পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় একের পর এক হোটেল-রিসোর্ট আর বেহিসাবি বাণিজ্যিকীকরণের পরিণতি কেমন হতে পারে, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন তার বড় উদাহরণ। সৈকতে অবাধ যাতায়াত, উচ্চ শব্দে গান-বাজনা, বারবিকিউ পার্টি আর অনিয়ন্ত্রিত পর্যটকের ভিড়ে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ ঝুঁকিতে পড়ে। সংকট গভীর হওয়ার পর টনক নড়ে সরকারের। এখন দ্বীপটি নিয়ন্ত্রিত, বছরের ১০ মাসই সেখানে পর্যটকদের যাওয়া নিষিদ্ধ।
সেই একই ধরনের ব্যবসায়ীদের অনেকে এখন নজর দিয়েছেন বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের দিকে। সাত-আট বছর ধরে বনের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে ২১টি রিসোর্ট ও কটেজ। জমি কিনে বা ইজারা নিয়ে আরও ১০টি নির্মাণের প্রক্রিয়ায় আছে। অথচ এর একটিরও নিবন্ধন নেই, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতিও কেউ নেননি।
আইন কী বলে
১৯৯৯ সালে সুন্দরবনের সীমানা থেকে ১০ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এখানে শিল্প ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো নির্মাণ নিষিদ্ধ। পরিবেশের ক্ষতি হবে না, এমন স্থাপনা করতেও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হয়। এই এলাকায় অযাচিত গাছ কাটাও নিষিদ্ধ।
হোটেল ও রেস্তোরাঁ আইনে রিসোর্ট চালু করতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে। খুলনা জেলা প্রশাসনের তথ্য শাখা তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনের জবাবে লিখিতভাবে জানিয়েছে, জেলায় নিবন্ধিত কোনো রিসোর্ট বা কটেজ নেই। নিবন্ধনের জন্য সাতটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে, যেগুলো তদন্তাধীন।
সরেজমিনে যা দেখা গেছে
পর্যটক হিসেবে দুই দিন রিসোর্টে থেকে এবং আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সুন্দরবনের ঠিক উল্টো পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে রিসোর্টগুলো তৈরি হচ্ছে। স্পষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় গাছ কেটে ও জলাভূমি ভরাট করে স্থাপনা গড়ার অভিযোগ আছে। কয়েকটি স্থানে পুকুর ভরাটের চিহ্নও মিলেছে।
‘ইকো’ নাম থাকলেও বেশির ভাগ স্থাপনার ভেতরের কাঠামো কংক্রিটের। ঘর, টয়লেটসহ নানা স্থাপনা কংক্রিটে বানিয়ে ওপরে বাঁশ, কাঠ, পাইপ ও গোলপাতা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। চিলা, চাঁদপাই ও মুন্সীগঞ্জে কংক্রিটের স্থাপনা তুলনামূলক বেশি।
রাতে রিসোর্টগুলোয় বারবিকিউ পার্টি ও গানের আসর বসে। বনের পাড়ে বসে পর্যটকদেরও সমবেত কণ্ঠে গান গাইতে দেখা গেছে। বনলতা রিসোর্টে ঘাট নির্মাণের সময় কাঠের প্রতিটি আঘাতের শব্দ বনের ভেতর প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। প্রতিটি রিসোর্টে এসি ও জেনারেটর চলে। পর্যটকদের ব্যবহৃত পানি ফেলা হচ্ছে বনের খালে।
প্রতি বিকেলে রিসোর্টের কর্মীরা পর্যটকদের বনে ও খালে ঘুরতে নিয়ে যান। সুন্দরবনের পুরোটাই সংরক্ষিত বন, অনুমতি ছাড়া প্রবেশ নিষেধ। জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রিসোর্টগুলো খোলা থাকে এবং পর্যটকেরা বনে ঢোকেন বলে জানা গেছে।
