তাফালবাড়িয়া হাসানিয়া আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কয়েকজন শিক্ষক কর্মচারী এবং মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি দুইটি পত্রিকায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ জাকারিয়ার অভিযোগের বরাত দিয়ে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মচারী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে এবং নিজেকে রক্ষা করতে সাবেক অধ্যক্ষ জাকারিয়া এই অপকৌশল গ্রহণ করে। তার আনীত সকল অভিযোগ নিরীহ শিক্ষক কর্মচারীদের হয়রানি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার নামান্তর। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, অভিযোগকারী সাবেক এই অধ্যক্ষ উক্ত মাদ্রাসায় প্রথমে পিয়ন হিসেবে নিয়োগ পায়। পরবর্তীতে সহকারী মৌলভী হিসেবে নিয়োগ লাভ করে। ২০২২ সালে অধ্যক্ষ অবসর গ্রহণ করার পর নিজেকে জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দাবী করে কার্যক্রম চালাতে গেলে শিক্ষক কর্মচারীরা তাকে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে ২০২৫ সালে সে জালজালিয়াতির মাধ্যমে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং স্থানীয় একজন কলেজ শিক্ষককে সভাপতি করে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে একটি কমিটি আনে। তখন তার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে মাদ্রাসা বোর্ড বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়। তৎকালীন ইউএনও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটির রির্পোটে জাকারিয়ার জাল-জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় মাদ্রাসা বোর্ড উক্ত ভুয়া কমিটি বাতিল করে এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করে। তাৎক্ষণিকভাবে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকারিয়ার বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার বেতন ভাতা বন্ধ করে দেয় এবং সাময়িক বহিষ্কার করে। এতে করে জাকারিয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ অভিযোগকরা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের চক্রান্ত করে, তাদের নিয়োগ ও সনদ নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দেয়।
উল্লেখ্য শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিও করে থাকে। ফলে এখানে ভুয়া কাগজপত্র দেওয়ার সুযোগ থাকে না। অপর দিকে সম্প্রতি জাকারিয়া তার আপন বড় ভাই সাবেক প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান কে তার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা বোর্ডে অভিযোগ দেওয়ায় তাকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ ব্যপারে থানায় সাধারণ ডায়রী হয়।
জাকারিয়া এহেন অপকর্ম ঢাকতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এই অভিযোগ করে। ভুক্তভোগি শিক্ষক কর্মচারীরা আমরা তার অত্যাচারে অতিষ্ট। সে উক্ত প্রতিষ্ঠানকে ধংসের দ্বাধারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। তাকে মাদ্রাসা থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হোক। তা না হলে প্রতিষ্ঠান ধংস হয়ে যাবে।
নিবেদক
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
মোঃ রুহুল আমিন
তাফালবাড়ীয়া হাসানিয়া আলিম মাদ্রাসা
মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর।
মজিবুর রহমান, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর 


























