শিরোনাম :
কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন পশ্চিমাঞ্চলের ৪ ট্রেন এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়, দরপত্র আহ্বান অপ্রতিম কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে : পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জে ছোটভাইয়ের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা লতিফের, করেছে হামলা, দিয়েছে মামলা চিকিৎসকের গায়ে হাত নিয়ে ধর্মঘট, অবাবস্থাপনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা সংবিধান কমিটি প্রত্যাখ্যান, ছয় দফা দাবিতে অনড় ১১-দলীয় জোট জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়, অভিযুক্ত তুহিনের বাসা থেকে মিলল নিহতের মায়ের আইফোন মেধা শঙ্কর-সময় রায়নার বিয়ের গুঞ্জন, নেই সরকারি ঘোষণা মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ জঙ্গলে উদ্ধার

কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি স্টেশন বন্ধের ডাক

কমিশন বাড়ানোর দাবিতে আগামী ৩০ জুলাই সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ওই দিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ১৮ ঘণ্টা সারা দেশে সিএনজি বিক্রি বন্ধ থাকবে।

​সংগঠনটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, এই সাময়িক বন্ধের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বা দাবি পূরণ করা না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।

​মঙ্গলবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মালিক সমিতি। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী।

​দীর্ঘ ১১ বছর অপরিবর্তিত কমিশন

​সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সিএনজি বিক্রির কমিশন পুনর্নির্ধারণ না করায় ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা চরম সংকটের মুখে পড়েছে।

​নেতারা জানান, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করেছিল সরকার। তবে এরপর গত এক দশকে দেশে মূল্যস্ফীতি বহুগুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, যন্ত্রাংশের মূল্য, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমির ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স ফি। কিন্তু Commissions এর হার আগের মতোই রয়ে গেছে। ফলে বর্তমান কমিশন দিয়ে ব্যবসা চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

​মালিকদের সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো কী?

​সংগঠনটি প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বিদ্যমান ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানিয়েছে। অর্থাৎ, তারা প্রতি ঘনমিটারে নতুন করে ৫ টাকা ৯৬ পয়সা কমিশন বৃদ্ধির আবেদন করেছেন।

​কমিশন বাড়ানোর পাশাপাশি মালিক সমিতি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করেছে:

  • স্বয়ংক্রিয় সমন্বয়: ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ফিলিং স্টেশনের কমিশনও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করতে হবে।
  • অতিরিক্ত জামানত বন্ধ: গ্যাসের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন করে সিকিউরিটি ডিপোজিট বা জামানত নেওয়া বন্ধ করতে হবে।
  • ফি যৌক্তিকীকরণ: সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি ইজারা ফি এবং সরকারের অন্যান্য দপ্তরের নানা ধরনের লাইসেন্স ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।

​খরচের হিসাব ও যুক্তি

​সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর স্পষ্ট করেন, তাঁরা অতিরিক্ত মুনাফার জন্য এই দাবি করছেন না। সরকারের নিজস্ব হিসাব, মূল্যস্ফীতি এবং পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির তথ্য বিশ্লেষণ করেই এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

​তিনি জানান, ২০১৭ সালে গঠিত সরকারি কমিটি ফিলিং স্টেশনের জন্য প্রতি ঘনমিটারে অতিরিক্ত ১ টাকা ৯৮ পয়সা মার্জিন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। সেই সুপারিশকে ভিত্তি ধরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিক মজুরি ও যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধি হিসাব করলে ২০২৪ সালের শুরুতেই মার্জিন দাঁড়াত ৩ টাকা ৭০ পয়সা।

​এর পাশাপাশি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুসারে গ্যাসের আনুপাতিক সমন্বয়ে ৩ টাকা ৩০ পয়সা এবং বিদ্যুতের দাম আট দফা বৃদ্ধির প্রভাবে ২ টাকা ৪৬ পয়সা যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের শুরুতেই মালিকদের ন্যায্য দাবি ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৫ টাকা ১০ পয়সা বৃদ্ধি।

​ফারহান নূর আরও বলেন, সর্বশেষ জুন মাসে বিদ্যুতের দাম নতুন করে ১৯ শতাংশ বাড়ানোর ফলে প্রতি ঘনমিটারে তাদের খরচ অতিরিক্ত ৮৬ পয়সা বেড়েছে। অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বাদ দিয়ে কেবল সরকারি সুপারিশ, মূল্যস্ফীতি ও বিদ্যুৎ ব্যয়ের হিসাব ধরলেই কমিশন দাঁড়ায় ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা।