ডলফিনের আবাসস্থলে ভিড়
ডলফিন অভয়ারণ্য ঘোষিত ঢাংমারী খালের চারপাশে প্রায় ১০টি রিসোর্ট হয়েছে। বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা মিঠাপানির গাঙ্গেয় ডলফিন (শুশুক) ও ইরাবতী ডলফিনের এই বিচরণস্থল দিয়ে প্রতিদিন বহু ট্রলার ও নৌযান পর্যটক আনা-নেওয়া করে। খাল ও বনের ভেতরে ঘোরার সময়ও পর্যটকদের হৈ-হুল্লোড় করতে দেখা গেছে।
নির্মাণে আরও ১০
ঢাংমারী, বন লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ ও চাঁদপাই এলাকায় তিনটি রিসোর্টের নির্মাণকাজ চলছে। আরও সাতটির জন্য জায়গা চূড়ান্ত করে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। ঘাগড়াকাঠি খালে নিকুঞ্জ ভ্যালি রিসোর্টের পাশে নতুন একটি রিসোর্টের সাইনবোর্ডে কারও নাম ছিল না।
স্থানীয় এক নৌকার মাঝি জানান, ছয় মাস আগে গ্রামের কয়েকজনের কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। যাঁরা এই কাজ করছেন, তাঁদের গ্রামের কেউ চেনেন না। ঢাংমারী খালের বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটার সময় দুই যুবককে বাঁশ দিয়ে জমি ঘিরে দিতে দেখা যায়। সুদীপ নামে একজন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক রিসোর্ট বানানোর জন্য ওই জমি কিনেছেন। চাঁদপাই ফরেস্ট অফিসের পাশেও কংক্রিটের একটি স্থাপনার কাজ চলছে। সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েকজন ব্যবসায়ী সেখানে রিসোর্ট করছেন।
শুরুটা যেভাবে
বনের গা ঘেঁষে বাণিজ্যিক স্থাপনার সূচনা ২০০৯ সালে। সে বছর বনজীবী, দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক ও সরকারি কর্মকর্তাদের থাকার জন্য সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জে ‘টাইগার পয়েন্ট’ নামে একটি রিসোর্ট করে এনজিও সুশীলন। ২০১১ সালে হয় ‘বর্ষা রিসোর্ট’। দুটিই বন থেকে কিছুটা দূরে, কংক্রিটের স্থাপনা।
সুন্দরবনকেন্দ্রিক প্রথম পরিবেশবান্ধব বাণিজ্যিক রিসোর্ট তৈরি হয় ২০১৬ সালে, খুলনার দাকোপের ঢাংমারী গ্রামে। স্থানীয় বনজীবী ও বননির্ভর মানুষের বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে অনুমতি ছাড়াই রিলিফ ইন্টারন্যাশনাল ‘গোল কানন’ নামে ইকো রিসোর্ট গড়ে তোলে। এটি দেখেই ঢাংমারীর দিকে ঝুঁকতে থাকেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। ধীরে ধীরে রিসোর্ট ছড়িয়ে পড়েছে মোংলার চিলা, বৈদ্যমারী, চাঁদপাই ও সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জে।
সেন্টমার্টিন ছেড়ে সুন্দরবনে
এখন যাঁরা বিনিয়োগ করছেন, তাঁদের অনেকেই দেশের অন্যান্য পর্যটন এলাকার ব্যবসায়ী। কারও সেন্টমার্টিন, লামা বা সাজেকে রিসোর্ট আছে, কারও হাওরে পর্যটকবাহী নৌযান। তাঁরা যৌথ মালিকানায় রিসোর্ট গড়ছেন।
সেন্টমার্টিনে ‘মার্টিন ভিউ’ নামে রিসোর্ট ছিল জাকারিয়া শাওনের। সেটি ছেড়ে তিনি ঢাংমারী খালের পাশে করেছেন ‘জঙ্গলবাড়ি’। তাঁর ভাষ্য, নানা বিধিনিষেধের কারণে সেন্টমার্টিনের ব্যবসা ভালো চলছিল না। সুন্দরবন নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ তুলনামূলক ভালো। তিনি দাবি করেন, আইন মেনে পরিবেশগত সমীক্ষা করেই রিসোর্ট করেছেন এবং নিবন্ধনের জন্য আবেদনও করেছেন, কিন্তু প্রশাসনের অনুমতি মিলছে না।
