বাংলাদেশ সফরে আসবেন ব্রিটেনের রাজা চার্লস

খুব শিগগিরই ভারতীয় উপমহাদেশ সফরে আসতে পারেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। এর মধ্য দিয়ে ক্যানসার থেকে তিনি সেরে উঠেছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা ডেইলি মিরর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর তৃতীয় চার্লস সব ধরনের সফর বাতিল করতে বাধ্য হন। তবে ভারতীয় উপমহাদেশের তিন দেশ—বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সফরের এই পরিকল্পনার মাধ্যমে পুনরায় তার সফর শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রেক্সিট পরবর্তী বিশ্বে তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায় ব্রিটেন। সে ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্রিটিশ রাজা ও রানির সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

একটি সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ডেইলি মিরর জানায়, রাজা ও রানির জন্য এই ধরনের সফরের পরিকল্পনা করাটা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। ভারতীয় উপমহাদেশে তাদের একটি সফর শুরুর কথা রয়েছে, যা বিশ্ব মঞ্চে ব্রিটেনের জন্য রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

রাজকীয় সফরের জন্য সম্ভাব্য আমন্ত্রণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার করতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সফরের খসড়া পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে ভারত সফর বাতিল করার পর রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলাকে অভ্যর্থনা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বাড়তে থাকা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে দেশটিতে ব্রিটিশ রাজা ও রানির সফর নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। গত মাসে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে সাক্ষাৎ করেছিলেন এই দুই দেশের সরকারপ্রধানেরা। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যদিও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইউক্রেন যুদ্ধ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন।

ওয়েলসের যুবরাজ হিসেবে ২০০৬ সালে ক্যামিলাকে সঙ্গে নিয়ে এক সপ্তাহের জন্য পাকিস্তান সফর করেছিলেন চার্লস। সে সময় শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনাদের কাছে আসতে আমার প্রায় ৫৮ বছর লেগেছে। তবে এটা ঠিক যে চেষ্টার অভাব হয়নি, তা আমি বলতে পারি।’

২০১৯ সালের নভেম্বরে চার্লস তার দশম সরকারি সফরে ভারতে আসেন। তার সেই সফরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল জলবায়ু পরিবর্তন, স্থায়ত্বশীল উন্নয়ন ও সামাজিক অর্থায়নের মতো বিষয়গুলোকে। সেই সফরে তিনি নয়াদিল্লিতে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ পরিদর্শনে যান, বিদ্যুৎচালিত রিকশায় ঘুরে বেড়ান এবং সাক্ষাৎ করেন পরিবেশবাদী সুনিতা নারাইনের সঙ্গে।

যুক্তরাজ্য রাজা তৃতীয় চার্লস সফর

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশ মির্জা ফখরুলের

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বাংলাদেশ সফরে আসবেন ব্রিটেনের রাজা চার্লস

আপডেট সময় ১২:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৪

খুব শিগগিরই ভারতীয় উপমহাদেশ সফরে আসতে পারেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। এর মধ্য দিয়ে ক্যানসার থেকে তিনি সেরে উঠেছেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা ডেইলি মিরর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর তৃতীয় চার্লস সব ধরনের সফর বাতিল করতে বাধ্য হন। তবে ভারতীয় উপমহাদেশের তিন দেশ—বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সফরের এই পরিকল্পনার মাধ্যমে পুনরায় তার সফর শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রেক্সিট পরবর্তী বিশ্বে তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায় ব্রিটেন। সে ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্রিটিশ রাজা ও রানির সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

একটি সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ডেইলি মিরর জানায়, রাজা ও রানির জন্য এই ধরনের সফরের পরিকল্পনা করাটা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। ভারতীয় উপমহাদেশে তাদের একটি সফর শুরুর কথা রয়েছে, যা বিশ্ব মঞ্চে ব্রিটেনের জন্য রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

রাজকীয় সফরের জন্য সম্ভাব্য আমন্ত্রণকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার করতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সফরের খসড়া পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে ভারত সফর বাতিল করার পর রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলাকে অভ্যর্থনা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বাড়তে থাকা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে দেশটিতে ব্রিটিশ রাজা ও রানির সফর নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। গত মাসে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে সাক্ষাৎ করেছিলেন এই দুই দেশের সরকারপ্রধানেরা। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যদিও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইউক্রেন যুদ্ধ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন।

ওয়েলসের যুবরাজ হিসেবে ২০০৬ সালে ক্যামিলাকে সঙ্গে নিয়ে এক সপ্তাহের জন্য পাকিস্তান সফর করেছিলেন চার্লস। সে সময় শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনাদের কাছে আসতে আমার প্রায় ৫৮ বছর লেগেছে। তবে এটা ঠিক যে চেষ্টার অভাব হয়নি, তা আমি বলতে পারি।’

২০১৯ সালের নভেম্বরে চার্লস তার দশম সরকারি সফরে ভারতে আসেন। তার সেই সফরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল জলবায়ু পরিবর্তন, স্থায়ত্বশীল উন্নয়ন ও সামাজিক অর্থায়নের মতো বিষয়গুলোকে। সেই সফরে তিনি নয়াদিল্লিতে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ পরিদর্শনে যান, বিদ্যুৎচালিত রিকশায় ঘুরে বেড়ান এবং সাক্ষাৎ করেন পরিবেশবাদী সুনিতা নারাইনের সঙ্গে।

যুক্তরাজ্য রাজা তৃতীয় চার্লস সফর

Share this news as a Photo Card