শিরোনাম :
হাম ও ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু, উদ্বেগ দেশজুড়ে চাঁদাবাজি ঠেকাতে আসছে নতুন আইন, মামলার ক্ষমতা পাবে পুলিশ পাবনা-ঢাকা নতুন ট্রেনের সময়সূচি ও স্টপেজ নিয়ে যাত্রীদের প্রশ্ন রূপপুরে ফিজিক্স টেস্ট সফল, অনুমোদন পেলেই শুরু পাওয়ার স্টার্টআপ জাপান সফরে তারেক রহমান, বিনিয়োগে নতুন আশা দেখছে টোকিও মাদ্রাসায় বলাৎকার রোধে সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বই টঙ্গীর মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগ: ‘মব নয়, মেয়ের বিচার চাইতে গিয়েছিলাম’ শনিবারের মধ্যে সমঝোতা না হলে ‘লাশ পড়ে থাকবে’ মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

হাম ও ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু, উদ্বেগ দেশজুড়ে

হাম ও ডেঙ্গু, দুই সংক্রামক রোগেই দেশে প্রাণহানির খবর এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আটজন এবং ডেঙ্গু জ্বরে পাঁচজন মারা গেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত আলাদা দুটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৪ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৮৪ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী ২৩ হাজার ৩২৪ জন, আর গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৫১ জন।

হাসপাতালে ভর্তির তথ্যও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৫১৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৫ জন।

মৃত্যুর হিসাবে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আটজনের প্রাণ গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ১১৮ জনের। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন।

হামের ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে সংখ্যাগুলো দুই ভাগে দেওয়া হয়েছে: উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত এবং নিশ্চিত রোগী। উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তদের তালিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী ১ হাজার ১৪ জন, নিশ্চিত রোগী ৫১ জন। মৃত্যুর হিসাবেও একই বিভাজন রয়েছে; উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১ হাজার ১১৮ জনের, নিশ্চিত হামে ১০৪ জনের।

এদিকে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতেও প্রাণহানির খবর এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে পাঁচজন মারা গেছেন। এতে চলতি বছর এ রোগে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ৩৭৬ জনে।

একই সময়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৮ জন ডেঙ্গু রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জনে। তাঁদের মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বিভাগওয়ারি হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৩৫৯ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভর্তি ৩৪১ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ২৮১ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫৯ জন। বরিশাল বিভাগে ২৫২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৫ জন, রংপুর বিভাগে ৫১ জন এবং সিলেট বিভাগে সাতজন ভর্তি রয়েছেন।

মৃত্যুর ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, খুলনা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ও রাজশাহী বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

ডেঙ্গুর এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন খুলনা বিভাগে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, আর তৃতীয় স্থানে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন-বহির্ভূত এলাকা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছেন সিলেট বিভাগে, যেখানে সংখ্যা সাতজন।

ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব ধরা হয়েছে। এই সময়ে ভর্তি ১ হাজার ৮৯৮ জন, মৃত্যু পাঁচজনের। চলতি বছরে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জন, ছাড়পত্র পাওয়া ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ জন এবং মোট মৃত্যু ৩৭৬ জন।

দুই রোগের হিসাব পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ ও ডেঙ্গুতে মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং পাঁচজন ডেঙ্গু জ্বরে মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৪ জন, আর ডেঙ্গু রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৮ জন।

প্রতিবেদন দুটিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরই তথ্য প্রকাশ করেছে। রোগ দুটি ছড়িয়ে পড়ার কারণ, সংক্রমণের প্রেক্ষাপট কিংবা নতুন কোনো নির্দেশনা নিয়ে আলাদা বক্তব্য প্রতিবেদনে নেই। ফলে এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। হামের তথ্যে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কে একত্রে ধরা হয়েছে, আর দৈনিক হিসাব ধরা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টার।

তবে প্রতিবেদন দুটিতে কিছু বিষয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা নেই। হামের তথ্যে ১৫ মার্চ কোন বছরের, তা উল্লেখ করা হয়নি। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত, তারও বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। ফলে এই সংখ্যাগুলো যোগ বা বিয়োগ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সংগত নয়।

হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত, নিশ্চিত রোগী, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু, সব সংখ্যাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের প্রতিবেদন থেকে নেওয়া। ডেঙ্গুর পরিসংখ্যানও অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাজানো। সংখ্যাগুলো পরবর্তী হালনাগাদে বদলাতে পারে।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু, উদ্বেগ দেশজুড়ে

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

২৪ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

হাম ও ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু, উদ্বেগ দেশজুড়ে

আপডেট সময় ০৭:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

হাম ও ডেঙ্গু, দুই সংক্রামক রোগেই দেশে প্রাণহানির খবর এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আটজন এবং ডেঙ্গু জ্বরে পাঁচজন মারা গেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত আলাদা দুটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৪ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৮৪ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী ২৩ হাজার ৩২৪ জন, আর গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৫১ জন।

হাসপাতালে ভর্তির তথ্যও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৫১৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৫ জন।

মৃত্যুর হিসাবে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আটজনের প্রাণ গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ১১৮ জনের। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন।

হামের ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে সংখ্যাগুলো দুই ভাগে দেওয়া হয়েছে: উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত এবং নিশ্চিত রোগী। উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তদের তালিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী ১ হাজার ১৪ জন, নিশ্চিত রোগী ৫১ জন। মৃত্যুর হিসাবেও একই বিভাজন রয়েছে; উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১ হাজার ১১৮ জনের, নিশ্চিত হামে ১০৪ জনের।

এদিকে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতেও প্রাণহানির খবর এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে পাঁচজন মারা গেছেন। এতে চলতি বছর এ রোগে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ৩৭৬ জনে।

একই সময়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৮ জন ডেঙ্গু রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জনে। তাঁদের মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

বিভাগওয়ারি হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৩৫৯ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভর্তি ৩৪১ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ২৮১ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫৯ জন। বরিশাল বিভাগে ২৫২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৫ জন, রংপুর বিভাগে ৫১ জন এবং সিলেট বিভাগে সাতজন ভর্তি রয়েছেন।

মৃত্যুর ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, খুলনা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ও রাজশাহী বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

ডেঙ্গুর এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন খুলনা বিভাগে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, আর তৃতীয় স্থানে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন-বহির্ভূত এলাকা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছেন সিলেট বিভাগে, যেখানে সংখ্যা সাতজন।

ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব ধরা হয়েছে। এই সময়ে ভর্তি ১ হাজার ৮৯৮ জন, মৃত্যু পাঁচজনের। চলতি বছরে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জন, ছাড়পত্র পাওয়া ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ জন এবং মোট মৃত্যু ৩৭৬ জন।

দুই রোগের হিসাব পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ ও ডেঙ্গুতে মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন হামের উপসর্গ নিয়ে এবং পাঁচজন ডেঙ্গু জ্বরে মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৪ জন, আর ডেঙ্গু রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৮ জন।

প্রতিবেদন দুটিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরই তথ্য প্রকাশ করেছে। রোগ দুটি ছড়িয়ে পড়ার কারণ, সংক্রমণের প্রেক্ষাপট কিংবা নতুন কোনো নির্দেশনা নিয়ে আলাদা বক্তব্য প্রতিবেদনে নেই। ফলে এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। হামের তথ্যে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কে একত্রে ধরা হয়েছে, আর দৈনিক হিসাব ধরা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টার।

তবে প্রতিবেদন দুটিতে কিছু বিষয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা নেই। হামের তথ্যে ১৫ মার্চ কোন বছরের, তা উল্লেখ করা হয়নি। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা কীভাবে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত, তারও বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। ফলে এই সংখ্যাগুলো যোগ বা বিয়োগ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সংগত নয়।

হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত, নিশ্চিত রোগী, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু, সব সংখ্যাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের প্রতিবেদন থেকে নেওয়া। ডেঙ্গুর পরিসংখ্যানও অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাজানো। সংখ্যাগুলো পরবর্তী হালনাগাদে বদলাতে পারে।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

Share this news as a Photo Card