​আলোচনার পথ বন্ধ থাকায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত

​সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের এসব দাবি নিয়ে বিইআরসি এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এমনকি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগও পাওয়া যায়নি।

​বাধ্য হয়ে তারা গত ১৮ জুলাই এক জরুরি সাধারণ সভা ডাকেন এবং ১২ সদস্যের স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শেষ উপায় হিসেবে দেশজুড়ে এই ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্তসহ অন্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ জঙ্গলে উদ্ধার

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি স্টেশন বন্ধের ডাক

আপডেট সময় ০৩:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কমিশন বাড়ানোর দাবিতে আগামী ৩০ জুলাই সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ওই দিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ১৮ ঘণ্টা সারা দেশে সিএনজি বিক্রি বন্ধ থাকবে।

​সংগঠনটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, এই সাময়িক বন্ধের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বা দাবি পূরণ করা না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।

​মঙ্গলবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মালিক সমিতি। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী।

​দীর্ঘ ১১ বছর অপরিবর্তিত কমিশন

​সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সিএনজি বিক্রির কমিশন পুনর্নির্ধারণ না করায় ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করা চরম সংকটের মুখে পড়েছে।

​নেতারা জানান, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ফিলিং স্টেশনগুলোর জন্য ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করেছিল সরকার। তবে এরপর গত এক দশকে দেশে মূল্যস্ফীতি বহুগুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, যন্ত্রাংশের মূল্য, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমির ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স ফি। কিন্তু Commissions এর হার আগের মতোই রয়ে গেছে। ফলে বর্তমান কমিশন দিয়ে ব্যবসা চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

​মালিকদের সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো কী?

​সংগঠনটি প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বিদ্যমান ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানিয়েছে। অর্থাৎ, তারা প্রতি ঘনমিটারে নতুন করে ৫ টাকা ৯৬ পয়সা কমিশন বৃদ্ধির আবেদন করেছেন।

​কমিশন বাড়ানোর পাশাপাশি মালিক সমিতি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করেছে:

  • স্বয়ংক্রিয় সমন্বয়: ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ফিলিং স্টেশনের কমিশনও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করতে হবে।
  • অতিরিক্ত জামানত বন্ধ: গ্যাসের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন করে সিকিউরিটি ডিপোজিট বা জামানত নেওয়া বন্ধ করতে হবে।
  • ফি যৌক্তিকীকরণ: সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি ইজারা ফি এবং সরকারের অন্যান্য দপ্তরের নানা ধরনের লাইসেন্স ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।

​খরচের হিসাব ও যুক্তি

​সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর স্পষ্ট করেন, তাঁরা অতিরিক্ত মুনাফার জন্য এই দাবি করছেন না। সরকারের নিজস্ব হিসাব, মূল্যস্ফীতি এবং পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির তথ্য বিশ্লেষণ করেই এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

​তিনি জানান, ২০১৭ সালে গঠিত সরকারি কমিটি ফিলিং স্টেশনের জন্য প্রতি ঘনমিটারে অতিরিক্ত ১ টাকা ৯৮ পয়সা মার্জিন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। সেই সুপারিশকে ভিত্তি ধরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিক মজুরি ও যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধি হিসাব করলে ২০২৪ সালের শুরুতেই মার্জিন দাঁড়াত ৩ টাকা ৭০ পয়সা।

​এর পাশাপাশি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুসারে গ্যাসের আনুপাতিক সমন্বয়ে ৩ টাকা ৩০ পয়সা এবং বিদ্যুতের দাম আট দফা বৃদ্ধির প্রভাবে ২ টাকা ৪৬ পয়সা যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের শুরুতেই মালিকদের ন্যায্য দাবি ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৫ টাকা ১০ পয়সা বৃদ্ধি।

​ফারহান নূর আরও বলেন, সর্বশেষ জুন মাসে বিদ্যুতের দাম নতুন করে ১৯ শতাংশ বাড়ানোর ফলে প্রতি ঘনমিটারে তাদের খরচ অতিরিক্ত ৮৬ পয়সা বেড়েছে। অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বাদ দিয়ে কেবল সরকারি সুপারিশ, মূল্যস্ফীতি ও বিদ্যুৎ ব্যয়ের হিসাব ধরলেই কমিশন দাঁড়ায় ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা।

​আলোচনার পথ বন্ধ থাকায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত

​সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের এসব দাবি নিয়ে বিইআরসি এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এমনকি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগও পাওয়া যায়নি।

​বাধ্য হয়ে তারা গত ১৮ জুলাই এক জরুরি সাধারণ সভা ডাকেন এবং ১২ সদস্যের স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শেষ উপায় হিসেবে দেশজুড়ে এই ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্তসহ অন্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card