যে সরোয়ার আলমগীর বলেন, কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জাতি ও জীবন গঠনের লক্ষ্যেই এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এখানে মুজিববাদ ও মওদুদীবাদ চলবে না।
নিজের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পরও চার মাস তাঁর শপথ আটকে রেখে দুটি উপজেলাকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, তখন জামায়াত বলেছিল, পাঁচ লাখ ভোট পেলেও তিনি সংসদ সদস্য হতে পারবেন না। সরোয়ার আলমগীর বলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি ভোট পেয়েছেন, সব ষড়যন্ত্র রুখে শপথ নিয়েছেন এবং এখন ফটিকছড়ির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আল্লামা কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা জয়নাল আবেদীন জাবেদ। উদ্বোধক ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ খোরশিদ আলম। মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা গাজী মুহাম্মদ শফিউল আলম নেজামী ও আল্লামা গাজী আবুল কালাম বয়ানী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আহমদ হোসেন তালুকদার, নাজিম উদ্দীন শাহীন, নাছির উদ্দীন চৌধুরী, শাহ নেওয়াজ সেবুল, নুরুল আলম, মো. মোহাম্মদ সোলেমান, বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুল মালেক ওবায়দুল হক, শাহ জামাল, মাওলানা আব্দুস সালাম, মো. সোয়েব চৌধুরী, জসীম উদ্দীন, মোহাম্মদ আজিজুল হক ও ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