সেন্টমার্টিনে ‘লুইপাস’ ও ‘দীপান্তর’ নামে দুটি রিসোর্ট এবং হাওরে ‘রূপকথা’ নামে হাউসবোট আছে পারভেজ আহমেদসহ কয়েকজনের। তাঁরা ঢাংমারী খালের পাড়ে করেছেন ‘বনবিবি’ রিসোর্ট। পারভেজ বলেন, বছরের ১০ মাস সেন্টমার্টিন বন্ধ থাকায় সেখানে ব্যবসা কঠিন হয়ে পড়ছে। সুন্দরবন সারা বছর খোলা থাকে।
২০২৪ সালে ইসলভড ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুন্দরবনের পাশের ইকোকটেজ নিয়ে একটি বেজলাইন স্টাডি করে। ওই গবেষণায় যুক্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ওয়াসিউল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ বনের চারপাশে ২০টি কটেজ ছিল। এর মধ্যে স্থানীয়দের মালিকানায় ছিল মাত্র দুটি। সেন্টমার্টিন ও বান্দরবানে রিসোর্ট আছে, এমন ব্যক্তিরাই এখন সুন্দরবনে বিনিয়োগ করছেন এবং এই প্রবণতা বাড়ছে।
বন বিভাগ ও বিশেষজ্ঞদের কথা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, সেন্টমার্টিনের চেয়েও অনেক বেশি স্পর্শকাতর ও জটিল বাস্তুসংস্থান সুন্দরবনের। একের পর এক রিসোর্ট, পর্যটকের অতিমাত্রায় আনাগোনা ও চিৎকার-চেঁচামেচিতে বনের বাস্তুসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে বন্যপ্রাণী ওই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে পারে। খালের পথে পর্যটকের বর্জ্য বনে ঢুকছে, তাতেও ক্ষতি হচ্ছে।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, বনের ওপর রিসোর্টগুলোর নেতিবাচক প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। অতিরিক্ত শব্দ, আলো ও পর্যটকের ফেলে যাওয়া বর্জ্য বন্যপ্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। রিসোর্টগুলো বনের সীমানার বাইরে ব্যক্তিমালিকানা জমিতে হওয়ায় বন বিভাগের করণীয় সীমিত। এগুলো নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পরিবেশ অধিদপ্তরের বলে তিনি মনে করেন। ঢাংমারী ফরেস্ট অফিসের স্টেশন অফিসার বিশ্বাস জাহাঙ্গীর হোসেনও একই কথা বলেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, রিসোর্টে আসা প্রায় সব পর্যটকই অবৈধভাবে বনে ও খালে ঢোকেন। তাঁদের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কাজের অভিযোগও শোনা যায়।
ঝুঁকির ঘটনা
গত ২ জানুয়ারি অনুমতি ছাড়া সুন্দরবনের কেনুয়ার খালে ঘুরতে গেলে ‘গোল কানন’ রিসোর্টের পরিচালকসহ তিন পর্যটককে অপহরণ করে বনদস্যুরা। যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪ জানুয়ারি তাঁদের উদ্ধার করা হয়। ২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর খালে পর্যটকবাহী নৌকা ডুবে যায়। দুই দিন পর ১০ নভেম্বর বিমানবাহিনীর সাবেক পাইলট রিয়ানা আজাদের লাশ উদ্ধার হয়। এরপরও অনুমতি ছাড়া নদী-খালে ঘোরা থামেনি।
প্রশাসন কী বলছে
পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পারভেজ আহম্মেদ জানান, অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট স্থাপন ও পরিচালনার কারণে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট রিসোর্টগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেওয়া হয়। তারা জবাব দিয়েছে। এরপর তাদের অবস্থান জানাতে আবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।
