ব্রিটিশ মন্ত্রীর পদ ছাড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী

যুক্তরাজ্যের হোমলেসনেস মিনিস্টার বা গৃহহীনবিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী। পুরোনো ভাড়া‌টিয়া স‌রি‌য়ে ব্যক্তিগত একটি সম্পত্তির ভাড়া রাতারাতি ৭০০ পাউন্ড বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সমালোচনার মুখে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।

রুশনারা আলী যুক্তরাজ্যের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি। তার মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়টি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। খবর বিবিসির।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকে লেখা পদত্যাগপত্রে রুশনারা আলী বলেন, তিনি ভারাক্রান্ত মন নিয়ে পদত্যাগ করছেন।

তার দাবি, তিনি সব আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলেছেন এবং তার দায়িত্বকে গুরুত্ব সহকারে পালন করেছেন। তবে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, তার পদে থাকা সরকারের উচ্চাভিলাষী কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেবে।

পরে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার রুশনারার ‘যত্নবান’ কাজের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষ করে ‘ভ্যাগ্রান্সি অ্যাক্ট’ বাতিল করার ক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

স্টারমার বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন রুশনারা আলী পেছন থেকে সরকারে সমর্থন অব্যাহত রাখবেন এবং বেথনালগ্রিন ও স্টেপনি আসনের জনগণের সেবা করে যাবেন।

গত বছর ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে রুশনারা বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার বেথনালগ্রিন ও স্টেপনি আসন থেকে পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১০ সাল থেকে ওই আসনটি ধরে রেখেছেন রুশনারা।

লেবার পার্টির আরেক এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর সমালোচনার মুখে গত ১৪ জানুয়ারি স্বেচ্ছায় মন্ত্রীত্ব ছাড়েন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি।

টিউলিপ গত বছর দেশটির সাধারণ নির্বাচনে লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড হাইগেট আসন থেকে টানা চতুর্থবারের মতো পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর জুলাইয়ে তাকে লেবার পার্টি সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি টু দ্য ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার) করা হয়েছিল।

মার্কিন চাপের মধ্যেই চীন সফরে যাচ্ছেন মোদী

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশ মির্জা ফখরুলের

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ব্রিটিশ মন্ত্রীর পদ ছাড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী

আপডেট সময় ১১:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

যুক্তরাজ্যের হোমলেসনেস মিনিস্টার বা গৃহহীনবিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী। পুরোনো ভাড়া‌টিয়া স‌রি‌য়ে ব্যক্তিগত একটি সম্পত্তির ভাড়া রাতারাতি ৭০০ পাউন্ড বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সমালোচনার মুখে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।

রুশনারা আলী যুক্তরাজ্যের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি। তার মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়টি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। খবর বিবিসির।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকে লেখা পদত্যাগপত্রে রুশনারা আলী বলেন, তিনি ভারাক্রান্ত মন নিয়ে পদত্যাগ করছেন।

তার দাবি, তিনি সব আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলেছেন এবং তার দায়িত্বকে গুরুত্ব সহকারে পালন করেছেন। তবে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, তার পদে থাকা সরকারের উচ্চাভিলাষী কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেবে।

পরে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার রুশনারার ‘যত্নবান’ কাজের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষ করে ‘ভ্যাগ্রান্সি অ্যাক্ট’ বাতিল করার ক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

স্টারমার বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন রুশনারা আলী পেছন থেকে সরকারে সমর্থন অব্যাহত রাখবেন এবং বেথনালগ্রিন ও স্টেপনি আসনের জনগণের সেবা করে যাবেন।

গত বছর ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে রুশনারা বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার বেথনালগ্রিন ও স্টেপনি আসন থেকে পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১০ সাল থেকে ওই আসনটি ধরে রেখেছেন রুশনারা।

লেবার পার্টির আরেক এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর সমালোচনার মুখে গত ১৪ জানুয়ারি স্বেচ্ছায় মন্ত্রীত্ব ছাড়েন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি।

টিউলিপ গত বছর দেশটির সাধারণ নির্বাচনে লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড হাইগেট আসন থেকে টানা চতুর্থবারের মতো পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর জুলাইয়ে তাকে লেবার পার্টি সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি টু দ্য ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার) করা হয়েছিল।

মার্কিন চাপের মধ্যেই চীন সফরে যাচ্ছেন মোদী

Share this news as a Photo Card