শিরোনাম :
হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস-নূরজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশ অপেক্ষমান সৌদি সফরের আমন্ত্রণ পেলেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান কি বদলেছে? পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, ঢাকা-রাজশাহী-খুলনা রেঞ্জে নতুন ডিআইজি আগামী ৭২ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা, কয়েকটি জেলার নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে খামেনির শোকানুষ্ঠানে ৭০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব কি কারণে শুভশ্রীর আবেগঘন বার্তা সরকারি ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিষিদ্ধ শাহজাদপুরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে নারীর বাড়িতে ভাঙচুর, আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান পুলিশের ‘জুলাই চেতনা’ নিয়ে ব্যবসা কাম্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস-নূরজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশ অপেক্ষমান

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস-নূরজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদালতের আদেশ অপেক্ষমাণ
ঢাকায় হামের সংক্রমণে মারা যাওয়া এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সময়মতো হামের টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত না করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে অবহেলার কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং এর সত্যতা আদালতের মাধ্যমে যাচাই হয়নি।
রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার আবেদন করেন শরীয়তপুরের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম। তিনি হামে মারা যাওয়া নয় মাস বয়সী শিশু সাউদা মুসকানের বাবা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি সাংবাদিকদের জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন এবং আবেদনটির ওপর আদেশ পরে দেওয়া হবে। ফলে মামলাটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মামলার আবেদনে চারজনকে আসামি করার আবেদন জানানো হয়েছে। তারা হলেন—
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর
সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
বাদীর দাবি, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা এসব ব্যক্তির অবহেলা ও যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার ফলেই টিকা সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
কী বলা হয়েছে মামলার আবেদনে?
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে এবং মার্চের শুরুতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার নয় মাস বয়সী সাউদা মুসকান হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করানো হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।
পরবর্তীতে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে, পরে তাকে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অব্যবস্থাপনা ছিল। শিশুটির মা’র হাতে অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে নিজেই শিশুর মুখে অক্সিজেন লাগাতে বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তিনি তা করতে না পারলে একজন সুইপার শিশুর মুখে অক্সিজেন লাগিয়ে দেন। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর শিশুটি মারা যায় বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়নি।
টিকা সংকটের অভিযোগ
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় হামের টিকা সময়মতো সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি। পাশাপাশি টিকা ক্রয় এবং বিতরণে অবহেলা ও সমন্বয়হীনতার কারণে দেশে ব্যাপকভাবে হাম ছড়িয়ে পড়ে।
বাদীর দাবি, এসব কারণে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং সেই মৃত্যুর দায় রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এড়াতে পারেন না।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করলেও অভিযুক্তরা হাম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। ফলে অবহেলার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
আদালতের বর্তমান অবস্থান
আদালত এখনো মামলাটি গ্রহণ বা খারিজ—কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। বিচারক বাদীর বক্তব্য শুনে আবেদনটি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় কোনো অভিযোগ আদালতে দাখিল হওয়া মানেই সেটি প্রমাণিত নয়। আদালত অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা, আইনগত ভিত্তি এবং উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
এর আগেও হয়েছিল একই ধরনের আবেদন
এটি প্রথম নয়। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে একাধিক মামলার আবেদন করা হয়েছিল।
তবে সেসব আবেদন আদালত খারিজ করে দেন। বর্তমান আবেদনটির ক্ষেত্রেও আদালত এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি।
স্বাস্থ্যখাত নিয়ে নতুন বিতর্ক
হামের টিকা সরবরাহ, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এ মামলার আবেদন সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তবে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন সংবেদনশীল ঘটনায় আদালতের সিদ্ধান্তই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য এবং প্রমাণ—সবকিছু বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই যাচাই হবে।
বর্তমানে মামলার আবেদনটি আদালতের বিবেচনায় রয়েছে। আদালতের আদেশের পরই পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোবে, তা স্পষ্ট হবে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস-নূরজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশ অপেক্ষমান

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

‘জুলাই চেতনা’ নিয়ে ব্যবসা কাম্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

০৪ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস-নূরজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশ অপেক্ষমান

আপডেট সময় ০৪:১৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইউনূস-নূরজাহানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদালতের আদেশ অপেক্ষমাণ
ঢাকায় হামের সংক্রমণে মারা যাওয়া এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সময়মতো হামের টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত না করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে অবহেলার কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই অভিযোগ এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং এর সত্যতা আদালতের মাধ্যমে যাচাই হয়নি।
রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার আবেদন করেন শরীয়তপুরের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম। তিনি হামে মারা যাওয়া নয় মাস বয়সী শিশু সাউদা মুসকানের বাবা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি সাংবাদিকদের জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন এবং আবেদনটির ওপর আদেশ পরে দেওয়া হবে। ফলে মামলাটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মামলার আবেদনে চারজনকে আসামি করার আবেদন জানানো হয়েছে। তারা হলেন—
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর
সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
বাদীর দাবি, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা এসব ব্যক্তির অবহেলা ও যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার ফলেই টিকা সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
কী বলা হয়েছে মামলার আবেদনে?
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে এবং মার্চের শুরুতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার নয় মাস বয়সী সাউদা মুসকান হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করানো হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।
পরবর্তীতে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে, পরে তাকে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অব্যবস্থাপনা ছিল। শিশুটির মা’র হাতে অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে নিজেই শিশুর মুখে অক্সিজেন লাগাতে বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তিনি তা করতে না পারলে একজন সুইপার শিশুর মুখে অক্সিজেন লাগিয়ে দেন। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর শিশুটি মারা যায় বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়নি।
টিকা সংকটের অভিযোগ
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় হামের টিকা সময়মতো সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি। পাশাপাশি টিকা ক্রয় এবং বিতরণে অবহেলা ও সমন্বয়হীনতার কারণে দেশে ব্যাপকভাবে হাম ছড়িয়ে পড়ে।
বাদীর দাবি, এসব কারণে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং সেই মৃত্যুর দায় রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এড়াতে পারেন না।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করলেও অভিযুক্তরা হাম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। ফলে অবহেলার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
আদালতের বর্তমান অবস্থান
আদালত এখনো মামলাটি গ্রহণ বা খারিজ—কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। বিচারক বাদীর বক্তব্য শুনে আবেদনটি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় কোনো অভিযোগ আদালতে দাখিল হওয়া মানেই সেটি প্রমাণিত নয়। আদালত অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা, আইনগত ভিত্তি এবং উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
এর আগেও হয়েছিল একই ধরনের আবেদন
এটি প্রথম নয়। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে একাধিক মামলার আবেদন করা হয়েছিল।
তবে সেসব আবেদন আদালত খারিজ করে দেন। বর্তমান আবেদনটির ক্ষেত্রেও আদালত এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি।
স্বাস্থ্যখাত নিয়ে নতুন বিতর্ক
হামের টিকা সরবরাহ, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এ মামলার আবেদন সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তবে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন সংবেদনশীল ঘটনায় আদালতের সিদ্ধান্তই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য এবং প্রমাণ—সবকিছু বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই যাচাই হবে।
বর্তমানে মামলার আবেদনটি আদালতের বিবেচনায় রয়েছে। আদালতের আদেশের পরই পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোবে, তা স্পষ্ট হবে।

Share this news as a Photo Card