নিবন্ধনের আবেদনের অগ্রগতি জানতে একাধিকবার জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়েও তথ্য পাওয়া যায়নি। অনুমোদনহীন রিসোর্টের বিষয়ে করণীয় জানতে চাইলে লিখিত উত্তরে জেলা প্রশাসন জানায়, তারা সুন্দরবন রক্ষা ও পর্যটনের বিকাশকে সাংঘর্ষিক মনে করে না। বনের জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য অক্ষুণ্ন রেখেই পর্যটন গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিরাপদ ও মানসম্মত আবাসনও দরকার, তবে তা বিদ্যমান আইন, পরিবেশগত বিধিবিধান ও ইসিএর নীতিমালা মেনে হতে হবে।
অভিযোগ আছে, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রভাবশালীদের ‘ম্যানেজ’ করেই রিসোর্টগুলো চলছে। জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, অভিনেতা, শিক্ষক-গবেষক ও সাংবাদিকদের অনেকে রিসোর্টগুলোর প্রচারে নিয়মিত অংশ নেন বলে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসন ধীর গতিতে এগোয় বলেও দাবি করা হচ্ছে।
নীতিমালা ও নজরদারির দাবি
রিসোর্ট মালিকেরা এই খাতকে ‘কমিউনিটি-বেজড ইকোট্যুরিজম’ হিসেবে তুলে ধরতে চান। কিন্তু স্থানীয়দের সম্পৃক্ততা তেমন চোখে পড়েনি। প্রতিটি রিসোর্টে গড়ে পাঁচ থেকে সাতজন স্থানীয় মানুষ কাজ করেন, বেশির ভাগই নিরাপত্তা, ধোয়ামোছা ও খাবার পরিবেশনের কাজে। তবে পর্যটকের কারণে রিসোর্টকেন্দ্রিক গ্রামগুলোতে কিছুটা অর্থনৈতিক পরিবর্তন এসেছে। খাদ্যসামগ্রী স্থানীয় গ্রাম থেকে কেনা হচ্ছে, পর্যটকদের সঙ্গে কাজ করে গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রায়ও বদল আসছে। ড. ওয়াসিউল ইসলামও বলেন, বনজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান হচ্ছে এবং অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে গ্রামের অর্থনীতি বড় হচ্ছে।
তবে এই উন্নয়নের বিপরীতে বনের ক্ষতি কতটা হচ্ছে, তা নিয়ে এখনো কোনো গবেষণা হয়নি। সেন্টমার্টিনের অভিজ্ঞতা সুন্দরবনে কাজে লাগানোর কোনো তৎপরতাও দেখা যায় না।
সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, সুন্দরবনকে ঘিরে পর্যটন বাড়াতে হবে, তবে বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষা করেই। সেন্টমার্টিনের মতো ভুল সুন্দরবনে হওয়া উচিত নয়। রিসোর্ট তৈরির আগে ও পরে বনের ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করে নীতিমালা করা এবং কঠোরভাবে তা মানানো গেলে এটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হতে পারে।
পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দেন, নৌযানে পর্যটন একসময় লাগামছাড়া ছিল। নীতিমালা করে সেটি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন বনের ভেতরে নির্দিষ্ট আয়তনের লঞ্চ যেতে পারে, আগাম অনুমতি লাগে, কোন এলাকায় দিনে কতজন যাবেন তাও নির্ধারিত। তাঁদের মতে, রিসোর্টের ক্ষেত্রেও একই ধরনের নীতিমালা দরকার। তাতে যত্রতত্র রিসোর্ট কমবে এবং যেগুলো আছে, সেগুলোও পরিবেশ সচেতনতা মেনে চলবে।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 



















